মোঃ হাইরাজ বরগুনা প্রতিনিধি।। বরগুনার তালতলী উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নের ভেদুরিয়া এলাকার বাসিন্দা খলিল প্রলয়ংকারী ঘুর্ণিঝড় সিডরের সময় ছিলেন নদীর পারের আসারচর এলাকায় । ২০০৭ সালের১৫ নভেম্বর উপকুলে প্রচন্ড গতিবেগে আঘাত হানে প্রলয়ংকরী ঘুর্ণিঝড় সিডর। সেচ্চাসেবক জয়দেব দত্ত বরগুনার তালতলী উপজেলায় বারবার সিডরের আগাম সতর্ক বার্তা ও নিরাপদ আশ্রয়ের কথা বললেও আমলে নেন নি অনেকে। আশ্রয় কেন্দ্র না যাওয়ার কারণে কত বড়ই না খেসারত দিতে হয়েছে খলিলের মত অনেক কে। খলিল হারিয়েছেন স্ত্রী’সন্তান’বাবা’মা, সহ পরিবারের ১১ জন সদস্য , সব হারিয়ে একেবারে নিঃস্ব হয়ে পরে খলিল,এ শুধু খলিল নয় এ রকম অনেক মানুষ রয়েছে এ উপজেলায় যারা আবহাওয়ার সতর্ক বার্তা পেয়েও হেলায় ফেলায় উড়িয়ে দিয়েছেন সেচ্ছাসেবীদের কথা। আজ তারা স্বজন হারিয়ে সেই হেলাফেলার চরম খেসারত দিয়েছেন প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড় সিডরে । তারপর ঘুর্ণিঝড় আইলা, মহাসেন, কোমেন, আঘাত হানলেও ঘুর্ণিঝড় বুলবুলের সময়, উপজেলা প্রশাসন ও সেচ্ছাসেবীরা,পায়রা পারের অনেক মানুষকে বারবার তাগিদ দেওয়ার পরে অনেকে আশ্রয় কেন্দ্র আসেন নি। ঘুর্ণিঝড় আম্ফানের প্রভাবে উপকুলীয় এলাকায় প্রচন্ড ভ্যাপসা গরম বিরাজ করছে। যেমনটি ছিল ঘুর্ণিঝড় সিডরের সময়। তাই অনেকে আশংকা করছেন ঘুর্ণিঝড় আম্ফান সিডরের ভয়াবহতা ছাড়িয়ে যেতে পারে। তারপরও অনেকের আশ্রয় কেন্দ্র যাওয়ায় অনিহা। খোট্টার চরের বাসিন্দা কালা ইউসুফ বলেন, আশ্রয় কেন্দ্র যাইয়া কি হরমু? মরন আইলে লোহার সিন্ধুকের মধ্যেও আটকাইয়া রাহা জাইবেনা। মরণ আইলে সবখানেই আইবো আল্লাহয় যদি বাঁচাই রাখে তা হলে বাইচ্যা থাকমু নইলে মইরা জামু। মুই ঘড় থুইয়া যামু আর চোর মোর সবকিছু চুরি হরবে। তাই মুই কোন হানে যামুনা। তবে এ বিষয় তালতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন বেরি বাঁধের বাইরে কেহ থাকতে চাইলে তাদের বুঝিয়ে আশ্রয় কেন্দ্র নিয়ে আসাহবে হবে। তারপরেও যদি কেউ আশ্রয় কেন্দ্রপ যেতে না চায়, প্রয়োজন বল প্রোয়গ করে তাদের আশ্রয় কেন্দ্র নিয়ে আসা হবে।