ঢাকা ০৭:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
তজুমদ্দিনের তিন কলেজে ফল বিপর্যয়, ৪৬৩ জনে পাস মাত্র ১১২ কবিতা- ব্যথা-কুয়াশার-বিউগল মধুপুরে ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান ড্রাইভার ইউনিয়নের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত সিরাজগঞ্জে নদীতে ডুবে নিখোঁজের ২২ ঘণ্টা পর কিশোরের মরদেহ উদ্ধার মধুপুরে কৃষিজমির মাটি কেটে বিক্রি, একজনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের জন্য নির্ধারিত মেডিকেল পরীক্ষার ফি জনপ্রতি ৮,০০০ (আট হাজার)টাকা। জমকালো আয়োজনে মালদ্বীপে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মাধবপুরে গ্যাসের দাবিতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ, ৫ কিলোমিটার যানজট দুই ভাইয়ের চালচলনে গ্রামবাসীর সন্দেহ, বাড়ির মেঝের নিচে মিলল কোটি কোটি টাকা ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন: ‘নেতৃত্ব আল্লাহর পক্ষ থেকে আসে, মেনে নেন’—জামায়াতকে আম্মার

কবিতা- ব্যথা-কুয়াশার-বিউগল

  • আপডেটের সময় : ০৩:৫৬:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
  • ১১ সময় দৃশ্য
১৮

আমি যাকে আঁকড়ে ধরতে চেয়েছি
সে অশ্রু হয়ে লেপ্টে গেছে
চোখ থেকে কপলে, বুকে ; হাতে।
বিবর্ণ বিষাদ নিয়ে
এখনও তার বয়ে চলা ধমনির
শিরা- উপশিরা হয়ে হৃৎপিণ্ডে।

গোপন নিস্তব্ধ অরণ্য সে ;
সে, ব্যথা-কুয়াশার-বিউগল ;
বুকের ঘাসে বেজে ওঠে
শিশির-নিনাদে।

আমি যাকে আঁকড়ে ধরতে চেয়েছি
সে দীর্ঘশ্বাসে ডাহুকের ডাক,
স্মৃতির অবয়ব আর ছেঁড়া ছেঁড়া মুখ সমেত
উড়ে গেছে নৈঋতে।

অন্ত-ধামের সন্ধ্যা সে,
সে অতীন্দ্রিয় মৃত সরোবর।
স্নায়ুর সলীলে বিবিধ ক্ষত এঁকে
দিয়ে গেছে ধূ-ধূ বালুচর।

আমি যাকে আঁকড়ে ধরতে চেয়েছি
সে কষ্টের উপসংহার।
বেদনার মরু-সমুদ্রে অন্বয়ীনীল দ্রিদিম শব্দে
মাস্তুল জাহাজের ন্যায় ছেঁড়ে গেছে
দূর থেকে সুদূরে, আরও দূরে ;
উপচ্ছায়া অন্ধকারে ।

আকন্ঠ তিয়াসা সে,
সে উজ্জয়িনী তীর,
খুদকুঁড়ো অর্জন সে,
দীর্ণ বিদ্ধ জখমে সে সুখ-অসুখ।

আমি যাকে আঁকড়ে ধরতে চেয়েছি
তার ডানায় কেবলই শূন্যতার ঘ্রাণ ;
ফুসফুসে, নিঃশ্বাসে,
আমার প্রতিটা শ্বাস-প্রশ্বাসে
মহাশূন্যতা গেঁথে দিয়ে
নিঃসীমের নভো-নীলে উড়ে গেছে ।

#শহিদুল ইসলাম জিতু

 

আলোকিত সময়/রেবারা

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

তজুমদ্দিনের তিন কলেজে ফল বিপর্যয়, ৪৬৩ জনে পাস মাত্র ১১২

কবিতা- ব্যথা-কুয়াশার-বিউগল

আপডেটের সময় : ০৩:৫৬:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
১৮

আমি যাকে আঁকড়ে ধরতে চেয়েছি
সে অশ্রু হয়ে লেপ্টে গেছে
চোখ থেকে কপলে, বুকে ; হাতে।
বিবর্ণ বিষাদ নিয়ে
এখনও তার বয়ে চলা ধমনির
শিরা- উপশিরা হয়ে হৃৎপিণ্ডে।

গোপন নিস্তব্ধ অরণ্য সে ;
সে, ব্যথা-কুয়াশার-বিউগল ;
বুকের ঘাসে বেজে ওঠে
শিশির-নিনাদে।

আমি যাকে আঁকড়ে ধরতে চেয়েছি
সে দীর্ঘশ্বাসে ডাহুকের ডাক,
স্মৃতির অবয়ব আর ছেঁড়া ছেঁড়া মুখ সমেত
উড়ে গেছে নৈঋতে।

অন্ত-ধামের সন্ধ্যা সে,
সে অতীন্দ্রিয় মৃত সরোবর।
স্নায়ুর সলীলে বিবিধ ক্ষত এঁকে
দিয়ে গেছে ধূ-ধূ বালুচর।

আমি যাকে আঁকড়ে ধরতে চেয়েছি
সে কষ্টের উপসংহার।
বেদনার মরু-সমুদ্রে অন্বয়ীনীল দ্রিদিম শব্দে
মাস্তুল জাহাজের ন্যায় ছেঁড়ে গেছে
দূর থেকে সুদূরে, আরও দূরে ;
উপচ্ছায়া অন্ধকারে ।

আকন্ঠ তিয়াসা সে,
সে উজ্জয়িনী তীর,
খুদকুঁড়ো অর্জন সে,
দীর্ণ বিদ্ধ জখমে সে সুখ-অসুখ।

আমি যাকে আঁকড়ে ধরতে চেয়েছি
তার ডানায় কেবলই শূন্যতার ঘ্রাণ ;
ফুসফুসে, নিঃশ্বাসে,
আমার প্রতিটা শ্বাস-প্রশ্বাসে
মহাশূন্যতা গেঁথে দিয়ে
নিঃসীমের নভো-নীলে উড়ে গেছে ।

#শহিদুল ইসলাম জিতু

 

আলোকিত সময়/রেবারা