
এহসানুল আসিফ (মাসুম) লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলা ভূমি অফিসে সরকারি সম্পত্তির ইজারা বাবদ আদায় করা ১২ লাখ৭হাজার ৯১০ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা না দিয়ে আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট দুই কর্মচারীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সরকারি টাকা আদায়ের জন্য লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী কমিশনার গোলাম মুস্তফা মুন্না স্বাক্ষরিত চিঠিতে গত ১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে জারি করা এক চিঠিতে এ নির্দেশ দেওয়া হয়। চিঠিতে রায়পুর উপজেলা ভূমি অফিসের প্রধান সহকারী কাম-হিসাবরক্ষক জাহাঙ্গীর আলম।বর্তমানে তিনি জেলার রামগতি উপজেলা ভূমি অফিসে কর্মরত রয়েছেন এবং সার্টিফিকেট পেশকার (নাজির)মো:নকিব হোসেন শান্ত রায়পুর উপজেলা ভূমি অফিসে কর্মরত।এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।সরকারি চিঠিতে বলা হয়, লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলা ভূমি অফিসের ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের হিসাব নিরীক্ষাকালে সরকারি লিজমানি দুটি অঙ্ক সরকারি কোষাগারে জমা না দেওয়ার বিষয়টি উঠে আসে।
এর মধ্যে একটি খাতে ১ লাখ ৯ হাজার ১৩০ টাকা এবং অপর খাতে ১০ লাখ ৯৮ হাজার ৭৮০ টাকা—মোট ১২ লাখ ৭ হাজার ৯১০ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা না দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।চিঠিতে আরও বলা হয়,সংশ্লিষ্ট অর্থ সরকারি কোষাগারে যথাযথভাবে জমা না দেওয়ায় বিষয়টি নিরীক্ষা কর্তৃপক্ষের নজরে আসে।এ বিষয়ে দায়ী জাহাঙ্গীর আলম ও নকিব হোসেন শান্ত কাছ থেকে সরকারি অর্থ আদায়পূর্বক চালানের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।এছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের চিঠিতে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় বিভাগীয় ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।গৃহীত ব্যবস্থা ও এর ফলাফল অডিট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার কথাও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।অভিযোগের বিষয়ে জানতে জাহাঙ্গীর আলম ও মো. নকিব হোসেন শান্তকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তাঁদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব)মাহবুব হাসানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি সংশ্লিষ্ট চিঠি পাওয়ার বিষয়টি ‘আজকের জনবানী’কে নিশ্চিত করেন।তিনি বলেন, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।



















