ঢাকা ১২:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য খুলছে সেন্টমার্টিন, দিতে হবে ১০০ টাকা পরিবেশ ফি তজুমদ্দিনে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার, ১৮ জেলের কারাদণ্ড সাঈদীর মামলার বাদীর দাফন নিয়ে উত্তেজনা, কবর খুঁড়লেন স্ত্রী-মেয়ে-বোন নাগেশ্বরীতে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে গন সংযোগে ব্যাস্ত চেয়ারম্যান প্রার্থীরা। চুনারুঘাটে ৪৮ কেজি গাঁজাসহ আটক ১ ঢাকায় আইএসজিএফের ৭৩তম ফেলোশিপ ডে উদযাপন দৃঢ় মনোবল নিয়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছে পুলিশ সিলেটে হামের মৃত্যু ছাড়িয়েছে ২০০ মাধবপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বসতঘর ভস্মিভূত, প্রায় ৩০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি সলঙ্গায় মিছিলের প্রস্তুতিকালে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার

তজুমদ্দিনে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার, ১৮ জেলের কারাদণ্ড

  • আপডেটের সময় : ০৬:৩৭:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ৩২ সময় দৃশ্য
৫২

মো. ইলিয়াস সানি, তজুমদ্দিন (ভোলা)
ভোলার তজুমদ্দিনে মৎস্যসম্পদ রক্ষায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মেঘনা নদীতে মাছ শিকারের অভিযোগে ২১ জেলেকে আটক করেছে মৎস্য প্রশাসন। এ সময় তিনটি মাছ ধরার ট্রলার ও জাল জব্দ করা হয়। পরে আটক জেলেদের মধ্যে ১৮ জনকে সাত দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। অপ্রাপ্তবয়স্ক তিনজনকে পরিবারের মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, রোববার (২৫ অক্টোবর) রাত সোয়া ১২টার দিকে উপজেলার মহিষখালী মাছঘাটসংলগ্ন মেঘনা নদীতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। তজুমদ্দিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. বনি আমিনের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে মাছ ধরার সময় ২১ জেলেকে আটক করা হয়। এ সময় তিনটি মাছ ধরার ট্রলার ও জাল জব্দ করা হয়। পরে জব্দ করা জাল শশীগঞ্জ মৎস্যঘাটে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। ট্রলারগুলো উপজেলা মৎস্য অফিসের হেফাজতে রাখা হয়েছে।
অভিযান শেষে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আটক ১৮ জেলেকে সাত দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন মো. শিপন (৩২), মো. সজিব (১৯), মো. কাশেম (৩৩), মো. ফয়সাল (২৫), মো. সোহাগ (২৫), নুর ইসলাম (২৫), আকবর (২০), মো. রাশেদ (২০), মনির (২৮), মো. আইয়ুব (২৮), ইব্রাহীম মাঝি (৫২), মো. রফিক (৪০), মো. শরীফ (২৮), মো. হাফিজ (৩৪), মো. মাকসুদ (৪৮), মো. শাহাদাত (২০), মো. ফারুক (৬৫) ও মো. কামাল (৬২)। আটক জেলেদের সবার বাড়ি তজুমদ্দিন উপজেলায় বলে জানা গেছে।
তজুমদ্দিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. বনি আমিন বলেন, মেঘনা নদীতে অভিযান অব্যাহত থাকবে। নিষেধাজ্ঞার ২২ দিনে সরকারি আইন অমান্য করে মাছ শিকার করলে মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য খুলছে সেন্টমার্টিন, দিতে হবে ১০০ টাকা পরিবেশ ফি

তজুমদ্দিনে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার, ১৮ জেলের কারাদণ্ড

আপডেটের সময় : ০৬:৩৭:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
৫২

মো. ইলিয়াস সানি, তজুমদ্দিন (ভোলা)
ভোলার তজুমদ্দিনে মৎস্যসম্পদ রক্ষায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মেঘনা নদীতে মাছ শিকারের অভিযোগে ২১ জেলেকে আটক করেছে মৎস্য প্রশাসন। এ সময় তিনটি মাছ ধরার ট্রলার ও জাল জব্দ করা হয়। পরে আটক জেলেদের মধ্যে ১৮ জনকে সাত দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। অপ্রাপ্তবয়স্ক তিনজনকে পরিবারের মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, রোববার (২৫ অক্টোবর) রাত সোয়া ১২টার দিকে উপজেলার মহিষখালী মাছঘাটসংলগ্ন মেঘনা নদীতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। তজুমদ্দিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. বনি আমিনের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে মাছ ধরার সময় ২১ জেলেকে আটক করা হয়। এ সময় তিনটি মাছ ধরার ট্রলার ও জাল জব্দ করা হয়। পরে জব্দ করা জাল শশীগঞ্জ মৎস্যঘাটে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। ট্রলারগুলো উপজেলা মৎস্য অফিসের হেফাজতে রাখা হয়েছে।
অভিযান শেষে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আটক ১৮ জেলেকে সাত দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন মো. শিপন (৩২), মো. সজিব (১৯), মো. কাশেম (৩৩), মো. ফয়সাল (২৫), মো. সোহাগ (২৫), নুর ইসলাম (২৫), আকবর (২০), মো. রাশেদ (২০), মনির (২৮), মো. আইয়ুব (২৮), ইব্রাহীম মাঝি (৫২), মো. রফিক (৪০), মো. শরীফ (২৮), মো. হাফিজ (৩৪), মো. মাকসুদ (৪৮), মো. শাহাদাত (২০), মো. ফারুক (৬৫) ও মো. কামাল (৬২)। আটক জেলেদের সবার বাড়ি তজুমদ্দিন উপজেলায় বলে জানা গেছে।
তজুমদ্দিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. বনি আমিন বলেন, মেঘনা নদীতে অভিযান অব্যাহত থাকবে। নিষেধাজ্ঞার ২২ দিনে সরকারি আইন অমান্য করে মাছ শিকার করলে মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।