ঢাকা ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৮ মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সৈয়দ আতিকুল ইসলাম, বিশেষ প্রতিনিধিঃপটুয়াখালী, দুমকি উপজেলায় আংগারিয়া ইউনিয়নে, জলিশা গ্রামের বাসিন্দা। সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, লাল কলার চারা রোপণ করেন, দীর্ঘ এক বছর পর সফলতা আসে, লাল কলা আশরাফুলের ভাতিজা সৈয়দ তরিকুল ইসলাম ও ভাতিজি সৈয়দা তাসফিয়া, সৈয়দা আসিফা লাল কলা পেয়ে খুবই আনন্দিত।
লাল কলার পরিচিতি
কলা বললে আমরা সাধারণত হলুদ কলাই বুঝে থাকি। কিন্তু কখনও লাল কলা কেনার কথা ভাবি না। চাহিদা বেশি থাকলেও স্থানীয় বাজারে অপ্রতুল হয়ায় এই কলার দেখাও খুব একটা মেলে না। পুষ্টিবিজ্ঞানীদের মতে, শরীরে রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা বাড়ানো, এনার্জি লেভেল বাড়ানো, হজম শক্তি বাড়ানো থেকে শুরু করে দৃষ্টিশক্তি ভাল করার মতো কাজে ভালো ফল দেয় লাল কলা।
রঙের কারণে অগ্নিসাগর রেড ব্যানানা বা লাল কলা নামেও পরিচিত। এর খোসার রং হলুদাভ কমলা, গাঢ় কমলা, লাল ও লালচে বেগুনি হয়ে থাকে। ভেতরটা প্রচলিত জাতের কলার মতোই হালকা ঘিয়ে রঙের। তবে কখনো কখনো গোলাপি আভাও থাকে। এই কলা গাছের পাতাতেও থাকে লালচে রঙের আভা।
লাল রঙের কলার স্বাদ একটু অন্যরকম। এর মধ্যে কিছুটা আমের মত স্বাদ পাওয়া যায়। অনেকের মতে, এই ধরণের কলা খেতে সাধারণ কলা এবং লাল রাস্পবেরির কোনো মিশ্রণ মনে হয়। তবে ঘ্রাণ অনেকটা স্ট্রবেরির মত।


© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০ Developed By Agragami HOST