মির্জাগঞ্জে শীতের তীব্রতায় বিপর্যস্ত জনজীবন – গরম কাপড়ের দোকানে ক্রেতাদের ভীড়

প্রকাশিত: ৪:০৫ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ২৮, ২০১৯

মির্জাগঞ্জে শীতের তীব্রতায় বিপর্যস্ত জনজীবন – গরম কাপড়ের দোকানে ক্রেতাদের ভীড়

কামরুজ্জামান বাঁধন, ষ্টাফ রিপোর্টারঃ পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে জেঁকে বসেছে শীত। উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে বয়ে আসা হিমেল হাওয়ার সাথে পৌষের  গুড়ি গুড়ি বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় গরম কাপড় কেনার ধুম পড়েছে উপজেলা শহর সুবিদখালী বাজারের বিপনি বিতানগুলোতে। আর সন্ধ্যার পর পরই শীতের তীব্রতা বাড়তে থাকায় জনশূন্য হয়ে পড়ছে রাস্তাঘাট ও বিপণি বিতান সমূহ। গতকয়েকদিন যাবত মৃদু শৈত্যপ্রবাহ কারনে মানুষের স্বাভাবিক কাজ-কর্ম বিঘিœত হয়ে,বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। সন্ধ্যা হওয়ার সাথে সাথে বাড়তে থাকে হিমেল বাতাস ও শীতের তীব্রতা। গতবৃহঃস্পতিবার রাত ৯টার পর থেকে শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত বিরামহীন গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি আর শৈত্যপ্রবাহে শীতের তীব্রতা বেড়ে যায় কয়েকগুন। হাড় কাঁপানো শীত থেকে রক্ষা পেতে সাধারন মানুষজন সাধ্যমত গরম কাপড় গায়ে জড়িয়ে কান টুপি ও গলায় মাফলার পেঁচিয়ে ঘর থেকে বাইরে বের হচ্ছেন। সন্ধ্যার পর পরই জনশূন্য হয়ে পড়ছে রাস্তাঘাট আর অনেক ক্রেতার অভাবে দোকান বন্ধ করে দিচ্ছেন দোকানদাররা। উপজেলা শহর সুবিদখালী বাজারসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে,বিপনি বিতানগুলোতে গরম কাপড় কিনতে উচ্চ আয়ের মানুষদের সমাগম ঘটলেও নিম্ন ও মধ্যবিত্ত ক্রেতারা ভীড় করছেন টং দোকানগুলোতে। বিভিন্ন দোকানের সামনে ভ্যানে ও টং দোকানগুলোতে শীতবস্ত্রের পসরা সাজিয়ে বসে আছেন ব্যবসায়ীরা। এসব দোকানগুলোতে শীতের সোয়েটার,জ্যাকেট,কম্বল,হাতমোজা ও মাফলারসহ শিশুদের বিভিন্ন ডিজাইনের রং বেরং এর পোশাকসহ শীতের আনুষাঙ্গিক সামগ্রী স্বল্পমূল্যেই পাওয়া যাচ্ছে। বেলা বাড়ার সাথে সাথে শীত ও বাতাসের তীব্রতা একটু কমলেই সন্ধ্যা পর্যন্ত বিপনি বিতানসহ ফুটপাতের দোকান ক্রেতাদের পদচারনায় মুখরিত হয়ে উঠছে। সুবিদখালী বাজারের সততা ভ্যারাইটিজ ষ্টোরের বিক্রয়কর্মী মো.তানিম জানান, শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় বিগত বছরগুলোর তুলনায় এবার ৩ থেকে ৪ গুন বেশী শীতবস্ত্র বিক্রয় হচ্ছে।শীতের পোশাকের পাশাপাশি একেকজন ক্রেতা ২/৩ জোড়া অতিরিক্তি মোজাও কিনছেন। শীতবস্ত্র কিনতে আসা মো.রফিকুল ইসলাম বলেন,বর্তমানে মার্কেট থেকে ভালো মানের একটি জ্যাকেট কিনতে গেলে সর্বনি¤œ ১হাজার ২’শ থেকে ২হাজার ৫’শ পর্যন্ত টাকা লাগে কিন্তু এই টং দোকানগুলোতে অনেক সময় ৬০০ থেকে ৮০০/৯০০টাকায় মোটামুটি ভালো মানের জ্যাকেট বা সোয়েটারসহ শীতের বিভিন্ন সামগ্রী কমমূল্যে পাওয়া যায়।এজন্য কম দামে নিজের পছন্দমতো গরম কাপড় কিনতে এসেছি।


মুজিব বর্ষ

Pin It on Pinterest