আল-কারিয়া চৌধুরী জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃ জয়পুরহাট জেলায় এখন পর্যন্ত ৬৫ জন কে আইসোলেশনে রাখা হয়েছিলো। এদের মধ্যে সুস্থ হওয়াতে ৩৪ জন কে অবমুক্ত করা হয়েছে এবং বর্তমানে ৩১ জন আইসোলেশনে আছে। রবিবার (৩ মে) সকালে এসব তথ্য জানিয়েছে জেলা সিভিল সার্জন । জেলায় করোনা সন্দেহে স্বাস্থ্য বিভাগ ১হাজার ৬শ ৬২ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করার জন্য রোগতত্ত, রোগ নিযন্ত্রণ ও গবেষণা ইন্সটিটিউট (আইইডিসিআর), রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক), বগুড়া শহিদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়। তাঁর মধ্যে ১হাজার ৪৫ জনের নমুনার টেস্ট রেজাল্ট পাওয়া যায় এর মধ্যে ৩২ জনের নমুনাতে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া যায় এবং ৬টি নমুনা বাতিল করা হয়। বর্তমানে নমুনা পেন্ডিং আছে ৬১৭। শরীরে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি রয়েছে এমন সন্দেহে স্বাস্থ্য বিভাগ জেলায় কোয়ারেন্টাইনে রেখেছিলেন মোট ২ হাজাত ১শ ৪৩ জনকে। যাদের মধ্যে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইন শেষে অবমুক্ত হয়েছে ৮০৯ জন ব্যাক্তি। বর্তমানে ১হাজার ৩শ ৩৪ জন কোয়ারেন্টাইনে আছেন। তাদের নিয়মিত পরিদর্শনের আওতায় রাখা হয়েছে। জেলায় এখন পর্যন্ত ৮৬ জন কে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছিলো তাদের মধ্যে ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন শেষে বাড়ি ফিরে গেছেন ৩৫জন এবং বাকি ৫১ জন এখন পর্যন্ত কোয়ারেন্টাইনে আছেন। চিকিৎসা প্রস্তুতি নিয়ে জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ সেলিম মিয়া তিনি জানান, জেলায় মোট ২৪০ বেডের সরকারী ৪টি চিকিৎসা কেন্দ্রে করোনা চিকিৎসায় ২১৪ বেড প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ৫জন ল্যাব টেকনেশিয়ান, ১৪ জন আনসার, ৪ জন আয়া ও ৩ জন বেসরকারি ডাক্তার নিয়োগ করা হয়েছে ৩টি প্রতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন ও ১টি আইসোলেশন সেন্টারের জন্য। চিকিৎসা সেবায় যেনো কোন ঘাটতি না থাকে তাঁর জন্য ১৪ জন ডাক্তার ও ১৪ জন নার্সকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। জেলায় এখন পর্যন্ত ব্যাক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী (পিপিই) বিতরণ করা হয়েছে ২হাজার ২শ ৭৩ টি এবং বর্তমানে মজুদ রয়েছে ২হাজার ৬শ ৭১ টি। তিনি আরো জানান, করোনা আক্রান্ত ব্যাক্তির জরুরী চিকিৎসায় স্থানান্তর করার জন্য সর্বদা প্রস্তুত রাখা হয়েছে ০২টি এ্যাম্বুলেন্স এবং চিকিৎসক ও সেবিকাদের জন্য জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে ২টি গাড়ি ও করোনা সন্দেহজনক রোগীর নমুনা সংগ্রহ করার জন্য ২টি মাইক্রোবাসও দিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগকে।