
(নোয়াখালী) প্রতিনিধিঃ নোয়াখালীর সুবর্ণচরে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (NSDA) অনুমোদন পাওয়ায় ক্যানভাস আইসিটি ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে ‘অনুমোদন উদযাপন ও দক্ষতা উন্নয়ন উদ্বুদ্ধকরণ অনুষ্ঠান-২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সুবর্ণচর উপজেলার চর জব্বর কলেজ গেইট এলাকায় অবস্থিত প্রতিষ্ঠানটির আয়োজনে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। গত ১ অক্টোবর ক্যানভাস আইসিটি ইনস্টিটিউট NSDA-এর অনুমোদন লাভ করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আকিব ওসমান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শহীদ জয়নাল আবেদীন সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কাজী নজরুল ইসলাম, বিদ্যালয়টির সাবেক সহকারী প্রধান শিক্ষক শিমূল চন্দ্র দাস, সুবর্ণচর উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তা মিজানুর রহমান, উপজেলা সহকারী নির্বাচন কর্মকর্তা রুহুল আমিন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় সংসদের সদস্য ফখরুল বিন খালেক, উপজেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক এবং চর জুবিলী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বর্তমান বিশ্বে কর্মসংস্থান ও আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনে কারিগরি শিক্ষা এবং তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক দক্ষতার গুরুত্ব ক্রমেই বাড়ছে। শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে তরুণ-তরুণীদের কর্মমুখী দক্ষতা অর্জনে এগিয়ে আসতে হবে। দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা গেলে স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারেও প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকা সম্ভব হবে।
বক্তারা আরও বলেন, জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অনুমোদনপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ গ্রহণের সুযোগ তরুণদের দক্ষতা বিকাশে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। এ জন্য মানসম্মত প্রশিক্ষণ, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং প্রশিক্ষণার্থীদের বাস্তব কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও আকিব ওসমান বলেন, “বর্তমান সময়ে তরুণদের জন্য দক্ষতা অর্জনের কোনো বিকল্প নেই। তথ্যপ্রযুক্তি ও কারিগরি শিক্ষায় দক্ষ হয়ে উঠতে পারলে তরুণরা নিজেদের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নেও অবদান রাখতে পারবে। এ ধরনের উদ্যোগ তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নে উৎসাহিত করবে বলে আশা করি।”
ক্যানভাস আইসিটি ইনস্টিটিউটের পক্ষ থেকে জানানো হয়, NSDA-এর অনুমোদন লাভের সাফল্য উদযাপনের পাশাপাশি স্থানীয় তরুণ-তরুণীদের দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মমুখী প্রশিক্ষণ এবং তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক শিক্ষার প্রতি আগ্রহী করে তোলাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান ও আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতেও ভূমিকা রাখতে চান তাঁরা।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, শিক্ষানুরাগী, তরুণ-তরুণীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।




















