বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে তৃণমূল নেতাকর্মীদের নিয়ে মাঠে কাজ করে যাচ্ছেন এম পি রুবিনা আক্তার মিরা।

প্রকাশিত: ৬:০৭ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ২৯, ২০১৯

বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে তৃণমূল নেতাকর্মীদের নিয়ে মাঠে কাজ করে যাচ্ছেন এম পি রুবিনা আক্তার মিরা।

আলোকিত সময় ডেক্সঃ বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারণ করে রাজপথের লড়াকু সৈনিক রাজপথে মিছিলের প্রথম সাড়িতে থাকা সেই কিশোরী এখন বরিশালের সংরক্ষিত আসনের মহিলা এমপি। বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে (উজিরপুর-বানারীপাড়া) নিয়ে গঠিত বরিশাল -২ আসনে আ’লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে তিনি ছিলেন প্রথম সারিতে। দল থেকে তিনি মনোনয়ন না পেলেও দলের জন্য কাজ করেছেন দিনরাত।

শীতের সকালে, দুপুর, রাতে মটরবাইক নিয়ে চষেবেড়িয়েছেন উজিরপুর-বানারীপাড়া উপজেলার পথে -প্রান্তে লোকালয়ে। উঠান বৈঠক করেছেন নারীদের নিয়ে নৌকা প্রতীকের জয়ের লক্ষে। সেই পরিশ্রমের মুল্যায়ন পেয়েছেন তৃনমুলের এই নেত্রী।

দলের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ত্যাগের পুরুস্কার হিসাবে তাকে বরিশালের সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদেস্য হিসাবে মনোনিত করেছেন। তিনি (সৈয়দা রুবিনা আক্তার মীরা ) এখন জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি। উজিরপুর-বানারীপাড়ায় রয়েছে তার ব্যপক জনসমার্থন। সংসদ সদস্য রুবিনা আক্তার মীরা যেন সেই আগের মতোই একেবারে একজন সাদামাটা মানুষ হিসেবে রয়েগেছেন।
তার মিষ্টভাষীতে মুগ্ধ সকল শ্রেণী পেশার মামুন। রুবিনা সাধারন একজন নারীর মতোই তার নির্বাচনী এলাকা উজিরপুর-বানারীপাড়ার মানুষের মুখে হাসি ফুটাতে ও এলাকার উন্নায়নে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। সামাজিক কাজেও নিজের যোগ্যতার প্রমান দিয়ে বেশ আলোচিত হয়েছেন অতি অল্প সমায়ের মধ্যেই। এ কারনে তাকে নিয়ে উজিরপুর-বানারীপাড়ার মানুষ নতুন করে স্বপ্ন দেখছে।আওয়ামী লীগের দু:সমায়ে রুবিনা ঢাকা রাজপথে নিজের জীবনবাজী রেখে দলের জন্য লড়াইও করেছেন। গ্রেনেড হামলায় নিজে আহত হয়েও অন্যনেতাদের রক্তাত্ব অবস্থায় উদ্ধার করে প্রাণ বাঁচাতে সক্রিয় ভুমিকায় ছিলেন। রাজনৈতিক মামলায় একাধিকবার জেল হাজতেও গিয়েছেন তিনি।
দেশ ও দলের প্রয়োজনে তিনি এক লড়াকু সৈনিক হিসাবে সর্ব মহলে প্রশংসিত ও পরিচিত। রাজনৈতিক জীবনে প্রথম নির্বাচিত এ জনপ্রতিনিধি দায়িত্ব পাওয়ার পর ধীরে ধীরে দলের নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সাধারন মানুষের মনজয় করে বরিশালসহ দখিনের জনপদে এক নতুন রাজনৈতিক মেরুকরন সৃষ্টি করতে যাচ্ছেন। বানারীপাড়া ও উজিরপুরের ইতোমধ্যে ব্যাপক উন্নয়ন মূলক কাজ করছেন, রাস্তা গাঁট, কালবার্ট, নদী ভাঙন রোধ, গাড়ী পারাপারের জন্য নতুন ফেরির ব্যবস্থা এবং অসহায় গরীব লোকদের যেকোনো সমস্যার কথা শুনলেই ছুটে যাওয়া, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, নারী শিক্ষার ভূমিকা সকলের মাঝে ছড়িয়ে দিতে। এছাড়াও বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের নিয়ে নানান ধরনের উন্নয়ন মূলক কাজের উদ্যোগ নিয়েছেন।


এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

মুজিব বর্ষ

Pin It on Pinterest