ঢাকা ০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ফিউশনের বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের প্রথমবারের মতো IYNC 2026-এর ফাইনালে Team BYNC ছয় বছরেও সন্ধান মেলেনি সাইফুল ইসলামের গুমের শিকার ব্যবসায়ীকে উদ্ধারের দাবিতে গৌরীপুরে প্রতিবাদ সমাবেশ জমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো সম্মিলিত সাংবাদিক পরিষদ (এসএসপি)-এর অষ্টম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ছোট পর্দায় জমেছে তৌসিফ-সাদনিমার রসায়ন এশিয়া কাপের পর এশিয়ান গেমসেও সেমিতে ভারত-বাংলাদেশ গুচ্ছভুক্ত ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা সন্ধ্যায় স্থায়ী কমিটির বৈঠক ডেকেছে বিএনপি হাজারো উসকানির মুখে চরম ধৈর্য দেখাতে হবে: গোলাম পরওয়ার প্রাইম ব্যাংকে চাকরি, বেতন মাসে ১ লাখ ১০ হাজার অপহরণ মামলার পর সাংবাদিক ও তার ভাইকে হত্যার হুমকির অভিযোগ। প্রতিবাদে সাংবাদিক ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে বাড়ছে সামরিক ব্যয়, চাপে ট্রাম্প

  • আপডেটের সময় : ১১:০১:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
  • ১৩৮ সময় দৃশ্য
২৮৭

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন বাড়তি আর্থিক চাপের মুখে পড়েছে। জ্বালানি ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় সামরিক কার্যক্রম পরিচালনায় অতিরিক্ত বিপুল অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে এবিসি নিউজ। খবর টিআরটি ওয়ার্ল্ড-এর।

প্রতিরক্ষা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত অক্টোবরে সামরিক বাহিনী প্রতি ব্যারেল জ্বালানির জন্য গড়ে ১৫৪ দশমিক ১৪ ডলার ব্যয় করলেও এপ্রিলে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯৫ দশমিক ৭২ ডলারে। মাত্র ছয় মাসের ব্যবধানে জ্বালানির গড় মূল্য প্রায় ২৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এ হিসাবের মধ্যে পেট্রোল, জেট ফুয়েলসহ প্রায় ২৪ ধরনের জ্বালানি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান যুদ্ধের সময় জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির কারণে চলতি বছরে সামরিক বিমান, ট্যাংক ও অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম পরিচালনায় পেন্টাগনের অতিরিক্ত ১ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি ব্যয় হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ বছরে প্রায় ৮ কোটি ব্যারেল জ্বালানি ব্যবহার করে।

শুধু সামরিক জ্বালানিই নয়, বেসামরিক জ্বালানি ও বাণিজ্যিক বিমান ভাড়াও বেড়েছে। প্রশিক্ষণ ও অন্যান্য কার্যক্রমে সেনাসদস্যরা প্রায়ই বাণিজ্যিক ফ্লাইট, ভাড়ার গাড়ি এবং ব্যক্তিগত যানবাহন ব্যবহার করেন। ফলে এসব খাতে ব্যয় বৃদ্ধিও বাজেটের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে।

ব্যয় নিয়ন্ত্রণে ভ্রমণ খাতে কঠোর নজরদারি শুরু হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, অন্তত এপ্রিল মাস থেকে কিছু সামরিক ইউনিট প্রশিক্ষণ ও অন্যান্য কর্মসূচির জন্য নির্ধারিত ভ্রমণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়েছে কিংবা বাতিল করেছে।

মার্কিন সেনাবাহিনীর মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল অরল্যান্ডো হাওয়ার্ড বলেন, বর্তমান জ্বালানি বাজারের পরিস্থিতির কারণে পরিবহন ব্যয় বেড়েছে, যা জনবল, সরঞ্জাম ও রসদ পরিবহনের খরচকে প্রভাবিত করছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী চলতি অর্থবছরের বাকি সময়ের জন্য ৪ থেকে ৬ বিলিয়ন ডলারের বাজেট ঘাটতির মুখে পড়েছে বলেও প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। অর্থবছর শেষ হবে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

ফিউশনের বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের প্রথমবারের মতো IYNC 2026-এর ফাইনালে Team BYNC

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে বাড়ছে সামরিক ব্যয়, চাপে ট্রাম্প

আপডেটের সময় : ১১:০১:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
২৮৭

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন বাড়তি আর্থিক চাপের মুখে পড়েছে। জ্বালানি ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় সামরিক কার্যক্রম পরিচালনায় অতিরিক্ত বিপুল অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে এবিসি নিউজ। খবর টিআরটি ওয়ার্ল্ড-এর।

প্রতিরক্ষা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত অক্টোবরে সামরিক বাহিনী প্রতি ব্যারেল জ্বালানির জন্য গড়ে ১৫৪ দশমিক ১৪ ডলার ব্যয় করলেও এপ্রিলে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯৫ দশমিক ৭২ ডলারে। মাত্র ছয় মাসের ব্যবধানে জ্বালানির গড় মূল্য প্রায় ২৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এ হিসাবের মধ্যে পেট্রোল, জেট ফুয়েলসহ প্রায় ২৪ ধরনের জ্বালানি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান যুদ্ধের সময় জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির কারণে চলতি বছরে সামরিক বিমান, ট্যাংক ও অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম পরিচালনায় পেন্টাগনের অতিরিক্ত ১ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি ব্যয় হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ বছরে প্রায় ৮ কোটি ব্যারেল জ্বালানি ব্যবহার করে।

শুধু সামরিক জ্বালানিই নয়, বেসামরিক জ্বালানি ও বাণিজ্যিক বিমান ভাড়াও বেড়েছে। প্রশিক্ষণ ও অন্যান্য কার্যক্রমে সেনাসদস্যরা প্রায়ই বাণিজ্যিক ফ্লাইট, ভাড়ার গাড়ি এবং ব্যক্তিগত যানবাহন ব্যবহার করেন। ফলে এসব খাতে ব্যয় বৃদ্ধিও বাজেটের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে।

ব্যয় নিয়ন্ত্রণে ভ্রমণ খাতে কঠোর নজরদারি শুরু হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, অন্তত এপ্রিল মাস থেকে কিছু সামরিক ইউনিট প্রশিক্ষণ ও অন্যান্য কর্মসূচির জন্য নির্ধারিত ভ্রমণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়েছে কিংবা বাতিল করেছে।

মার্কিন সেনাবাহিনীর মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল অরল্যান্ডো হাওয়ার্ড বলেন, বর্তমান জ্বালানি বাজারের পরিস্থিতির কারণে পরিবহন ব্যয় বেড়েছে, যা জনবল, সরঞ্জাম ও রসদ পরিবহনের খরচকে প্রভাবিত করছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী চলতি অর্থবছরের বাকি সময়ের জন্য ৪ থেকে ৬ বিলিয়ন ডলারের বাজেট ঘাটতির মুখে পড়েছে বলেও প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। অর্থবছর শেষ হবে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর।