উজিরপুর হারতায় লকডাউন এর ভিতরে যেন মেলা বসেছে।

প্রকাশিত: ১০:১৩ অপরাহ্ণ, মার্চ ২৯, ২০২০

উজিরপুর  হারতায় লকডাউন এর ভিতরে যেন মেলা বসেছে।
শফিকুল ইসলাম শামীম উজিরপুর প্রতিনিধিঃ উজিরপুরের হারতায় দীর্ঘ দিনের পুরাতন এই বন্দরে রাতের আঁধার কাটতে না কাটতেই সকাল থেকে দেখা যায় শত শত ক্রেতা, বিক্রেতা ফুট পাত সহ রাস্তার আনাচে-কানাচে বিভিন্ন জায়গায় বিক্রেতারা যে যার মত বিক্রয় করছে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস পত্র। আজ ২৯ মার্চ রোজ রবিবার হারতা বন্দরের উওর পাড়ে সকাল থেকে চোখে পরে শত শত লোকের সমাগম কে মানছে কার কথা বর্তমান সারা পৃথিবী যেখানে মরণব্যাধি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে পড়েছে সেখানে জনগণ মিছিলের মতো করে হাট-বাজার করছে। সেখানে নাই স্থানীয় চেয়ারম্যান মেম্বারদের কোন পদক্ষেপ ঔষধ এর ফার্মেসি গুলো তাদের নির্ধারিত দেওয়া দামের চেয়ে অধিক দামে বিক্রি করছে ঔষধ। অবশ্য পরে স্থানীয় হারতা পুলিশ ক্যাম্প থেকে এ এস আই শাহআলম, নায়েক মহিউদ্দিন ও দফাদার শুকুমার হালদারের নেতৃত্বে বন্দরের দোকানদার ও ক্রেতাদের বলতে দেখা যায় যে, আপনারা দ্রুত সময়ের মধ্যে যার যার স্থান ত্যাগ করেন। এ দৃশ্য দেখতে সে সময় প্রচুর মটর সাইকেল, ভ্যান গাড়ি অবস্থান দেখা যায়। হারতা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ডাক্তার হরেন রায় ও বাজার কমিটির সাধারন সম্পাদক মিন্টু মজুমদার বাজারের দক্ষিন পাড় বন্দরের আগাত লোক জনদের দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় পন্য নিয়ে স্থান ত্যাগ করার নির্দেশনা প্রধান করেন। এবং মুদি মনহারি দোকান দারদের নির্দেশ করেন যে প্রতিটি দোকানের সামনে রং দিয়ে বৃত্ত একে দিন। যাহাতে ক্রতারা এক একজন ঐ বৃত্তের মধ্যে দিয়ে প্রয়োজনী জিনিস পত্র নিয়ে নিজ ঘরে ফিরে যান। পরে স্থানীয় চেয়ারম্যান ডাক্তার হরেন রায়, বাজার কমিটির সাধারন সম্পাদক মিন্টু মজুমদার ও স্থানীয় প্রতিনিধি গন বন্দরের উত্তর পাড় দোকানদার সহ লোক জনদের একেই নির্দেশনা প্রধান করেন। অন্য দিকে স্থানীয় সাধারন জনগন দাবি করেন যে এলাকার জনপ্রতিনিধিরা যদি আমাদেরকে সচেতনতা মূলক কোন প্রকার পদক্ষেপ নিতেন তাহলে আমাদের আজ এ অবস্থা হতো না এবলে দাবি করেন।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

মুজিব বর্ষ

Pin It on Pinterest