
আমি যাকে আঁকড়ে ধরতে চেয়েছি
সে অশ্রু হয়ে লেপ্টে গেছে
চোখ থেকে কপলে, বুকে ; হাতে।
বিবর্ণ বিষাদ নিয়ে
এখনও তার বয়ে চলা ধমনির
শিরা- উপশিরা হয়ে হৃৎপিণ্ডে।
গোপন নিস্তব্ধ অরণ্য সে ;
সে, ব্যথা-কুয়াশার-বিউগল ;
বুকের ঘাসে বেজে ওঠে
শিশির-নিনাদে।
আমি যাকে আঁকড়ে ধরতে চেয়েছি
সে দীর্ঘশ্বাসে ডাহুকের ডাক,
স্মৃতির অবয়ব আর ছেঁড়া ছেঁড়া মুখ সমেত
উড়ে গেছে নৈঋতে।
অন্ত-ধামের সন্ধ্যা সে,
সে অতীন্দ্রিয় মৃত সরোবর।
স্নায়ুর সলীলে বিবিধ ক্ষত এঁকে
দিয়ে গেছে ধূ-ধূ বালুচর।
আমি যাকে আঁকড়ে ধরতে চেয়েছি
সে কষ্টের উপসংহার।
বেদনার মরু-সমুদ্রে অন্বয়ীনীল দ্রিদিম শব্দে
মাস্তুল জাহাজের ন্যায় ছেঁড়ে গেছে
দূর থেকে সুদূরে, আরও দূরে ;
উপচ্ছায়া অন্ধকারে ।
আকন্ঠ তিয়াসা সে,
সে উজ্জয়িনী তীর,
খুদকুঁড়ো অর্জন সে,
দীর্ণ বিদ্ধ জখমে সে সুখ-অসুখ।
আমি যাকে আঁকড়ে ধরতে চেয়েছি
তার ডানায় কেবলই শূন্যতার ঘ্রাণ ;
ফুসফুসে, নিঃশ্বাসে,
আমার প্রতিটা শ্বাস-প্রশ্বাসে
মহাশূন্যতা গেঁথে দিয়ে
নিঃসীমের নভো-নীলে উড়ে গেছে ।
#শহিদুল ইসলাম জিতু
আলোকিত সময়/রেবারা



















