ঢাকা ০৯:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
লালপুরে অবৈধভাবে সার স্থানান্তরের অভিযোগ: বিসিআইসি ডিলারকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিশ্চিতে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে: আসলাম চৌধুরী বৃহত্তর টেকপাড়ায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান, গ্রেপ্তার ৫২ ‎বরিশালে শেবাচিমে পূবালী ব্যাংকের সেলফ সার্ভিস সেন্টার উদ্ভোধন  ও সৌন্দর্যবর্ধন নতুন পরিচয়ে, নতুন উদ্যমে দৈনিক আজকের জনবাণীতে মোঃ আরিফুল ইসলাম সুমন, থানারহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষা মানোন্নয়ন মতবিনিময় ও কার্যকরী কমিটির সভা মাধবপুরে ১১৯ পূজামণ্ডপে সায়হাম গ্রুপের আর্থিক অনুদান রাসিকের ১৭ লাখ টাকা অনুদান: রাজশাহীর ৮৫ পূজামণ্ডপে পাচ্ছে বিনামূল্যে ওয়াইফাই মধুপুরে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত সাতলায় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এডভোকেট ফজলুল হক বিশ্বাসের নির্বাচনী গণসংযোগ

ধামইরহাটে কৃষক হত্যা মামলায় ৭ আসামি গ্রেপ্তার।

  • আপডেটের সময় : ০৯:৩৯:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬
  • ৭২ সময় দৃশ্য
১৪২

গোলজার রহমান ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলায় ছাগলে জমির করলা গাছ উপড়ে ফেলাকে কেন্দ্র করে কৃষক আবুল কাশেম (৪২) হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সাত আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। গত শুক্রবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার জাহানপুর ইউনিয়নের বড় শিবপুর মাস্টারপাড়া গ্রামে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে আবু সাইদ বাদি হয়ে রাতে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অল্প সময়ের মধ্যে বিভিন্ন এলাকা থেকে সাতজনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।

 

গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলো- রাকিবুল ইসলাম রনি (২৮), আব্দুল হাকিম (৬০), কফিল উদ্দিন (৬৫), আকলিমা বেগম (৩৫), হামিদা বেগম (৩৮), ফরিদা বেগম (৫০) ও জিয়াসমিন বেগম (২১)। তারা উভয় বড় শিবপুর মাস্টারপাড়া গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনায় নিহত আবুল কাশেমের একটি ছাগল প্রতিবেশী আব্দুল হাকিমের ছেলে রাকিবুল ইসলাম রনির ক্ষেতের কয়েকটি করলা গাছ খেয়ে ও উপড়ে ফেলাকে কেন্দ্র করে প্রথমে বিরোধ সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে কথা-কাটাকাটির মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে ধারালো চাকু দিয়ে কৃষক আবুল কাশেমকে আঘাত করেন রনি।

 

ঘটনাস্থলে আবুল কাশেম মারা যায়। এ ঘটনায় নিহত আবুল কাশেমের স্ত্রী রেখা খাতুন এগিয়ে আসলে তাকেও পেটে ছুরিকাঘাত করা হয়। সে আশঙ্কাজনক অবস্থায় বগুড়া শহিদ জিয়া মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পাশাপাশি নিহতের তিন ভাই এমরান হোসেন, মিরাজ উদ্দিন ও মুক্তার আলী জয়পুরহাট জেলা আধুনিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। রাতে নিহতের ছেলে আবু সাঈদ বাদি হয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পরপরই আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে পুলিশ।

 

আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা। ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিন্টু রহমান মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, কৃষক হত্যার ঘটনায় সাত আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

লালপুরে অবৈধভাবে সার স্থানান্তরের অভিযোগ: বিসিআইসি ডিলারকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা

ধামইরহাটে কৃষক হত্যা মামলায় ৭ আসামি গ্রেপ্তার।

আপডেটের সময় : ০৯:৩৯:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬
১৪২

গোলজার রহমান ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলায় ছাগলে জমির করলা গাছ উপড়ে ফেলাকে কেন্দ্র করে কৃষক আবুল কাশেম (৪২) হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সাত আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। গত শুক্রবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার জাহানপুর ইউনিয়নের বড় শিবপুর মাস্টারপাড়া গ্রামে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে আবু সাইদ বাদি হয়ে রাতে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অল্প সময়ের মধ্যে বিভিন্ন এলাকা থেকে সাতজনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।

 

গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলো- রাকিবুল ইসলাম রনি (২৮), আব্দুল হাকিম (৬০), কফিল উদ্দিন (৬৫), আকলিমা বেগম (৩৫), হামিদা বেগম (৩৮), ফরিদা বেগম (৫০) ও জিয়াসমিন বেগম (২১)। তারা উভয় বড় শিবপুর মাস্টারপাড়া গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনায় নিহত আবুল কাশেমের একটি ছাগল প্রতিবেশী আব্দুল হাকিমের ছেলে রাকিবুল ইসলাম রনির ক্ষেতের কয়েকটি করলা গাছ খেয়ে ও উপড়ে ফেলাকে কেন্দ্র করে প্রথমে বিরোধ সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে কথা-কাটাকাটির মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে ধারালো চাকু দিয়ে কৃষক আবুল কাশেমকে আঘাত করেন রনি।

 

ঘটনাস্থলে আবুল কাশেম মারা যায়। এ ঘটনায় নিহত আবুল কাশেমের স্ত্রী রেখা খাতুন এগিয়ে আসলে তাকেও পেটে ছুরিকাঘাত করা হয়। সে আশঙ্কাজনক অবস্থায় বগুড়া শহিদ জিয়া মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পাশাপাশি নিহতের তিন ভাই এমরান হোসেন, মিরাজ উদ্দিন ও মুক্তার আলী জয়পুরহাট জেলা আধুনিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। রাতে নিহতের ছেলে আবু সাঈদ বাদি হয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পরপরই আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে পুলিশ।

 

আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা। ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিন্টু রহমান মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, কৃষক হত্যার ঘটনায় সাত আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।