ঢাকা ০৫:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দুর্গাপূজায় উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী কোনো সম্প্রদায়কে ভোট ব্যাংক হিসেবে বিবেচনা উচিৎ নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তারাগঞ্জে দুর্গাপূজায় নিটোল নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আনসার-ভিডিপির ব্রিফিং প্যারেড অনুষ্ঠিত মাধবপুরে মেয়র প্রার্থীকে কুপিয়ে গুরুতর জখম নওগাঁয় বিশ্ব সাদাছড়ি নিরাপত্তা দিবস উদযাপন, স্মার্ট সাদাছড়ি বিতরণ ও বর্ণাঢ্য র‍্যালি ভাঙ্গুড়ায় শুরু শারদীয় দুর্গোৎসব, মন্দিরে মন্দিরে বর্ণিল আলোকসজ্জা দলকে সুসংগঠিত করতে তৃণমূল কর্মীদের মূল্যায়নের বিকল্প নাই বগুড়া ​জেলা যুবদল সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম মাদকের বিরুদ্ধে গাইবান্ধা ডিবির ‘জিরো টলারেন্স’, অভিযানে নেতৃত্বে ওসি মোত্তালিব সিরাজগঞ্জের তাড়াশে বসত বাড়ী থেকে দুটি জীবন্ত গাঁ/জা গাছ উ/দ্ধার মধুপুরে যানজট নিরসনে নতুন উদ্যোগ, শনিবার থেকে পালাক্রমে চলবে লাল-সবুজ অটোরিকশা

নতুন জাতীয় বেতনকাঠামোর আওতায় এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা

  • আপডেটের সময় : ০৭:৫৫:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২৭৯ সময় দৃশ্য
৪০১

মো: জিয়াউর রহমান, নিউজ ডেক্স:

সরকারি চাকরিজীবীদের বহুল কাঙ্ক্ষিত নতুন জাতীয় বেতনকাঠামো মন্ত্রিসভা অনুমোদন করেছে। মন্ত্রিসভা একই সঙ্গে অনুমোদন করেছে সশস্ত্র বাহিনীর জন্য যৌথ বাহিনী নির্দেশাবলি। যা কার্যকর হবে গত ১ জুলাই থেকে।

সোমবার (৩১ আগস্ট) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে নতুন বেতনকাঠামোর প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। গ্রেডভেদে মূল বেতন বাড়বে ১০০ থেকে ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত। তবে এটি বাস্তবায়ন হবে দুই বছরের মধ্যে তিন ধাপে। বৈঠক শেষে অর্থ মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে তা জানায়।

তবে নতুন জাতীয় বেতনকাঠামোর আওতায় দেশের প্রায় পাঁচ লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী আসবেন কি না, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।

এ বিষয়ে মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর)  সরকারের উচ্চপর্যায়ে যোগাযোগ করা হলে নিশ্চিত করা হয় যে, সরকারি কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেল কার্যকর হওয়ার দিন থেকেই এমপিওভুক্ত শিক্ষকরাও সমহারে সুবিধা পাবেন।

নতুন কাঠামোতে আগের মতোই থাকছে ২০টি গ্রেড। সর্বনিম্ন ২০তম গ্রেডের মূল বেতন হবে ৮ হাজার ২৫০ টাকার বদলে ২০ হাজার টাকা। আর সর্বোচ্চ ১ম গ্রেডের বেতন হবে নির্ধারিত ৭৮ হাজার টাকার বদলে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা।

তবে পুরো বেতনকাঠামো একসঙ্গে কার্যকর হবে না। ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮—এই দুই অর্থবছরে ধাপে ধাপে দেওয়া হবে বেতন-ভাতা। সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ গ্রেডের বেতনের অনুপাতে ন্যায্যতা আনা হয়েছে। বর্তমানে এই অনুপাত ১: ১ দশমিক ৯৪৫। কমিয়ে করা হয়েছে ১: ১ দশমিক ৭৮। সর্বনিম্ন গ্রেডের মূল বেতন ১৪২ শতাংশ এবং সর্বোচ্চ গ্রেডের নির্ধারিত বেতন ১০০ শতাংশ বাড়বে।

১ জুলাই ২০২৬ থেকে ১ জুলাই ২০২৭-এর মধ্যে মূল বেতন মোট তিনটি ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। অর্থাৎ চলতি ২০২৬-২৭ ও আগামী ২০২৭-২৮ অর্থবছরে পর্যায়ক্রমে বেতনকাঠামো বাস্তবায়ন করা হবে। অর্থ বিভাগে যোগাযোগ করে জানা গেছে, গত ১ জুলাই থেকে মূল বেতনের ৪০ শতাংশ, আগামী বছরের জানুয়ারিতে ৩০ শতাংশ এবং আগামী জুলাইয়ে দেওয়া হবে বাকি ৩০ শতাংশ। আর বিভিন্ন ভাতা কার্যকর হবে ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে। অবসরভোগীদের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম থাকবে।

বিচার বিভাগের জন্য আলাদা বেতনকাঠামো করা হবে। এ জন্য ইতিমধ্যে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস বেতনকাঠামো অনুমোদন করা হবে। সেটিও কার্যকর হবে একইভাবে ধাপে ধাপে।

কম পেনশনভোগীদের বেশি সুবিধা

নতুন বেতনকাঠামোয় পেনশনভোগীদের জন্য বড় ধরনের সুবিধা রাখা হয়েছে। নির্বাচনী ইশতেহারে সামরিক ও অসামরিক—উভয় ক্ষেত্রে ‘এক গ্রেড এক পেনশন’ ব্যবস্থা চালুর প্রতিশ্রুতি রয়েছে বিএনপির।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ ব্যবস্থা সামরিক ও অসামরিক উভয় ক্ষেত্রেই একই সঙ্গে বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন। কিন্তু এখনই ‘এক গ্রেড এক পেনশন’ চালু করতে গেলে সরকারের ওপর বিপুল আর্থিক চাপ তৈরি হবে। ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দের আগে অবসর নেওয়া অসামরিক কর্মচারী অনেকের তথ্য সরকারের কাছে নেই। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে সরকার ‘এক গ্রেড এক পেনশন’ ব্যবস্থা পর্যায়ক্রমে ২০৩০ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে বাস্তবায়ন করবে। এর আগে এবারেরটি হচ্ছে বিকল্প ব্যবস্থা।

নতুন কাঠামোয় মাসে ৯ হাজার টাকা বা তার কম পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের ১০০ শতাংশ, ৯ হাজার ১ টাকা থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের ৭৫ শতাংশ, ২০ হাজার ১ টাকা থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের ৬৫ শতাংশ, ৩০ হাজার ১ টাকা থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের ৬০ শতাংশ এবং ৪০ হাজার ১ টাকা বা তার বেশি পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের পেনশন ৫৫ শতাংশ বাড়বে।

সবার জন্য মোবাইল ভাতা ও প্রতিবন্ধী সন্তান ভাতা

সরকারি কর্মচারীদের বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানের জন্য প্রথমবারের মতো প্রতিবন্ধী সন্তান ভাতা চালু করা হবে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন প্রতি সন্তানের জন্য মাসে দেওয়া হবে ৩ হাজার টাকা করে ভাতা।

এ ছাড়া ইন্টারনেট ও ডিজিটাল যোগাযোগের ব্যয় বিবেচনায় নিয়ে সব গ্রেডের জন্য রাখা হয়েছে মোবাইল ভাতা। এত দিন শুধু পঞ্চম গ্রেড থেকে ওপরের ধাপের সবার জন্য মোবাইল ভাতা প্রযোজ্য ছিল।  নতুন কাঠামো বাস্তবায়নে বছরে সরকারের বাড়তি খরচ হবে আনুমানিক ১ লাখ ৫ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা। মধ্যমেয়াদি বাজেট–কাঠামো অনুযায়ী বাজেটে এ অর্থের সংস্থান রাখা আছে। নতুন বেতনকাঠামো সরকারি কর্মচারীদের আর্থিক নিরাপত্তা ও কর্মোদ্দীপনা বাড়ানোর পাশাপাশি দক্ষ, গতিশীল ও জনবান্ধব জনপ্রশাসন গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নতুন বেতনকাঠামো বাস্তবায়নের ফলে প্রায় ২৪ লাখ সামরিক ও অসামরিক কর্মচারী উপকৃত হবেন। পাশাপাশি সোয়া ৯ লাখ অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী ও অন্যান্য যোগ্য সুবিধাভোগীও এর আওতায় আসবেন। সব মিলিয়ে সুবিধাভোগী হবেন ৩৩ লাখ মানুষ।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

দুর্গাপূজায় উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

নতুন জাতীয় বেতনকাঠামোর আওতায় এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা

আপডেটের সময় : ০৭:৫৫:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৪০১

মো: জিয়াউর রহমান, নিউজ ডেক্স:

সরকারি চাকরিজীবীদের বহুল কাঙ্ক্ষিত নতুন জাতীয় বেতনকাঠামো মন্ত্রিসভা অনুমোদন করেছে। মন্ত্রিসভা একই সঙ্গে অনুমোদন করেছে সশস্ত্র বাহিনীর জন্য যৌথ বাহিনী নির্দেশাবলি। যা কার্যকর হবে গত ১ জুলাই থেকে।

সোমবার (৩১ আগস্ট) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে নতুন বেতনকাঠামোর প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। গ্রেডভেদে মূল বেতন বাড়বে ১০০ থেকে ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত। তবে এটি বাস্তবায়ন হবে দুই বছরের মধ্যে তিন ধাপে। বৈঠক শেষে অর্থ মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে তা জানায়।

তবে নতুন জাতীয় বেতনকাঠামোর আওতায় দেশের প্রায় পাঁচ লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী আসবেন কি না, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।

এ বিষয়ে মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর)  সরকারের উচ্চপর্যায়ে যোগাযোগ করা হলে নিশ্চিত করা হয় যে, সরকারি কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেল কার্যকর হওয়ার দিন থেকেই এমপিওভুক্ত শিক্ষকরাও সমহারে সুবিধা পাবেন।

নতুন কাঠামোতে আগের মতোই থাকছে ২০টি গ্রেড। সর্বনিম্ন ২০তম গ্রেডের মূল বেতন হবে ৮ হাজার ২৫০ টাকার বদলে ২০ হাজার টাকা। আর সর্বোচ্চ ১ম গ্রেডের বেতন হবে নির্ধারিত ৭৮ হাজার টাকার বদলে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা।

তবে পুরো বেতনকাঠামো একসঙ্গে কার্যকর হবে না। ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮—এই দুই অর্থবছরে ধাপে ধাপে দেওয়া হবে বেতন-ভাতা। সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ গ্রেডের বেতনের অনুপাতে ন্যায্যতা আনা হয়েছে। বর্তমানে এই অনুপাত ১: ১ দশমিক ৯৪৫। কমিয়ে করা হয়েছে ১: ১ দশমিক ৭৮। সর্বনিম্ন গ্রেডের মূল বেতন ১৪২ শতাংশ এবং সর্বোচ্চ গ্রেডের নির্ধারিত বেতন ১০০ শতাংশ বাড়বে।

১ জুলাই ২০২৬ থেকে ১ জুলাই ২০২৭-এর মধ্যে মূল বেতন মোট তিনটি ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। অর্থাৎ চলতি ২০২৬-২৭ ও আগামী ২০২৭-২৮ অর্থবছরে পর্যায়ক্রমে বেতনকাঠামো বাস্তবায়ন করা হবে। অর্থ বিভাগে যোগাযোগ করে জানা গেছে, গত ১ জুলাই থেকে মূল বেতনের ৪০ শতাংশ, আগামী বছরের জানুয়ারিতে ৩০ শতাংশ এবং আগামী জুলাইয়ে দেওয়া হবে বাকি ৩০ শতাংশ। আর বিভিন্ন ভাতা কার্যকর হবে ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে। অবসরভোগীদের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম থাকবে।

বিচার বিভাগের জন্য আলাদা বেতনকাঠামো করা হবে। এ জন্য ইতিমধ্যে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস বেতনকাঠামো অনুমোদন করা হবে। সেটিও কার্যকর হবে একইভাবে ধাপে ধাপে।

কম পেনশনভোগীদের বেশি সুবিধা

নতুন বেতনকাঠামোয় পেনশনভোগীদের জন্য বড় ধরনের সুবিধা রাখা হয়েছে। নির্বাচনী ইশতেহারে সামরিক ও অসামরিক—উভয় ক্ষেত্রে ‘এক গ্রেড এক পেনশন’ ব্যবস্থা চালুর প্রতিশ্রুতি রয়েছে বিএনপির।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ ব্যবস্থা সামরিক ও অসামরিক উভয় ক্ষেত্রেই একই সঙ্গে বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন। কিন্তু এখনই ‘এক গ্রেড এক পেনশন’ চালু করতে গেলে সরকারের ওপর বিপুল আর্থিক চাপ তৈরি হবে। ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দের আগে অবসর নেওয়া অসামরিক কর্মচারী অনেকের তথ্য সরকারের কাছে নেই। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে সরকার ‘এক গ্রেড এক পেনশন’ ব্যবস্থা পর্যায়ক্রমে ২০৩০ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে বাস্তবায়ন করবে। এর আগে এবারেরটি হচ্ছে বিকল্প ব্যবস্থা।

নতুন কাঠামোয় মাসে ৯ হাজার টাকা বা তার কম পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের ১০০ শতাংশ, ৯ হাজার ১ টাকা থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের ৭৫ শতাংশ, ২০ হাজার ১ টাকা থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের ৬৫ শতাংশ, ৩০ হাজার ১ টাকা থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের ৬০ শতাংশ এবং ৪০ হাজার ১ টাকা বা তার বেশি পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের পেনশন ৫৫ শতাংশ বাড়বে।

সবার জন্য মোবাইল ভাতা ও প্রতিবন্ধী সন্তান ভাতা

সরকারি কর্মচারীদের বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানের জন্য প্রথমবারের মতো প্রতিবন্ধী সন্তান ভাতা চালু করা হবে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন প্রতি সন্তানের জন্য মাসে দেওয়া হবে ৩ হাজার টাকা করে ভাতা।

এ ছাড়া ইন্টারনেট ও ডিজিটাল যোগাযোগের ব্যয় বিবেচনায় নিয়ে সব গ্রেডের জন্য রাখা হয়েছে মোবাইল ভাতা। এত দিন শুধু পঞ্চম গ্রেড থেকে ওপরের ধাপের সবার জন্য মোবাইল ভাতা প্রযোজ্য ছিল।  নতুন কাঠামো বাস্তবায়নে বছরে সরকারের বাড়তি খরচ হবে আনুমানিক ১ লাখ ৫ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা। মধ্যমেয়াদি বাজেট–কাঠামো অনুযায়ী বাজেটে এ অর্থের সংস্থান রাখা আছে। নতুন বেতনকাঠামো সরকারি কর্মচারীদের আর্থিক নিরাপত্তা ও কর্মোদ্দীপনা বাড়ানোর পাশাপাশি দক্ষ, গতিশীল ও জনবান্ধব জনপ্রশাসন গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নতুন বেতনকাঠামো বাস্তবায়নের ফলে প্রায় ২৪ লাখ সামরিক ও অসামরিক কর্মচারী উপকৃত হবেন। পাশাপাশি সোয়া ৯ লাখ অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী ও অন্যান্য যোগ্য সুবিধাভোগীও এর আওতায় আসবেন। সব মিলিয়ে সুবিধাভোগী হবেন ৩৩ লাখ মানুষ।