ঢাকা ০১:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অতিরিক্ত ডিআইজি আবদুল্লাহ আল জহিরের ভাড়া দেওয়া বাসায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ৮৪ জনকে আটক। মধুপুরে ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, বৃদ্ধের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ ঝালকাঠির নথুল্লাবাদে ইউপি সদস্য প্রার্থী হতে ইচ্ছুক কামাল হোসেন ‎বরিশালে নানা আয়োজনে লাভ ফর ফ্রেন্ডস স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এর ১০ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত অস্টিওপোরোসিসে আক্রান্ত তরুণ আব্দুর রউফ, চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন ৭-৮ লাখ টাকা- বিকাশ নম্বর: ০১৩০৯৮০৩৪০১ পূজা নেই, তবু চাল বরাদ্দ ও আনসার মোতায়েন—কোটালী পাড়ায় সরকারি তালিকা নিয়ে প্রশ্ন নেত্রকোনার সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ হত্যার প্রতিবাদে নাটোরে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ রাজশাহীতে ১৪৭ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার, জব্দ মোটরসাইকেল ও মোবাইল ফোন প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ইশরাক হোসেন মঙ্গলবার রংপুরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, নগরজুড়ে উৎসবের আমেজ

মেহেন্দিগঞ্জে মৎস্য কর্মকর্তাকে ঘিরে বিতর্ক, মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন

  • আপডেটের সময় : ১২:৫৪:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
  • ৬২ সময় দৃশ্য
১৩৯

মেহেন্দিগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধি:  তারিখ: ১২ অক্টোবর ২০২৬বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জে মা ইলিশ সংরক্ষণে সরকারি নিষেধাজ্ঞা চলাকালে নদীতে ইলিশ শিকার বন্ধে অভিযান পরিচালনা নিয়ে মৎস্য অফিসের কর্মকর্তা মনির হোসেনকে ঘিরে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে কিছু জেলের সঙ্গে যোগসাজশের অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা।

 

অভিযোগকারীদের দাবি, মৎস্য অফিসের ওই কর্মকর্তার সঙ্গে যেসব জেলের যোগাযোগ বা ‘কন্টাক্ট’ রয়েছে, তাঁদের কেউ কেউ নিষেধাজ্ঞা চলাকালে নদীতে মাছ শিকারের সুযোগ পাচ্ছেন। অন্যদিকে, তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ না থাকা জেলেদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে পুলিশ ও কোস্ট গার্ডের মাধ্যমে গ্রেপ্তারসহ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এসব অভিযান ও আটকের খবর গণমাধ্যমে প্রচার করা হলেও নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে সবার ক্ষেত্রে সমানভাবে আইন প্রয়োগ করা হচ্ছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারীরা।

 

তাঁদের আরও দাবি, মা ইলিশ রক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কার্যক্রমে কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্ব থাকা উচিত নয়। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি নদীতে অবৈধভাবে ইলিশ শিকার বন্ধে সবার জন্য সমানভাবে আইন প্রয়োগ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

 

তবে মৎস্য অফিসের কর্মকর্তা মনির হোসেন এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বানোয়াট বলে দাবি করেছেন। তিনি বলেন, “উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহোদয়ের নির্দেশনায় অভিযান পরিচালিত হয়। এখানে আমার ব্যক্তিগতভাবে কারও সঙ্গে কন্টাক্ট করার কোনো সুযোগ নেই। অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।”

 

তিনি আরও বলেন, “একটি স্বার্থান্বেষী পক্ষ আমার কাছ থেকে বিশেষ সুবিধা নিতে না পেরে এ ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছে।”

মা ইলিশ সংরক্ষণে সরকারি নিষেধাজ্ঞা কার্যকর রাখা এবং ইলিশের প্রজনন নির্বিঘ্ন করতে নদীতে অবৈধ মাছ শিকার বন্ধে অভিযান অব্যাহত রাখা জরুরি। একই সঙ্গে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ যাচাই এবং অভিযান পরিচালনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

তবে মৎস্য কর্মকর্তা মনির হোসেনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোর বিষয়ে স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য ও তদন্তের ফল পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

অতিরিক্ত ডিআইজি আবদুল্লাহ আল জহিরের ভাড়া দেওয়া বাসায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ৮৪ জনকে আটক।

মেহেন্দিগঞ্জে মৎস্য কর্মকর্তাকে ঘিরে বিতর্ক, মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন

আপডেটের সময় : ১২:৫৪:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
১৩৯

মেহেন্দিগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধি:  তারিখ: ১২ অক্টোবর ২০২৬বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জে মা ইলিশ সংরক্ষণে সরকারি নিষেধাজ্ঞা চলাকালে নদীতে ইলিশ শিকার বন্ধে অভিযান পরিচালনা নিয়ে মৎস্য অফিসের কর্মকর্তা মনির হোসেনকে ঘিরে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে কিছু জেলের সঙ্গে যোগসাজশের অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা।

 

অভিযোগকারীদের দাবি, মৎস্য অফিসের ওই কর্মকর্তার সঙ্গে যেসব জেলের যোগাযোগ বা ‘কন্টাক্ট’ রয়েছে, তাঁদের কেউ কেউ নিষেধাজ্ঞা চলাকালে নদীতে মাছ শিকারের সুযোগ পাচ্ছেন। অন্যদিকে, তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ না থাকা জেলেদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে পুলিশ ও কোস্ট গার্ডের মাধ্যমে গ্রেপ্তারসহ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এসব অভিযান ও আটকের খবর গণমাধ্যমে প্রচার করা হলেও নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে সবার ক্ষেত্রে সমানভাবে আইন প্রয়োগ করা হচ্ছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারীরা।

 

তাঁদের আরও দাবি, মা ইলিশ রক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কার্যক্রমে কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্ব থাকা উচিত নয়। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি নদীতে অবৈধভাবে ইলিশ শিকার বন্ধে সবার জন্য সমানভাবে আইন প্রয়োগ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

 

তবে মৎস্য অফিসের কর্মকর্তা মনির হোসেন এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বানোয়াট বলে দাবি করেছেন। তিনি বলেন, “উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহোদয়ের নির্দেশনায় অভিযান পরিচালিত হয়। এখানে আমার ব্যক্তিগতভাবে কারও সঙ্গে কন্টাক্ট করার কোনো সুযোগ নেই। অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।”

 

তিনি আরও বলেন, “একটি স্বার্থান্বেষী পক্ষ আমার কাছ থেকে বিশেষ সুবিধা নিতে না পেরে এ ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছে।”

মা ইলিশ সংরক্ষণে সরকারি নিষেধাজ্ঞা কার্যকর রাখা এবং ইলিশের প্রজনন নির্বিঘ্ন করতে নদীতে অবৈধ মাছ শিকার বন্ধে অভিযান অব্যাহত রাখা জরুরি। একই সঙ্গে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ যাচাই এবং অভিযান পরিচালনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

তবে মৎস্য কর্মকর্তা মনির হোসেনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোর বিষয়ে স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য ও তদন্তের ফল পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।