ঢাকা ০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
‎বরিশাল সাউথ অ্যাপোলো মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পূবালী ব্যাংকের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন তারাগঞ্জে ডিবির অভিযানে ৮০ পিস ইয়াবাসহ ৪ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার টাঙ্গাইলে অবৈধ এলপিজি গ্যাসসহ ৩০০ বোতল জব্দ, ১ লাখ টাকা জরিমানা ছেলের জন্য পাত্রী দেখতে গিয়ে হানিট্র্যাপের শিকার বৃদ্ধ, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার ‎HAMKO’ নাম ব্যবহার করে নকল ব্যাটারির পানি! আটক ৩ জনকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে লালপুরে অবৈধভাবে সার স্থানান্তরের অভিযোগ: বিসিআইসি ডিলারকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিশ্চিতে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে: আসলাম চৌধুরী বৃহত্তর টেকপাড়ায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান, গ্রেপ্তার ৫২ ‎বরিশালে শেবাচিমে পূবালী ব্যাংকের সেলফ সার্ভিস সেন্টার উদ্ভোধন  ও সৌন্দর্যবর্ধন নতুন পরিচয়ে, নতুন উদ্যমে দৈনিক আজকের জনবাণীতে মোঃ আরিফুল ইসলাম সুমন,

ছেলের জন্য পাত্রী দেখতে গিয়ে হানিট্র্যাপের শিকার বৃদ্ধ, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

  • আপডেটের সময় : ১০:৩২:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
  • ৩১ সময় দৃশ্য
৫১

মান্দা (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর মান্দায় ছেলের জন্য পাত্রী দেখার কথা বলে এক বৃদ্ধকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে অশ্লীল ছবি ও ভিডিও ধারণ এবং সেগুলো প্রকাশের ভয় দেখিয়ে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মামলার প্রধান আসামি মো. জাকারিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

 

রোববার (১১ অক্টোবর) ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে মান্দা থানায় মামলা দায়েরের পরপরই অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৭ অক্টোবর এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী মীর মো. আনোয়ার হোসেন (৬২) রাজশাহীর বোয়ালিয়া থানার বালিয়াপুকুর এলাকার বাসিন্দা। ছেলের জন্য পাত্রী দেখার কথা বলে পূর্বপরিচিত এক নারীর মাধ্যমে তাঁকে নওগাঁর মান্দা উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের কেশবপুর গ্রামের একটি বাড়িতে নেওয়া হয়।

 

এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, ওই বাড়িতে যাওয়ার পর জাকারিয়ার পরিকল্পনায় অন্য আসামিরা আনোয়ার হোসেনকে মারধর করেন। একপর্যায়ে এক নারী আসামির সঙ্গে তাঁকে জোরপূর্বক অশ্লীল ও নগ্ন ছবি-ভিডিও ধারণ করতে বাধ্য করা হয়। পরে ধারণ করা ছবি ও ভিডিও প্রকাশের ভয় দেখিয়ে তাঁর কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। এ সময় ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

এজাহার অনুযায়ী, চাঁদা দেওয়ার কথা বলে ভুক্তভোগীর স্বজনেরা ঘটনার দিন দুপুরে তাঁকে উদ্ধার করেন। পরে তাঁকে মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

 

ঘটনার চার দিন পর রোববার ভুক্তভোগী মান্দা থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করেন। এর ভিত্তিতে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ৮(১) ও ৮(২) ধারা এবং দণ্ডবিধির ৩৪২, ৩২৩, ৩৮৫, ৫০৬ ও ৩৪ ধারায় মামলা করা হয়। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামি জাকারিয়াকে গ্রেপ্তার করে।

 

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার জাকারিয়ার বিরুদ্ধে এর আগে নওগাঁর মান্দা ও রাজশাহীর মোহনপুর থানায় আরও তিনটি মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

 

নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, “অভিযোগ পাওয়ার পরপরই অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি জাকারিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই জালিয়াতি ও ব্ল্যাকমেলিং চক্রের অন্য সহযোগীদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশের জোর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

‎বরিশাল সাউথ অ্যাপোলো মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পূবালী ব্যাংকের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

ছেলের জন্য পাত্রী দেখতে গিয়ে হানিট্র্যাপের শিকার বৃদ্ধ, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

আপডেটের সময় : ১০:৩২:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
৫১

মান্দা (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর মান্দায় ছেলের জন্য পাত্রী দেখার কথা বলে এক বৃদ্ধকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে অশ্লীল ছবি ও ভিডিও ধারণ এবং সেগুলো প্রকাশের ভয় দেখিয়ে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মামলার প্রধান আসামি মো. জাকারিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

 

রোববার (১১ অক্টোবর) ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে মান্দা থানায় মামলা দায়েরের পরপরই অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৭ অক্টোবর এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী মীর মো. আনোয়ার হোসেন (৬২) রাজশাহীর বোয়ালিয়া থানার বালিয়াপুকুর এলাকার বাসিন্দা। ছেলের জন্য পাত্রী দেখার কথা বলে পূর্বপরিচিত এক নারীর মাধ্যমে তাঁকে নওগাঁর মান্দা উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের কেশবপুর গ্রামের একটি বাড়িতে নেওয়া হয়।

 

এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, ওই বাড়িতে যাওয়ার পর জাকারিয়ার পরিকল্পনায় অন্য আসামিরা আনোয়ার হোসেনকে মারধর করেন। একপর্যায়ে এক নারী আসামির সঙ্গে তাঁকে জোরপূর্বক অশ্লীল ও নগ্ন ছবি-ভিডিও ধারণ করতে বাধ্য করা হয়। পরে ধারণ করা ছবি ও ভিডিও প্রকাশের ভয় দেখিয়ে তাঁর কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। এ সময় ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

এজাহার অনুযায়ী, চাঁদা দেওয়ার কথা বলে ভুক্তভোগীর স্বজনেরা ঘটনার দিন দুপুরে তাঁকে উদ্ধার করেন। পরে তাঁকে মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

 

ঘটনার চার দিন পর রোববার ভুক্তভোগী মান্দা থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করেন। এর ভিত্তিতে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ৮(১) ও ৮(২) ধারা এবং দণ্ডবিধির ৩৪২, ৩২৩, ৩৮৫, ৫০৬ ও ৩৪ ধারায় মামলা করা হয়। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামি জাকারিয়াকে গ্রেপ্তার করে।

 

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার জাকারিয়ার বিরুদ্ধে এর আগে নওগাঁর মান্দা ও রাজশাহীর মোহনপুর থানায় আরও তিনটি মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

 

নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, “অভিযোগ পাওয়ার পরপরই অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি জাকারিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই জালিয়াতি ও ব্ল্যাকমেলিং চক্রের অন্য সহযোগীদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশের জোর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”