শিক্ষা বিস্তারে আলোচনার শীর্ষে জলঢাকার দুই সামাজিক সংগঠন আলোর কণা ও জীবন তরী >>>> >>>>>>

প্রকাশিত: ১:৩৭ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ২৪, ২০১৯

হারুন অর রশিদ(রিয়াদ),নিলফামারী জলঢাকা থেকেঃ

২০১২ সালে যাত্রা শুরু হওয়া নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলার দুন্দিবাড়ি ডাঙ্গাপড়ার “আলোর কণা”ও ২০১৮ সালে আলোকিত সমাজ গড়ার অঙ্গিকার প্রতিষ্ঠিত হওয়া দুন্দিবাড়ি মাইজালি পাড়ার জীবন তরী পাঠশালা শিক্ষা বিস্তারের এ যেনো বড় ধরনের এক প্রতিযোগিতা।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশাপাশি প্রাথমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের ঝড়ে পরা রোধ করতে, বিদ্যালয়ে শতভাগ শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করন, অভিভাবকদের সচেতনতা বৃদ্ধি করে ছাত্র ছাত্রীদের বিদ্যালয় মুখীকরন, মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চত করনে বিভিন্ন বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষদেরকে সচেতন করে আলোকিত সমাজ গড়ার জন্য এ যেনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিযোগিতা।

যেখানে প্রতিনিয়তোই ঝড়ে পরা ও সাধারন ছাত্র ছাত্রীর মাঝে সম্পুর্ন ফ্রি শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে।
প্রতিদিন যুক্তহচ্ছে সম্পুর্ন নতুন নতুন ফিচার যার মাধ্যমে সাধারণ ছাত্র ছাত্রীর পড়াশুনার বিকাশ ঘটানোর পাশাপাশি ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অনন্য ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে জলঢাকার এই দুই সামাজিক সংগঠন।

ফ্রী পাঠ্যদান কর্মসূচী-র মধ্যদিয়ে সাধারন ছাত্রী/ছাত্রী ও অবিভাবকের দৃষ্ঠিগোচর ইতিমধ্যেই করেই ফেলেছে এ দুই প্রতিষ্ঠান।
যার কার্যক্রম প্রগতিশীল নদীর মতো চলমান।

দুটি প্রতিষ্ঠান আলাদা আলাদা যায়গায় হলেও সরেজমিনে যেয়ে দেখা যায় এখানে যারা শিক্ষা নিতে এসেছে এরা সবাই আশপাশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।
১ম ও ২য় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছাড়াও বিভিন্ন বিদ্যালয়ের ৩য়, ৪র্থ ও ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীরাও তাদের সেবাসমুহ পাচ্ছে। তাছাড়া উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে এখানে যেসব শিক্ষক/ শিক্ষীকা বিনামূল্যে পাঠদান করাচ্ছেন তারা সবাই উচ্চ মাধ্যমিক ও স্নাতক পর্যায়ের কোন না কোন কলেজের শিক্ষার্থী যেটা বর্তমান সামাজে খুব কম দেখা যায়।

উপরোক্ত বিষয় ছাড়াও
শিক্ষার্থীদের উৎসাহ প্রদানে কুইজ প্রতিযোগিতা, সুন্দর হাতের লেখা প্রতিযোগিতা,কবিতা আবৃত্তি, চিত্রাঙ্কন, প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

দরিদ্র পরিবারের স্কুল ও কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের বই কিনে দিয়ে সহযোগিতা করার অবদানো কম নয় এ দুই সামাজিক সংগঠন ” আলোর কণা” ও “জীবন তরী”-র।

সমাজের অসহায় ও দুঃস্থ পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী দেওয়া, বিভিন্ন ফলের চারা গাছ ও শীতবস্ত্র বিতরণেও অসামান্য অবদান রেখে চলেছেন আলোকিত সময়. কম কে এমনটি বললেন স্থানীয়রা।


এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

মুজিব বর্ষ

Pin It on Pinterest