শফিউর রহমান কামাল বরিশাল ব্যুরোঃবরিশালের উজিরপুরে হারতা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হরেন রায় ও মেম্বারদের বিরুদ্ধে মৎস্যজীবীদের সহায়তা কার্ডের চাল আত্মসাতের তৃতীয় বারের মত আরো একটি অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। আর কত অভিযোগ হলে এই ধরনের লোভী চেয়ারম্যানের বিচার হবে। এর প্রতিকার চেয়ে ৯ নং ওয়ার্ডের ভুক্তভোগী মৎস্যজীবীরা সাংবাদিকদের ক্যামেরায় ভিডিও সহকারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে দাবি করেন যে তারা ২০১৬ মৎস্য কার্ড পেয়েছে, কিন্ত দুই, একবার চাল পাওয়ার পরে আজ পর্যন্ত এই মহামারী করোনা ভাইরাসের মাঝেও আজ পর্যন্ত তারা কোন চাল পায়নি।অনেকে আবার একবারও পায়নি অভিযোগ কারিরা হলেন ১।মোঃ শামিম বেপারি (দুলাল), ২। মোঃ হালিম শেখ ৩। ইউনুস বেপারী ৪।মানিক শেখ ৫। কাইউম হাওলাদার ৬। মিজান শেখ অভিযোগ করে বলে যে, আমাদের প্রতি মাসে সরকারী বরাদ্দ কৃত ৪০ কেজি করে চাল আছে জানতে পেরেছি। আমরা ৯ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা আমাদের মেম্বার মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন তালুকদার তিনি আমাদের অনেকের কার্ড নিয়ে গিয়েছে। এবং জিজ্ঞেস করলে বলেন যে তোমরা সকলে কিছু দিনের মধ্যে মৎস্য কার্ডের চাল পাবে। আজ পর্যন্ত আমরা বর্তমান মহামারি করোনাভাইরাসের মধ্যে কোন মৎস্য কার্ডের চাল বা সরকারি ত্রান সামগ্রী পাইনি। আমাদের জীবন যাপনের এখন খুব করুন অবস্থা। তাই আমরা সকলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে দাবি জানাই যে আমাদের মৎস্য কার্ড থাকা সত্তে ও কেন মৎস্য কার্ডের চাল পাচ্ছি না এবং আমাদের এই দাবি যেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌছাঁনোর ব্যবস্থা করেন।মৎস্যজীবিরা এর আগে UNO বরাবর একখানা দরখাস্ত দিয়েছিলেন তাতে তারা উল্লেখ করেছিলেন যে,তাদের ২বারে ৪০ কেজি করে ৮০কেজি চাল দেওয়ার কথা থাকলেও ৩০ কেজি করে ২বারে ৬০কেজি চাল দেয়া হয়। প্রতি জন থেকে ২০ কেজি চাল আত্মসাৎ করা হয়।