কলাপাড়ায় ৭ লক্ষ টাকায় বাঁচতে পারে সোনিয়ার জীবন।।

প্রকাশিত: ৪:০৩ অপরাহ্ণ, মে ৯, ২০২০

কলাপাড়ায় ৭ লক্ষ টাকায় বাঁচতে পারে সোনিয়ার জীবন।।
মো. ওমর ফারুক, কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:
হাসি-খুশি ও সুন্দর জীবন নিয়ে বাঁচতে চেয়েছিল পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার টিয়াখালী ইউনিয়নের পূর্ব টিয়াখালী গ্রামের মো. কুদ্দুস প্যাদার মেয়ে সোনিয়া আক্তার (২১)। সমাজের আর দশটা মেয়ের মতই অনেক স্বপ্ন ছিল তার মনে। উপজেলার মিঠাগঞ্জ ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের হাফেজ মোঃ হারুনের ছেলে দর্জি ইমরানের সাথে বিবাহ হয় তার। ইরশাদ নামের ২ বছরের একটি ফুটফুটে কন্যা সন্তানের জননি হন সোনিয়া। স্বামী-সন্তান নিয়ে সুখেই কাঁটছিল তার জীবন-সংসার। কিন্তু বিধি বাম হঠাৎ অসুস্থতায় দু’টি কিডনী নষ্ট হয়ে এখন মৃত্যুর প্রহর গুনতে হচ্ছে তাকে। সপ্তাহে দুই বার ডায়ালাইসিসে দশ হতে বার হাজার টাকা খরচ হয় সোনিয়ার পিছনে। জানা যায়, গত কয়েকমাস পূর্বে সোনিয়া আক্তার হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পরে। তখন ঢাকার জাতীয় কিডনী ডিজিজেস ও ইউরোলজী ইনস্টিটিউটে ভর্তী করা হলে তার কিডনী রোগ সনাক্ত হয়। সেখানকার চিকিৎসক কিডনীরোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ কাজী শাহনূর আলমের তত্ত্বাবধানে ভর্তী করা হলে তিনি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সোনিয়া কিডনী রোগটি নিশ্চিত করেন। সোনিয়ার অসহায় পিতা কুদ্দুস প্যাদা ও স্বামী ইমরান তাদের শেষ সম্বল বাড়ির জমি জমা বিক্রি করে সেনিয়ার চিকিৎসার জন্য ব্যয় করেছেন। সোনিয়ার পিতা কুদ্দুস প্যাদা জানান, বর্তমানে সোনিয়ার দুইটি কিডনীই নষ্ট হয়ে গেছে। তার বেচে থাকতে হলে প্রতি সপ্তাহে কমপক্ষে দুই বার ডায়লেসিস করাতে হবে ও কিডনী স্থানান্তর করা খুবই জরুরী হয়ে পরেছে। বর্তমানে সনিয়া খুব খারাপ অবস্থায় রয়েছে। অতিদ্রুত তার কিডনী প্রতিস্থাপন করতে না পারলে তাকে বাঁচানো সম্ভব হবেনা। তার কিডনী স্থানান্তর করতে ৬ থেকে ৭ লক্ষ টাকার দরকার। এত টাকা যোগার করা তার পরিবারের পক্ষে সম্ভব নয়। তাই হতদরিদ্র পিতা কুদ্দুস প্যাদা সোনিয়ার জীবন বাঁচানোর জন্য সমাজের বিত্তবানদের কাছে সাহায্যের অবেদন করেছেন। সাহায্য পাঠানোর জন্য সোনিয়ার পিতা মোঃ কুদ্দুস প্যাদার পাসোর্নাল বিকাশ ০১৭১৩৬৪৫৭২২ অথবা স্বামী মোঃ ইমরান ০১৬৮৬৯১০৪৩০ নাম্বারে যোগাযোগের জন্য অনুরোধ করা হলো।

 


alokito tv

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Pin It on Pinterest