মো. ওমর ফারুক, কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মো.ইমন হোসেন বয়স ১৯ বছর। ছোট বেলায় মাকে হারিয়েছে। বাবাও সংসার পেতেছেন নতুন করে। সেই নুতন সংসারে জায়গা হয়নি তার। পরে ঠাঁই হয় উপজেলার মহিপুর থানার ইউসুফপুর গ্রামের তার মামা বাড়িতে। ২৬ এপ্রিল (রবিবার) সন্ধ্যায় নানার বাড়ি থেকে মামা হিমু কবিরাজের বাসায় যাওয়ার পথে হঠাৎ বজ্রপাতে তার সারা শরীর ঝলসে যায়। বর্তমানে সে ঢাকায় শেখ হাসিনা বার্ন এ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে মিত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে মা, বাবার হাত ধরে কান্না করবে সেই ভাগ্য টুকুও নেই। অসহয়, এতিম অতিদরিদ্র ছেলেটি একটু সাহয্য পেলে, আবারও সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারবে। এমনটাই আশা করেছেন কোরআনের হাফেজ ইমনের স্বজনরা। বজ্রপাতে ঝলসে যাওয়া ইমনের মামা হিমু বলেন, ইমনের যখন তিন মাস বয়স, তখন তার মা পৃথিবী থেকে চলে যায়। বাবাও তার খোঁজ নেননি। এর পর আমার বাড়িতে থেকেই সে হাফিজী লেখা পড়া করে আসছে। কোরআনের ২৮ পারার হাফেজ ইমনের জীবনে ঘটে গেল এক মর্মান্তিক দূর্ঘটনা। বজ্রপাতে তার সারা শরীর ঝলসে যায়। বর্তমানে সে ঢাকায় শেখ হাসিনা বার্ন এ্যান্ড পাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন রয়েছে। দীর্ঘ মেয়াদী চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া খুব কষ্টসাধ্য ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই দেশের সকল বিত্ত্ববানদের কছে সহযোগিতা কমনা করছেন দরিদ্র মামা হিমু কবিরাজ। তিনি বলেন, আমার ভাগ্নের পাশে আপনারা না দাড়ালে তাকে সুচিকিৎসা দেয়া সম্ভব নয়। আপনাদেরই সহযোগীতায় এতিম মেধাবী ইমন আবারও স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারবে।