
আমার মূঢ়তার অপনোদন
না হওয়া পর্যন্ত শ্লাঘনীয়তা দুষ্কর,,
চরাচরের এই হিসেব বুঝতে না বুঝতেই
কিরীটহীন সম্রাটের মত অমোঘ মৃত্যু
আমার দ্বারে কড়া নাড়ে…
আর আমি লঘু বিষাদে প্রকোপ হয়ে
সব কিছু পরিকীর্ণ করে তুলি,
দৈবাত্ আমার সফেন চোখ গুলো
নির্নিমেষ ভাবে আবিষ্কার করে
আমার বির্শীণ হাত দুটো,,
আমি ভয়ে মাটিকে আকড়ে ধরি
যেভাবে শষ্পের শিকড়
মাটিকে আকড়ে ধরে তেমনি…
সমস্ত শরীর আমার পাংশু হয়ে উঠে,
ফোটা ফোটা ঘামে অবগাহন করে দেহ,
হাতের চিক্কন অঙ্গুরিটার জ্যোতি
ষ্পর্শ করে ভাবনা, ভাবি ভয় কিসের,
মন্থর বিকেল যেমন সায়াহ্নের কোলে
মাথা রেখে বিস্মরণ করে অতীত,
তেমনি আমিও…
আমার মূঢ়তার অপনোদন শেষে
লিখবো কিছু অন্য কোনো প্রস্রবণে…
“শহিদুল ইসলাম জিতু”
























