আম্পান মোকাবেলায় কলাপাড়ায় ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।

প্রকাশিত: ৪:০৮ পূর্বাহ্ণ, মে ১৯, ২০২০

আম্পান মোকাবেলায় কলাপাড়ায় ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।

মো. ওমর ফারুক, কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:

বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে লকডাউনের মধ্য দিয়ে সারাদেশ প্রায় বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে। এরমধ্যেই আম্পান নামের ঘূর্ণিঝড় এসে দরজায় করা নারছে। যা এখন সুপার সাইক্লোনে রুপ নিয়েছে। পুরো দেশের সাথে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলাতেও সুপার সাইক্লোন আম্পান মোকাবেলায় ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। সোমবার সারাদিন কলাপাড়া উপজেলা প্রসাশন এবিষয় নিয়ে বিভিন্ন সচেতন মহল, এনজিও সংস্থা ও মিডিয়া কর্মীদের সাথে মিটিং করেছে। মিটিংয়ের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ১৬৩ টি সাইক্লোন সেন্টার প্রস্তুত করা হয়েছে। উপজেলার সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে আশ্রয় কেন্দ্র হিসাবে প্রস্তুত করার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। সমুদ্রে মাছ ধরার সকল ট্রলারগুলোকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে আসা হচ্ছে। প্রতিটি আশ্রয় কেন্দ্র মানসম্মত শুকনো খাবার পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এছাড়াও বেড়িবাঁধের বাহিরে বসবাসকারী মানুষগুলোকে নিরাপদ আশ্রয়ে আনা হচ্ছে। সোমবার সকালে হতে কলাপাড়া পৌর শহরসহ উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে ঘূর্ণিঝড় সম্পর্কিত সচেতনতামূলক মাইকিং চালু করা হয়েছে।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এর আবহাওয়ার বিশেষ বিজ্ঞপ্তি (ক্রমিক নং ২০) সূত্রে জানা যায়, ঘূর্ণিঝড় আম্ফান বাংলাদেশের খুলনা ও চট্রগ্রামের মধ্যবর্তি অঞ্চল দিয়ে আজ মঙ্গল বার (১৯ মে) শেষ রাত থেকে (২০ মে) বুধবার বিকেল অথবা সন্ধার মধ্যে বাংলাদেশ উপকূল অতিক্রম করবে। সুপার সাইক্লোনের কেন্দ্রের ৯০ কি. মি. এর মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘন্টায় ২২৫ কি. মি. যা দমকা বা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ২৪৫ কি. মি. পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। সুপার ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটে সাগর খুবই বিক্ষুব্ধ রয়েছে।
এদিকে সুপার ঘূর্ণিঝড় আম্পানের জন্য পায়রা ও মংলা সমুদ্র বন্দরকে ৭ নম্বর মহা বিপদ সংকেত একই সাথে চট্রগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরকে ৬ নম্বর মহা বিপদ সংকেত দেখানো হয়েছে।

এবিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা দুর্যোগ ও ত্রান কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান জানান, ঘূর্ণিঝড় আম্পান মোকাবেলায় আমাদের সকল ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। সোমবার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তে বিভিন্ন মহলের সাথে করনীয় বিষয়ে আলোচনা ও পরামর্শ করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সিপিপি, রেডক্রিসেন্ট ও ইউনিয়ন পরিষদের ব্যক্তিদের সাথে ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় করনীয় বিষয়ে আলোচনা করা হবে। এছাড়া বেড়িবাঁধ সংলগ্ন মানুষগুলোকে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে আসার জন্য তাদের টিম কাজ করে যাচ্ছে বলেও জানান।


alokito tv

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Pin It on Pinterest