কাউনিয়া (রংপুর) প্রতিনিধি: জীবনের শুরুতেই কঠিন অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই করছেন ১৮ বছর বয়সী তরুণ আব্দুর রউফ। অস্টিওপোরোসিসে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক যন্ত্রণা সহ্য করছেন তিনি। অর্থাভাবে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা করাতে না পেরে দিন কাটছে অসহায় অবস্থায়। সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চান রউফ। এ জন্য সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষের কাছে আর্থিক সহায়তা চেয়েছেন তার পরিবার।
রউফ রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার টেপামধুপুর ইউনিয়নের পশ্চিম রাজিব গ্রামের দিনমজুর হাবিবুর রহমানের ছেলে। পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় দুই বছর আগে হঠাৎ কোমরে ব্যথা শুরু হয় তার। প্রথম দিকে সাধারণ সমস্যা মনে হলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। পরে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হলে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার কোমরের দুপাশের হাড় ক্ষয়জনিত সমস্যা ধরা পড়ে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী, তিনি অস্টিওপোরোসিসে আক্রান্ত।
বর্তমানে রউফ রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মেশকাতুর রহমানের তত্ত্বাবধানে বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছেন। অসুস্থতার কারণে তিনি এখন শয্যাশায়ী। স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতেও পারছেন না।
রউফের বাবা হাবিবুর রহমান জানান, ছেলের অপারেশন ও চিকিৎসার জন্য প্রায় ৭ থেকে ৮ লাখ টাকা প্রয়োজন। কিন্তু দিনমজুরি করে সংসার চালানো তার পক্ষে এত টাকা জোগাড় করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ভিটেমাটি ছাড়া পরিবারের আর কোনো উল্লেখযোগ্য সম্পদ নেই। ছেলের চিকিৎসার খরচ জোগাতে ইতোমধ্যে গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগি বিক্রি করেছেন। পাশাপাশি ধারদেনা করেছেন এবং স্থানীয় মানুষের সহযোগিতাও নিয়েছেন। কিন্তু চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান এখনো হয়নি।
ছেলের চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে না পেরে অসহায় হয়ে পড়েছেন বাবা হাবিবুর রহমান। সন্তানের সুস্থ হয়ে ওঠার স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখতে তিনি সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, প্রবাসী বাংলাদেশি ও মানবিক সংগঠনগুলোর কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন।
মানবিক সহায়তার আবেদন
আব্দুর রউফের চিকিৎসায় সহযোগিতা করতে আগ্রহীরা নিচের মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা পাঠাতে পারেন।
- বিকাশ নম্বর: ০১৩০৯৮০৩৪০১
- ইসলামী ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং হিসাব নম্বর: ২০৫০৭৭৭০২৩৫৭৭৬৩৩৫
- এজেন্ট ব্যাংকিং শাখা: টেপামধুপুর
একটু সহযোগিতা হয়তো আব্দুর রউফের জীবনে ফিরিয়ে আনতে পারে নতুন আশার আলো। মানবিক মানুষের সম্মিলিত সহায়তায় তিনি যেন প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পেয়ে সুস্থ জীবনে ফিরতে পারেন—এটাই তার পরিবারের প্রত্যাশা।