জলঢাকায় প্রক্সির দায়ে প্রাথমিক সমাপনি পরীক্ষার আট শিক্ষার্থী বহিষ্কার

প্রকাশিত: ৪:১৪ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ১৯, ২০১৯

জলঢাকায় প্রক্সির দায়ে প্রাথমিক সমাপনি পরীক্ষার আট শিক্ষার্থী বহিষ্কার

হারুন-অর- রশিদ( রিয়াদ) নীলফামারী জলঢাকা থেকেঃ নীলফামারী জলঢাকায় চলতি প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি)পরীক্ষার ২য় দিনে প্রক্সি পরীক্ষার দায়ে ৮ শিক্ষার্থীকে বহিস্কার করা হয়েছে। ঘটনাটি সোমবার উপজেলার কাঁঠালী ইউনিয়নের উত্তর দেশীবাই নিন্ম মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ঘটে। বহিস্কৃতরা হলেন,মোঃ আজীম ইসলাম,মোঃবাবু, মোঃতারিকুল ইসলাম,রবিউল ইসলাম ,সিয়াম,তানিয়া আক্তার,আইরিন আক্তার ও লিমন ইসলাম। প্রক্সি শিক্ষার্থীরা তারা সকলেই কাঁঠালী ইউনিয়নের বিভিন্ন স্কুল ও মাদ্রাসার এরা সকলেই উত্তর দেশীবাই ইসলামীয়া কছিমিয়া স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার হয়ে ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছিল। অন্যদিকে একই কেন্দ্রে গতকাল রোববার ইংরেজি পরিক্ষায় বাহির থেকে প্রশ্ন পত্রের ছবি তোলার অপরাধে ফিরোজুল (২৫) নামে এক যুবককে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমান আদালত। সোমবার বাংলা পরীক্ষায় উত্তর দেশীবাই ইসলামীয়া কছিমিয়া স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার কয়েকজন শিক্ষার্থী প্রক্সি পরিক্ষা দিচ্ছে এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে সাংবাদিকরা ওই কেন্দ্রে দায়িত্বরত উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মোশফেকুর রহমানকে অবগত করেন। পরে বিষয়টি নিয়ে যাচাই-বাছাই করলে একে একে ৮ জন প্রক্সি পরীক্ষার্থী বেরিয়ে আসে। এ সময় প্রত্যেক পরিক্ষার্থী উপস্থিত সকলের সামনে শিকার করে যে তারা অন্য জনের স্থলে পরিক্ষা দিচ্ছেন। ওই শিক্ষার্থীরা আরও জানান,উত্তর দেশীবাই ইসলামীয়া কছিমিয়া স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক অলিয়ার রহমান তাদের প্রত্যেককে টাকার লোভ দেখিয়ে এ কাজে বাধ্য করেছেন। এদিকে এ ঘটনার সাথে জড়িত শিক্ষার্থীকে তৎক্ষানিক বহিস্কার করা হয়। পরে তাদের বয়সের দিক বিবেচনা করে কাঁঠালী ইউ’পি চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন তুহিনের জিম্বায় দেওয়া হয়। এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মোশফেকুর রহমান উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন,সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণ পাওয়ায় তাদেরকে বহিস্কার করা হয়েছে এবং অভিযুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হবে। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নুর মোহাম্মাদ বলেন,‘‘ অভিযুক্ত ওই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।’’ এ বিষয়ে অভিযুক্ত ওই মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক অলিয়ার রহমানের দেখা না পাওয়ায় মুঠোফোনে যোগাযোগ যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে এর জন্য মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক আলিয়ার রহমান পুরোপুরি দায়ি বলে অভিযোগ করেন অনেকেই।


এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

মুজিব বর্ষ

Pin It on Pinterest