ঢাকা ৩১ আগস্ট, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ | ১৬ ভাদ্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১১:০০ অপরাহ্ণ, জুলাই ৫, ২০২১
সাইফুর রহমান শামীম, ,কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি।।
কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের পশ্চিমদেবত্তর গ্রামে ঈদকে সামনে রেখে ‘বাংলার টাইগার’ নামে ষাঁড় বিক্রির খবরে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছে গ্রামটি।কারণ এখানকার রাজিকুল ইসলামের খামারে রয়েছে ওই বিশাল আকৃতির ষাঁড়টি।যার নাম ‘বাংলার টাইগার’। স্বভাব শান্ত হলেও এর দেহ বিশাল আকৃতি ও কিছুটা বাঘের মতোই! ওজন প্রায় ৯০০-১০০০ কেজি হবে। এ পর্যন্ত ঈদুল আযহা উপলক্ষে কোরবানিকে ঘিরে দাম উঠেছে চার লাখ টাকা। তবে এর মালিক দাম হাকিয়েছেন ৫লাখ।ঈদকে সামনে রেখে ব্রিক্রি করা জন্য প্রস্তুত বাংলার টাইগার। রাজিকুল ইসলাম বলেন,প্রতিবছর গরুর হাটে গরু বিক্রি করা যায় দেখে শুনে। করোনায় লকডাউন থাকায় তা হচ্ছেনা। তবে লকডাউন উঠলে কোনো একটা হাটে বাংলার টাইগারকে নেয়া হবে। ওই বাংলার টাইগার হলো ফ্রিজিয়াম জাতের ষাঁড়। বয়স প্রায় চার বছর। কোরবাবানির উপযোগী হওয়ার ষাঁড়টি বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এতে এলাকায় মানুষের যথেষ্ট সাড়া পড়েছে। প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে বাড়িতে এসেই দাম হাঁকাচ্ছেন ক্রেতারা। অনেকেই বাংলার টাইগারকে এক নজর দেখতে ভিড় করছেন। তিনি আরো বলেন, কোনো প্রকার ক্ষতিকর ট্যাবলেট ও ইনজেকশন ছাড়াই সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে প্রাকৃতিক খাদ্যে ষাঁড়টিকে এ পযার্য়ে আনা হয়েছে। ষাঁড়টিকে খড়, জার্মানির তাজা ঘাস, খৈল ভূষি, চালের কুড়া, ভুট্টা,ভাতসহ পুষ্টিকর খাবার খাওয়ানো হয়। এছাড়াও নিয়মিত খাবার, গোসল করানো পরিষ্কার ঘরে রাখা, তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা ও রুটিন অনুযায়ী ভ্যাকসিন দেয়াসহ চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া হচ্ছে। খাবারসহ প্রতিদিন এ ষাঁড়টির পেছনে ৪০০ টাকার ওপর খরচ হয়।ষাঁড়টিকে দেখতে আসে অনেক মানুষ। দেখতে আসা আলতাফ হোসেন বলেন, এত বড় গরু সাধারণত হাটে দেখতে পাওয়া যায় না। তাই ‘বাংলার টাইগারের’ খবর শুনে তিনি দেখতে এসেছি। বাড়িতে লালন পালন করা গরুর ষাঁড় এতো বড় হতে পারে তা দেখেই হতবাক হয়েছেন তিনি।এ বিষয়ে রাজারহাট উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ড: মো: জোবায়দুল কবীর বলেন, দীর্ঘদিন ধরে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন স্বাস্থ্যসম্মত ও নিরাপদের জন্য বিভিন্ন নির্দেশনা ও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বাংলার টাইগারের মালিক রাজিকুল ইসলামকে। সে হিসাবে লালন পালন করে সফলও হয়েছেন এ খামারী।
© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০ Developed By Agragami HOST