
ইয়ামিন হোসাইন সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায় ঘুড়কা ইউনিয়নের চারটি ও চান্দাইকোনা ইউনিয়নের দুটি ওয়ার্ড নিয়ে ‘ভূঞাগাতী ইউনিয়ন’ নামে নতুন একটি ইউনিয়ন পরিষদ গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে। এ প্রস্তাবের বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মতামত ও দাবি-দাওয়া জানতে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল ১১টায় উপজেলার ভূঞাগাতী বাসস্ট্যান্ডে এ গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রশাসনের কর্মকর্তা, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, প্রস্তাবিত নতুন ইউনিয়নে ঘুড়কা ইউনিয়নের ১, ২, ৩ ও ৪ নম্বর ওয়ার্ড এবং চান্দাইকোনা ইউনিয়নের ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মতামত জানতে গত ৩০ সেপ্টেম্বর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল খালেক পাটোয়ারী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দাদের গণশুনানিতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
গণশুনানিতে উপস্থিত ছিলেন রায়গঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবদুল খালেক পাটোয়ারী, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রওশন কবির, রায়গঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসানুজ্জামান এবং সলঙ্গা থানার তদন্ত কর্মকর্তা মো. লুৎফর রহমান।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি শামসুল ইসলাম, সাবেক সহসভাপতি মো. সামছুল ইসলাম খান, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম, উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক রানা, চান্দাইকোনা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আবুসামা সরকার, চান্দাইকোনা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. হাবিবুর রহমান, ঘুড়কা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আইয়ুব আলী মণ্ডল, মো. দুলাল হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
গণশুনানিতে প্রস্তাবিত ইউনিয়ন গঠনের যৌক্তিকতা, প্রশাসনিক সুবিধা, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাপনা এবং নাগরিক সেবা সহজ করার বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়। নতুন ইউনিয়ন গঠিত হলে সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দাদের সরকারি সেবা গ্রহণ, উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন এবং প্রশাসনিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে কী ধরনের সুবিধা তৈরি হতে পারে, তা নিয়ে স্থানীয়দের মতামত ও দাবি-দাওয়া শোনেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
স্থানীয়দের মতামত ও প্রস্তাবের পাশাপাশি প্রশাসনিক প্রয়োজনীয়তা এবং প্রচলিত বিধিবিধান বিবেচনায় নিয়ে এ বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
তবে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হওয়া মানেই নতুন ইউনিয়ন গঠনের চূড়ান্ত অনুমোদন নয়। প্রস্তাবটি যাচাই-বাছাই ও প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।




















