
আলোকিত সময় ডেস্ক নিউজঃ সিলেট-তামাবিল মহাসড়কে চলাচলকারী ‘অন টেস্ট’ সিএনজি থেকে কয়েকটি থানা ও হাইওয়ে পুলিশের নাম ব্যবহার করে প্রতিটি গাড়ি থেকে ৩০০ টাকা করে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে শামীম নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
অভিযোগ রয়েছে, সংশ্লিষ্ট থানা ও হাইওয়ে পুলিশের নাম ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে এভাবে অর্থ আদায় করা হচ্ছে। তবে এ অর্থ আদায়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো সদস্য জড়িত কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে হাইওয়ে পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কয়েকটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসির) সাথে যোগাযোগ করা হলে তাঁরা জানান, এ বিষয়ে তাঁরা কিছুই বলতে পারছেন না। তবে বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।
এভাবে ‘অন টেস্ট সিএনজি থেকে পুলিশের নামে ব্যবহার করে অর্থ আদায়ের অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা নিরপেক্ষভাবে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন সচেতন ব্যক্তি বলেন, মহাসড়কে যানবাহন চলাচলকে কেন্দ্র করে পুলিশের নাম ব্যবহার করে অর্থ আদায়ের অভিযোগ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা উচিত। কেউ যদি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নাম ব্যবহার করে অবৈধভাবে অর্থ আদায় করে থাকেন, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে অভিযোগের সঙ্গে কোনো অসাধু চক্র জড়িত কি না, তাও খতিয়ে দেখা জরুরি।
তাঁরা আরও বলেন, অভিযুক্ত শামীমের পরিচয়, তাঁর কথিত প্রভাবের উৎস এবং অর্থ আদায়ের পেছনে অন্য কারও সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা তদন্তের মাধ্যমে বের করে আনা প্রয়োজন। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করা এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।
সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি, সিলেট-তামাবিল মহাসড়কে ‘অন-টেস্ট’ সিএনজি থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে জনসমক্ষে প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরা হোক। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের ভয়ভীতি বা হয়রানির ঘটনা ঘটলে, সেটিও গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা প্রয়োজন।



















