
নিজস্ব প্রতিবেদক
ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের ঘটনায় জিয়াউর রহমান নেতৃত্ব না দিলে বাংলাদেশ তার বর্তমান অস্তিত্ব নিয়ে টিকে থাকতে পারত না বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন।
তিনি বলেন, ৭ নভেম্বর জিয়াউর রহমানকে কেন্দ্র করেই জাতীয় ঐক্য গড়ে উঠেছিল। তাঁর সততা, সাহসিকতা, নেতৃত্বগুণ ও জাতীয়তাবোধ তাঁকে সাধারণ সৈনিক ও মানুষের কাছে জনপ্রিয় করে তুলেছিল।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ‘জাতীয় ঐক্য: ৭ নভেম্বরের চেতনা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন এম সাখাওয়াত হোসেন। ভিশন পিস অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজি স্টাডিজ সেন্টার (ভিপিএসএসসি) এ সেমিনারের আয়োজন করে।
৭ নভেম্বরের ঘটনাপ্রবাহ বর্ণনা করতে গিয়ে সাবেক এই সেনা কর্মকর্তা বলেন, তৎকালীন সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমানকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করেছিলেন টু ফিল্ড আর্টিলারির সৈনিকরা। তাঁদের সঙ্গে ফোর বেঙ্গলের সৈনিকরাও ছিলেন। মুক্ত করার পর জিয়াউর রহমানকে টু ফিল্ড আর্টিলারির কমান্ডিং অফিসারের কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।
এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ৭ নভেম্বরের ঘটনাকে ঘিরে বিভিন্ন ধরনের বর্ণনা ও বিতর্ক রয়েছে। ইতিহাসের প্রকৃত তথ্য জানতে হলে সংশ্লিষ্টদের বইপত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্যের ভিত্তিতে গবেষণা করা প্রয়োজন।
কর্নেল আবু তাহেরের ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করার ক্ষেত্রে কর্নেল তাহেরের ভূমিকা নিয়ে প্রচলিত বক্তব্য সঠিক নয়। তাঁর দাবি, সৈনিকদের উদ্যোগেই জিয়াউর রহমান মুক্ত হন।
জাতীয় ঐক্যের প্রসঙ্গে এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, জিয়াউর রহমান সেনাবাহিনীতে মুক্তিযোদ্ধা ও অমুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে বিভাজন দূর করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক পক্ষকে আলোচনায় যুক্ত করার চেষ্টা করেছিলেন তিনি।
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল লতিফ মাসুম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব ও সঞ্চালনা করেন ভিপিএসএসসির চেয়ারম্যান লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আব্দুল্লাহিল আমান আযমী। এছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামরিক ও সামাজিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।




















