ভারতে পাচার হওয়া হাতীবান্ধার সেই স্কুলছাত্রী ১৫ মাস পর দেশে ফিরেছে

প্রকাশিত: ১০:৪৩ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ৩০, ২০২০

পরিমল চন্দ্র বসুনিয়া,হাতীবান্ধা উপজেলা,প্রতিনিধি:লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার পাইকারটারী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির ছাত্রীকে অপহরণের পর ভারতে পাচারের ১৫ মাস পর দেশে ফিরেছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে বুড়িমারী স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় পুলিশ লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে তাকে হস্তান্তর করেন। এরপর বুড়িমারী ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে পাটগ্রাম থানায় হস্তান্তর করেন। সন্ধ্যায় পাটগ্রাম থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ সুমন কুমার মহন্ত যাবতীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে মেয়েটিকে তার বাবার হাতে দেন। এর আগে বাংলাদেশ ও ভারতের রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে কূটনৈতিক আলোচনার পর বৃহস্পতিবার বিকেলে ভারতীয় পুলিশ লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী স্থলবন্দর দিয়ে তাকে পুলিশের কাছে তাকে হস্তান্তর করেন। ওই ছাত্রীর বাড়ি লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার পুর্ব সারডুবী গ্রামে। ২০১৮ সালের ১৪ অক্টোবর তাকে অপহরণ করে ভারতে পাচার করা হয়। হাতীবান্ধা উপজেলার বড়খাতা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবু হেনা মোস্তফা জামাল সোহেল বলেন, ওই স্কুলছাত্রীকে ২০১৮ সালের ১৪ অক্টোবর স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে অপহরণ করেন ফকিরপাড়া ইউনিয়নের ফকিরপাড়া গ্রামের গিরিনের ছেলে প্রদীপসহ কয়েকজন। তাকে অপহরণের পর ভারতে পাচার করা হয়। এ ঘটনায় একটি অপহরণের মামলা আদালতে বিচারধীন রয়েছে বলে জানান।এ মামলায় প্রদীপসহ পালাতক থাকলেও অপর ৪ আসামী জামিনে মুক্তি নিয়ে নিয়মিত আদালতে হাজিরা দিচ্ছেন বলে জানা গেছে। প্রসংগত, অপহৃত স্কুল শিক্ষার্থীর বাড়ি বড়খাতা ইউনিয়নের একটি গ্রামে। সে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণীতে পড়তো। গত বছরের ১৪ অক্টোবর বাড়ি থেকে স্কুল যাওয়ার পথে অপহৃত হয় সে। এ ঘটনায় ওইদিন থানায় জিডি করা হয়। তাতেও কোনো খোঁজ না পেয়ে মেয়েটির বাবা বাদি হয়ে ছয় জনের নামে একই বছরের ২৬ অক্টোবর হাতীবান্ধা থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন। মামলার প্রধান বুড়া সারডুবি গ্রামের প্রদীপ চন্দ্র (১৯) বর্তমানে পলাতক রয়েছে। অপর আসামি একই গ্রামের নলিত (৩৮), বাবুল (৪০), রহুল (২০), কৃষ্ণ চন্দ্র রায় (৪০) এবং ফকিরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরল ইসলামের ছেলে সুমন (৩৭) বর্তমানে জামিনে আছেন।


মুজিব বর্ষ

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Pin It on Pinterest