পঞ্চাশ হাজার টাকা দাবী করে ১৫ হাজার টাকায় রফাদফা

প্রকাশিত: ১১:২৩ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ৬, ২০১৯

পঞ্চাশ হাজার টাকা দাবী করে ১৫ হাজার টাকায় রফাদফা

রিয়াজুল ইসলাম : বৃহস্পতিবার রাজধানীর পল্টন থানায় এসআই আলামিন নকিব নামে সন্দেহভাজন এক ব্যক্তিকে ধরে থানায় এনে মারপিট করে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে ১৫ হাজার টাকা রেখে তাকে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঐ দিন ছিল বেগম খালেদা জিয়ার জামিন শুনানি। নিরাপত্তার চাঁদরে ঢাকা ছিল পুরো রাজধানী। যে যার মত তাদের কর্মস্থলে আসা যাওয়া করতে ছিল সাধারণ মানুষ। তেমনি করে নকিব নামে এক ব্যাক্তি পল্টনে তার কর্মস্থলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হয়ে সিন্ধেশ্বরী কালিমন্দির অতিক্রম করতে ছিল। এমতাবস্থায় পল্টন থানার এসআই আলামিন সন্দেহ ভাজন হিসেবে নকিবকে ধরে মটর সাইকেলে করে পল্টন থানায় নিয়ে যায়। নেয়ার পরে নকিব নিরীহ মানুষ জানতে পারার পরে তাকে পাশের রুমে নিয়ে বেধরক মারপিট করে তার মুখ থেকে মাদক ব্যবসার স্বীকারোক্তি আদায় করতে চেষ্টা করে ব্যার্থ হয়। কিন্তু নকিব একজন সাধারণ নিরীহ মানুষ, কেন সে মাদক ব্যবসার কথা স্বীকার করবে। এবারতো নকিবকে ছেড়ে দিতেই হবে। খালি হাতে না ছেড়ে এসআই আলামিনসহ ৪-৫ জন তাকে মারধর করে ৫০ হাজার টাকা দাবী করে। না দিলে তাকে মাদক মামলায় ফাসিয়ে দিবে বলে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। নকিব কোন উপায়ান্ত না পেয়ে ভোলার বোরহান উদ্দিনে তার গ্রামের বাড়িতে ফোন করে ১৫ হাজার টাকা ম্যানেজ করে দিলে এসআই আলামিন ওসির অজান্তে ১৫ হাজার টাকা নিয়ে নেয়। এরপর নকিবকে ওসি আবু বকরের রুমে নিয়ে যায়। ওসি তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে নিরাপরাধ জেনে নকিবকে ছেড়ে দেয়। এ ব্যাপারে এসআই আলামিনের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি টাকা নেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে বলে, নকিবকে সন্দেহভাজন হিসেবে ধরে নেয়া হয়েছিল। নেয়ার পরে সে নিরাপরাধ জানতে পারছি। থানায় নেয়ার পর কোন আসামীকে ওসি স্যারের অনুমতি ছাড়াতো আর ছাড়া যায়না। স্যার সন্ধার পর থানায় আসলে নকিবকে আমরা ছেড়ে দেই। এসআই আলামিন আরো বলে, আপনিতো একজন মিডিয়া কর্মী, অভিযোগ পাওয়ার পর ফোন করে জানতে চাইছেন এ জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আমার পাশ-ও একজন আছে দৈনিক যুগান্তরের সাংবাদিক। সমস্যা নেই আপনি নিউজ করতে পারেন বলে জানান।


এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

মুজিব বর্ষ

Pin It on Pinterest