ঢাকা ০২:৪০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকায় আইএসজিএফের ৭৩তম ফেলোশিপ ডে উদযাপন দৃঢ় মনোবল নিয়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছে পুলিশ সিলেটে হামের মৃত্যু ছাড়িয়েছে ২০০ মাধবপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বসতঘর ভস্মিভূত, প্রায় ৩০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি সলঙ্গায় মিছিলের প্রস্তুতিকালে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার শেয়ার কেলেঙ্কারি ও আদালত অবমাননার দায়ে মঞ্জুরুর রহমানের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের রুল, ডেল্টা লাইফেও ৩,৬৮৭ কোটি টাকার জালিয়াতির অভিযোগ ডেঙ্গু প্রতিরোধে সিরাজগঞ্জে মাঠে ডিসি, একযোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান জলবায়ু অর্থায়নে ন্যায়বিচার ও ঋণমুক্ত সহায়তা চায় বাংলাদেশ মৈত্রী এক্সপ্রেস পদ্মা সেতু হয়ে বেনাপোল রুটে চালানোর প্রস্তাব সময় কমতে পারে ৩ ঘণ্টা, ভাড়া কমানো সম্ভাবনা রয়েছে শেখ হাসিনার ফিরে আসা নিয়ে মাইকিং, গ্রেপ্তার ২

ঢাকায় আইএসজিএফের ৭৩তম ফেলোশিপ ডে উদযাপন

  • আপডেটের সময় : ১০:৫৭:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
  • ৩২ সময় দৃশ্য
৬০

নিজস্ব প্রতিবেদক:

পাঁচ বিশিষ্ট ব্যক্তিকে আজীবন সম্মাননা, প্রয়াত নুরুল ইসলাম শামসকে মরণোত্তর সম্মাননা প্রদান

ঢাকা, ২৪ অক্টোবর ২০২৬: আন্তর্জাতিক স্কাউট অ্যান্ড গাইড ফেলোশিপের (আইএসজিএফ) ৭৩তম ফেলোশিপ ডে-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষ্যে আজ শনিবার বিকেলে রাজধানীর কাকরাইলে বাংলাদেশ স্কাউটসের জাতীয় সদর দপ্তরের শামস হলে এক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ স্কাউট অ্যান্ড গাইড ফেলোশিপ (বিএসজিএফ)। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিএসজিএফের যুগ্ম সম্পাদক এম. এ. ওয়াহেদ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএসজিএফের প্রধান উপদেষ্টা, বাংলাদেশ স্কাউটসের প্রাক্তন আন্তর্জাতিক কমিশনার, এশিয়া-প্যাসিফিক স্কাউট অঞ্চলের প্রাক্তন চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার জনাব মোহাম্মদ আবু হেনা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শরীয়তপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য জনাব শফিকুর রহমান কিরন এবং বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জনাব আতাউর রহমান ঢালী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএসজিএফের সভাপতি ও সাবেক সচিব ড. মিহির কান্তি মজুমদার।

পাঁচ বিশিষ্ট ব্যক্তিকে আজীবন সম্মাননা

স্কাউট ও গাইড আন্দোলনে অবদান এবং ফেলোশিপের কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ অনুষ্ঠানে পাঁচজন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে আজীবন সম্মাননা প্রদান করা হয়। সম্মাননাপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন বিএসজিএফের সহ-সভাপতি মারেফা বেগম, সাধারণ সম্পাদক মুকুল আনোয়ার, উপদেষ্টা লাভলী ইয়াসমিন, উপদেষ্টা ড. মোমেনা খাতুন এবং সভাপতি ড. মিহির কান্তি মজুমদার।

এ ছাড়া বাংলাদেশ স্কাউটসের সাবেক প্রধান জাতীয় কমিশনার প্রয়াত নুরুল ইসলাম শামসকে স্কাউট আন্দোলনে তাঁর অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ মরণোত্তর সম্মাননা প্রদান করা হয়।

নিঃস্বার্থ মানবসেবা ও সামাজিক পরিবর্তনে স্কাউটিংয়ের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ

প্রধান অতিথি জনাব মোহাম্মদ আবু হেনা বলেন, বিশ্ব স্কাউট আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা লর্ড ব্যাডেন-পাওয়েলের মূল দর্শন ছিল নিঃস্বার্থ মানবসেবা। স্কাউটিংয়ের এই আদর্শ ধারণ করে সংগঠনের কার্যক্রমকে কেবল আনুষ্ঠানিকতা বা বাহ্যিক প্রচারের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে আন্তরিকতা ও প্রকৃত সেবার মানসিকতা নিয়ে কাজ করতে হবে। সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন নিশ্চিত করার মাধ্যমে সংগঠনের গৌরব অক্ষুণ্ণ রাখার আহ্বান জানান তিনি।

বিশেষ অতিথি সংসদ সদস্য জনাব শফিকুর রহমান কিরন বলেন, স্কাউটিংয়ের সেবাব্রত ও আদর্শের প্রতি আকর্ষণ থেকেই তিনি আবারও এ সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। সংগঠনের স্থায়ী কার্যালয় প্রতিষ্ঠা এবং প্রতিবছর পিছিয়ে পড়া সদস্যদের বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি। একটি মানবিক সমাজ গঠনে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বানও জানান।

বিশেষ অতিথি জনাব আতাউর রহমান ঢালী বলেন, স্কাউটিংয়ের সততা, শৃঙ্খলা ও সেবার শিক্ষা তাঁর দীর্ঘ জীবনে এবং ব্যক্তিত্ব গঠনে গভীর প্রভাব ফেলেছে। এই শিক্ষা তাঁকে মানসিকভাবে চিরতরুণ রেখেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। নতুন প্রজন্মকে স্কাউটিংয়ের জীবনদর্শন ধারণ করে দেশ ও মানুষের কল্যাণে দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানান। এ আদর্শ ছড়িয়ে দিয়ে একটি মানবিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানের সভাপতি ড. মিহির কান্তি মজুমদার বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও সামাজিক সংকটের এই সময়ে দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে স্কাউটিংয়ের শিক্ষা ও বাস্তবমুখী সেবাকে কাজে লাগানো অত্যন্ত জরুরি। একটি টেকসই ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে তৃণমূল পর্যায়ে প্রকৃত সেবার মানসিকতা নিয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

বিএসজিএফের সাধারণ সম্পাদক জনাব মুকুল আনোয়ার বলেন, চলতি বছরের মধ্যে দেশের ৩০টি জেলায় সংগঠনের কার্যক্রম সম্প্রসারণের লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে। এ কার্যক্রমকে টেকসই করতে একটি নিজস্ব দাপ্তরিক স্থান ও স্থায়ী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠায় সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। একই সঙ্গে অনুষ্ঠানের সফল আয়োজন ও সম্মাননাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের অভিনন্দন জানিয়ে সংগঠনের সদস্যদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

ফেলোশিপের কার্যক্রম ও প্রকাশনা

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ স্কাউট অ্যান্ড গাইড ফেলোশিপের কার্যক্রম ও অর্জন তুলে ধরা হয়। এ সময় সংগঠনের প্রকাশনা Fellowship Express বুলেটিনের সপ্তম সংখ্যা প্রকাশ করা হয়।

অনুষ্ঠানে বিএসজিএফের সদস্য, উপদেষ্টা, স্কাউট ও গাইড আন্দোলনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে স্কাউট ও গাইড আন্দোলনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ব ও সহযোগিতার বন্ধন আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

 

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

ঢাকায় আইএসজিএফের ৭৩তম ফেলোশিপ ডে উদযাপন

ঢাকায় আইএসজিএফের ৭৩তম ফেলোশিপ ডে উদযাপন

আপডেটের সময় : ১০:৫৭:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
৬০

নিজস্ব প্রতিবেদক:

পাঁচ বিশিষ্ট ব্যক্তিকে আজীবন সম্মাননা, প্রয়াত নুরুল ইসলাম শামসকে মরণোত্তর সম্মাননা প্রদান

ঢাকা, ২৪ অক্টোবর ২০২৬: আন্তর্জাতিক স্কাউট অ্যান্ড গাইড ফেলোশিপের (আইএসজিএফ) ৭৩তম ফেলোশিপ ডে-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষ্যে আজ শনিবার বিকেলে রাজধানীর কাকরাইলে বাংলাদেশ স্কাউটসের জাতীয় সদর দপ্তরের শামস হলে এক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ স্কাউট অ্যান্ড গাইড ফেলোশিপ (বিএসজিএফ)। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিএসজিএফের যুগ্ম সম্পাদক এম. এ. ওয়াহেদ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএসজিএফের প্রধান উপদেষ্টা, বাংলাদেশ স্কাউটসের প্রাক্তন আন্তর্জাতিক কমিশনার, এশিয়া-প্যাসিফিক স্কাউট অঞ্চলের প্রাক্তন চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার জনাব মোহাম্মদ আবু হেনা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শরীয়তপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য জনাব শফিকুর রহমান কিরন এবং বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জনাব আতাউর রহমান ঢালী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএসজিএফের সভাপতি ও সাবেক সচিব ড. মিহির কান্তি মজুমদার।

পাঁচ বিশিষ্ট ব্যক্তিকে আজীবন সম্মাননা

স্কাউট ও গাইড আন্দোলনে অবদান এবং ফেলোশিপের কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ অনুষ্ঠানে পাঁচজন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে আজীবন সম্মাননা প্রদান করা হয়। সম্মাননাপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন বিএসজিএফের সহ-সভাপতি মারেফা বেগম, সাধারণ সম্পাদক মুকুল আনোয়ার, উপদেষ্টা লাভলী ইয়াসমিন, উপদেষ্টা ড. মোমেনা খাতুন এবং সভাপতি ড. মিহির কান্তি মজুমদার।

এ ছাড়া বাংলাদেশ স্কাউটসের সাবেক প্রধান জাতীয় কমিশনার প্রয়াত নুরুল ইসলাম শামসকে স্কাউট আন্দোলনে তাঁর অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ মরণোত্তর সম্মাননা প্রদান করা হয়।

নিঃস্বার্থ মানবসেবা ও সামাজিক পরিবর্তনে স্কাউটিংয়ের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ

প্রধান অতিথি জনাব মোহাম্মদ আবু হেনা বলেন, বিশ্ব স্কাউট আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা লর্ড ব্যাডেন-পাওয়েলের মূল দর্শন ছিল নিঃস্বার্থ মানবসেবা। স্কাউটিংয়ের এই আদর্শ ধারণ করে সংগঠনের কার্যক্রমকে কেবল আনুষ্ঠানিকতা বা বাহ্যিক প্রচারের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে আন্তরিকতা ও প্রকৃত সেবার মানসিকতা নিয়ে কাজ করতে হবে। সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন নিশ্চিত করার মাধ্যমে সংগঠনের গৌরব অক্ষুণ্ণ রাখার আহ্বান জানান তিনি।

বিশেষ অতিথি সংসদ সদস্য জনাব শফিকুর রহমান কিরন বলেন, স্কাউটিংয়ের সেবাব্রত ও আদর্শের প্রতি আকর্ষণ থেকেই তিনি আবারও এ সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। সংগঠনের স্থায়ী কার্যালয় প্রতিষ্ঠা এবং প্রতিবছর পিছিয়ে পড়া সদস্যদের বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি। একটি মানবিক সমাজ গঠনে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বানও জানান।

বিশেষ অতিথি জনাব আতাউর রহমান ঢালী বলেন, স্কাউটিংয়ের সততা, শৃঙ্খলা ও সেবার শিক্ষা তাঁর দীর্ঘ জীবনে এবং ব্যক্তিত্ব গঠনে গভীর প্রভাব ফেলেছে। এই শিক্ষা তাঁকে মানসিকভাবে চিরতরুণ রেখেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। নতুন প্রজন্মকে স্কাউটিংয়ের জীবনদর্শন ধারণ করে দেশ ও মানুষের কল্যাণে দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানান। এ আদর্শ ছড়িয়ে দিয়ে একটি মানবিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানের সভাপতি ড. মিহির কান্তি মজুমদার বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও সামাজিক সংকটের এই সময়ে দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে স্কাউটিংয়ের শিক্ষা ও বাস্তবমুখী সেবাকে কাজে লাগানো অত্যন্ত জরুরি। একটি টেকসই ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে তৃণমূল পর্যায়ে প্রকৃত সেবার মানসিকতা নিয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

বিএসজিএফের সাধারণ সম্পাদক জনাব মুকুল আনোয়ার বলেন, চলতি বছরের মধ্যে দেশের ৩০টি জেলায় সংগঠনের কার্যক্রম সম্প্রসারণের লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে। এ কার্যক্রমকে টেকসই করতে একটি নিজস্ব দাপ্তরিক স্থান ও স্থায়ী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠায় সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। একই সঙ্গে অনুষ্ঠানের সফল আয়োজন ও সম্মাননাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের অভিনন্দন জানিয়ে সংগঠনের সদস্যদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

ফেলোশিপের কার্যক্রম ও প্রকাশনা

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ স্কাউট অ্যান্ড গাইড ফেলোশিপের কার্যক্রম ও অর্জন তুলে ধরা হয়। এ সময় সংগঠনের প্রকাশনা Fellowship Express বুলেটিনের সপ্তম সংখ্যা প্রকাশ করা হয়।

অনুষ্ঠানে বিএসজিএফের সদস্য, উপদেষ্টা, স্কাউট ও গাইড আন্দোলনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে স্কাউট ও গাইড আন্দোলনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ব ও সহযোগিতার বন্ধন আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।