ঢাকা ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৮ মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৫:৫২ অপরাহ্ণ, জুন ৩০, ২০২০
দুমকিত(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি\ গ্রামগঞ্জেই এখন নিরবে ঘুরে বেড়াচ্ছে
করোনা। বর্তমানে অধিকাংশ মানুষের মধ্যে রয়েছে করোনার উপসর্গ। জ্বর, মাথা
ব্যথায় ভুগছেন অনেকেই তবে ভয়ে কেউ টেস্ট করাতে যাচ্ছেন না ভরসা নাপা ও
এন্টিবায়োটিকে। স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে সবার উচিৎ সামাজিক দুরত্ব বজায়
রেখে স্বাস্থ্য সুরক্ষার নির্দেশনা মেনে চলা।
পটুয়াখালীর জেলার মধ্যে সর্বপ্রথম দুমকি উপজেলায় (৯এপ্রিল) করোনা উপসর্গ
নিয়ে মারা যান এক গার্মেন্টস কর্মী। তিনি ছিলেন নারায়ণগঞ্জ ফেরত। মারা
যাওয়ার ২ ঘন্টা পরে রিপোর্টে জানা যায় তিনি করোনায় আক্রান্ত ছিলেন। সেই
থেকেই বাড়তে থাকে করোনা রুগী। এছাড়াও উপজেলার অধিকাংশ মানুষের মধ্যে
দেখা দিয়েছে ঠান্ডা জ্বর ও মাথা ব্যাথা তবে ফার্মেসি থেকে নাপা
এন্টিবায়োটিক খেয়ে সুস্থ হচ্ছেন অনেকেই।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন স্কুল শিক্ষক জানান, দীর্ঘদিন যাবত জ্বরে আক্রান্ত
তিনি সাথে মাথা ব্যাথাসহ শরীরেও ব্যথা রয়েছে। একপর্যায়ে ফার্মিসি থেকে
প্রথমে নাপা ট্যাবলেট খেয়ে শরীরের কোনো উন্নতি না হলে পরবর্তীতে ৬ টি
এন্টিবায়োটিকে সুস্থ হয়েছেন। তিনি সুস্থ হতে না হতো এক এক করে তার
পরিবারের সকল সদস্য জ্বরে আক্রান্ত হন। কেনো টেস্ট করাননি এমন প্রশ্নের জবাবে
বলেন, মরতে হলে এমনিতেই মরবো তবুও টেস্ট করাবো না কারণ করোনা ধরা পরলেই
মানুষ নানান ধরনের কথা বলে এমনকি কোন আত্নীয় স্বজন ও কাছে আসেন না।
তার চেয়ে টেস্ট না করানোই ভাল। একজন শিক্ষার্থী জানান, বিগত এক সপ্তাহ
যাবত জ্বরে ভুগছি ভয়ে ডাক্তারের কাছেও যাইনি, দোকান থেকে নাপা ও
এন্টিবায়োটিক খাচ্ছি। গৃহিণী রহিমা বেগম জানান, প্রথমে তার জ্বর, মাথা
ব্যাথা পরবর্তীতে এক এক করে পরিবারের সবার। তবে শুধু নাপা খেয়েই আমরা সুস্থ
হয়েছি। এভাবে উপজেলার অনেক পরিবারের মধ্যে জ্বরসহ করোনার উপসর্গ রয়েছে
ভয়ে কোথাও প্রকাশ করছেন না।
এ প্রসঙ্গে দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ মীর শহীদুল ইসলাম শাহীন
বলেন, যাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা রয়েছে তারা প্রাথমিক চিকিৎসার
মাধ্যমেই সুস্থ হচ্ছেন তবে সবার উচিৎ করোনা উপসর্গ দেখা দেয়া মাত্রই টেস্ট
করানো না হয় বড় ধরনের বিপদের আশংকা রয়েছে।


© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০ Developed By Agragami HOST