ঢাকা ০৫:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
test ফেনীতে কৃষকদল নেতা আমিনুল হক বহিষ্কার মালদ্বীপে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন নতুন জাতীয় বেতনকাঠামোর আওতায় এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা নবম জাতীয় পে-স্কেল মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফের পেছাল সালমান শাহ হত্যা মামলার প্রতিবেদন আল আইন আবুধাবীতে সোফা কারখানায় ভয়াবহ আগুন, পুড়ে ছাই দুই কারখানা ঝালকাঠিতে জমি নিয়ে বিরোধ, অবৈধ দখলের অভিযোগ ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন মেঘনায় ধরা পড়েছে ২.৭ কেজির ওজনের একটি ইলিশ,  সৌমাহানী ঘাটে বিক্রি ১০ হাজার ৮০০ টাকায় বরিশালে এমপি মজিবর রহমান সরোয়ারকে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম এর ফুলেল শুভেচ্ছা

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে হাঁস-মুরগির খোঁয়াড়ে চোরাই মোবাইলের ‘গুদাম’, গ্রেপ্তার ১

  • আপডেটের সময় : ০৯:১৪:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬
  • ৯৪ সময় দৃশ্য
১৬৮

সাইফুর রহমান শামীম, কুড়িগ্রাম।। 

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে একটি বাড়ির হাঁস-মুরগির খোঁয়াড়ে লুকিয়ে রাখা ৫৫টি ভারতীয় চোরাই মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে । পুলিশ ও বিজিবির যৌথ অভিযানে এসব মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় মো. এনামুল হক অন্তর (২৬) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২১ আগস্ট) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভুরুঙ্গামারী থানা পুলিশ। এর আগে বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাত নয়টা থেকে ১১টা পর্যন্ত উপজেলার তিলাই ইউনিয়নের আসাদমোড় এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।

পুলিশ জানায়, গোপন ও সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে আসাদমোড় এলাকায় মোবাইল ফোনের চোরাকারবারিদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে এনামুল হক অন্তরের বাড়ির হাঁস-মুরগির খোঁয়াড়ে তল্লাশি চালিয়ে ৫৫টি ব্যবহৃত ভারতীয় মোবাইল ফোন পাওয়া যায়। জব্দ করা ফোনগুলোর মধ্যে আইফোন, মটোরোলা, অপ্পো, রেডমি, রিয়েলমি ও ভিভোর বিভিন্ন মডেল রয়েছে। উদ্ধার করা মোবাইল ফোনগুলোর আনুমানিক অবৈধ সিজার মূল্য ১৩ লাখ টাকা। অভিযানে ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন, ভূরুঙ্গামারী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম, আল-আমিন ও আসাদুজ্জামানের সমন্বয়ে পুলিশের একটি দল অংশ নেয়।

বিজিবির ধলডাঙ্গা ক্যাম্পের কমান্ডার সুবেদার মো. মতিউর রহমানের নেতৃত্বে বিজিবির একটি দল অভিযানে সহযোগিতা করে। পুলিশ বলছে, তিলাই ইউনিয়নের আসাদমোড় এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় চোরাই মোবাইল ফোন কেনাবেচা হয়ে আসছিল। দেশের বিভিন্ন এলাকা, বিশেষ করে রংপুর ও ঢাকা থেকে মোবাইল ব্যবসায়ীরা সেখানে এসে এসব ফোন কিনে নিয়ে যেতেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে।

পুলিশ বলছে, সীমান্তের ওপারে চুরি বা ছিনতাই হওয়া মোবাইল ফোন একটি চোরাচালান চক্রের মাধ্যমে বাংলাদেশে এনে বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছিল। এসব ফোনের অনেকগুলোর বৈধ কাগজপত্র ও নিবন্ধন না থাকায় সেগুলো অবৈধভাবে কেনাবেচা করা হতো। ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন বলেন, ‘আসাদমোড় এলাকাটি দীর্ঘদিন ধরে মোবাইল চোরাকারবারিদের আখড়ায় পরিণত হয়েছিল। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বিজিবির সহযোগিতায় পরিকল্পিতভাবে অভিযান চালিয়ে এসব মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় গ্রেপ্তার এনামুল হক অন্তরের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। উদ্ধার করা মোবাইল ফোনগুলোও আইনগত প্রক্রিয়া শেষে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

Tag :

test

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে হাঁস-মুরগির খোঁয়াড়ে চোরাই মোবাইলের ‘গুদাম’, গ্রেপ্তার ১

আপডেটের সময় : ০৯:১৪:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬
১৬৮

সাইফুর রহমান শামীম, কুড়িগ্রাম।। 

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে একটি বাড়ির হাঁস-মুরগির খোঁয়াড়ে লুকিয়ে রাখা ৫৫টি ভারতীয় চোরাই মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে । পুলিশ ও বিজিবির যৌথ অভিযানে এসব মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় মো. এনামুল হক অন্তর (২৬) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২১ আগস্ট) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভুরুঙ্গামারী থানা পুলিশ। এর আগে বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাত নয়টা থেকে ১১টা পর্যন্ত উপজেলার তিলাই ইউনিয়নের আসাদমোড় এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।

পুলিশ জানায়, গোপন ও সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে আসাদমোড় এলাকায় মোবাইল ফোনের চোরাকারবারিদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে এনামুল হক অন্তরের বাড়ির হাঁস-মুরগির খোঁয়াড়ে তল্লাশি চালিয়ে ৫৫টি ব্যবহৃত ভারতীয় মোবাইল ফোন পাওয়া যায়। জব্দ করা ফোনগুলোর মধ্যে আইফোন, মটোরোলা, অপ্পো, রেডমি, রিয়েলমি ও ভিভোর বিভিন্ন মডেল রয়েছে। উদ্ধার করা মোবাইল ফোনগুলোর আনুমানিক অবৈধ সিজার মূল্য ১৩ লাখ টাকা। অভিযানে ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন, ভূরুঙ্গামারী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম, আল-আমিন ও আসাদুজ্জামানের সমন্বয়ে পুলিশের একটি দল অংশ নেয়।

বিজিবির ধলডাঙ্গা ক্যাম্পের কমান্ডার সুবেদার মো. মতিউর রহমানের নেতৃত্বে বিজিবির একটি দল অভিযানে সহযোগিতা করে। পুলিশ বলছে, তিলাই ইউনিয়নের আসাদমোড় এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় চোরাই মোবাইল ফোন কেনাবেচা হয়ে আসছিল। দেশের বিভিন্ন এলাকা, বিশেষ করে রংপুর ও ঢাকা থেকে মোবাইল ব্যবসায়ীরা সেখানে এসে এসব ফোন কিনে নিয়ে যেতেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে।

পুলিশ বলছে, সীমান্তের ওপারে চুরি বা ছিনতাই হওয়া মোবাইল ফোন একটি চোরাচালান চক্রের মাধ্যমে বাংলাদেশে এনে বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছিল। এসব ফোনের অনেকগুলোর বৈধ কাগজপত্র ও নিবন্ধন না থাকায় সেগুলো অবৈধভাবে কেনাবেচা করা হতো। ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন বলেন, ‘আসাদমোড় এলাকাটি দীর্ঘদিন ধরে মোবাইল চোরাকারবারিদের আখড়ায় পরিণত হয়েছিল। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বিজিবির সহযোগিতায় পরিকল্পিতভাবে অভিযান চালিয়ে এসব মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় গ্রেপ্তার এনামুল হক অন্তরের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। উদ্ধার করা মোবাইল ফোনগুলোও আইনগত প্রক্রিয়া শেষে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে।