মো. ওমর ফারুক, কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: করোনা ভাইরাসের আতংকে গোটা বিশ্বসহ বাংলাদেশ লকডাউনে রয়েছে। লোক সমাগম না হওয়ার জন্য সরকারের তরফ হতে সকল ধরনের প্রচার-প্রচারণা অব্যাহত রয়েছে। এরমধ্যে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ইটভাটা কর্তৃপক্ষ সরকারকে রীতিমত বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে তাদের ইটভাটার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। কলাপাড়া উপজেলায় যে ইটভাটাগুলো রয়েছে তারমধ্যে প্রায় সব ইটভাটাগুলোই লকডাউনের মধ্যেও খোলা রেখে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এতে তারা আর্থিকভাবে লাভবান হলেও দেশকে সম্মুখ বিপদের মধ্যে ঠেলে দিচ্ছে। এক একটি ইট ভাটায় শত শত লোকের সমাগম হয়। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল হতে এদের আগমন হয়েছে। তাই মরনঘাতি করোনা ভাইরাসে একজন আক্রান্ত হলে উক্ত ইটভাটার সকল শ্রমিক তথা পুরো উপজেলার দুশ্চিন্তার কারন হতে পারে। সোমবার উপজেলার কয়েকটি ইটভাটায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শ্রমিকরা একত্রিত হয়ে মাটি কাঁটা হতে শুরু করে ভাটার সকল ধরনের কাজ করে যাচ্ছে। কারো মুখে মাক্সতো দুরের কথা করোনার বয়াবহতা সম্মুর্কেও যেনো তারা একেবারেই অজ্ঞ। সবাই হাসি-গল্প -তামাশা করে কাজ করে যাচ্ছে। দেশ ও দেশের সরকার করোনা হতে প্রতিরোধের জন্য কি করছে তা যেনো তারা জানেই না। উপজেলার টিয়াখালী ইউনিয়নের নাচনাপাড়ায় অবস্থিত ভাই ভাই ব্রিক্সস ফিল্ড, দেশ ব্রিক্সস ও নীলগঞ্জ ইউনিয়নের সলিমপুরে অবস্থিত সততা ব্রিক্সস ফিল্ডসহ বেশ কয়েকটি ইটভাটায় গিয়ে এসব দৃশ্য দেখতে পাওয়া যায়। সংবাদকর্মীদের উপস্থিতি টের পেয়ে শ্রমিকরা সটকে পরার চেষ্টা করে। পরে তাদের নিকট হতে জানা যায়, মালিক তাদের ছুটি না দিয়ে কাজ করাচ্ছে। দু-একটি ছাড়া বেশিরভাগ ইটভাটাতে একই দৃশ্য দেখতে পাওয়া যায়। ভাই ভাই ব্রিক্সস ফিল্ডের মালিক মো. আমান মৃধার নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, বেশিরভাগ শ্রমিক দুরের জেলার হওয়ায় তাদের পাঠাতে পারিনি। তাই কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তবে কার্যক্রম বন্ধ করে দিবে বলে তিনি জানান। কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু হাসনাত মোহাম্মাদ শহিদুল হক বলেন, ইটভাটার কার্যক্রম চলমান থাকার বিষয়টি আমি জেনেছি। ইটভাটার মালিক পক্ষদের নিয়ে একটি সিদ্ধান্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।