বরগুনার তালতলীতে গনধর্ষন মামলার প্রধান আসামি ইমদাদুলকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
বুধবার (৬মে)সকাল ৯ টার দিকে উপজেলার নিদ্রারচর এলাকা থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের একটি টিম অভিযান চালিয়ে ইমদাদুল (৩৫)কে গ্রেফতার করে।
মামলা সূত্রে জানা যায় গত ২৩ এপ্রিল জনৈক গৃহবধূ তার কন্যা সন্তানকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার শাপলেজা গ্রাম থেকে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর গ্রামে খালাবাড়ি রওনা দেয়। শ্বশুর বাড়ি থেকে পাথরঘাটা খেয়া পাড় হয়ে তালতলী শুভসন্ধ্যা ঘাটে পৌছে। ভাড়ায় চলিত মোটরসাইকেলে নিশানবাড়িয়া খেয়াঘাটের উদ্দেশ্যে রওনা করে। মোটরসাইকেল ড্রাইভার অভিযুক্ত জহুরুল আকন তাদেরকে নিয়ে নির্জন জঙ্গলে নিয়ে । ৪/৫ জন বখাটে মিলে তার কন্যা সন্তানকে গাছের সাথে বেঁধে রেখে মাকে গণধর্ষণ করে। এ ঘটনায় গৃহবধূ বাদী হয়ে তালতলী থানায়।
(১লা মে) একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন, গৃহবধূর অভিযোগ ধর্ষণ চেষ্টা মামলা নেয় তালতলী থানা পুলিশ। এদিকে ধর্ষন চেষ্টা মামলা নেওয়ার বিভিন্ন পত্রিকায় গনধর্ষনের নিউজ প্রকাশিত হলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় ওঠে । এর পরেই র্যাবের বিশেষ অভিযানে মামলার অন্যতম আসামি জহিরুলকে (২ মে) শনিবার বরগুনার দক্ষিণ বালিয়াতলি এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে জহিরুল নিজেই গনধর্ষন হয়েছে বলে র্যাবের কাছে স্বীকার করেন । এদিকে (৫ মে) এ মামলার চতুর্থ আসামী নজরুল গাজীকে পুলিশ গ্রেফতার করে। এনিয়ে এ মামলার তিন আসামীকে গ্রেফতার হয়েছে।
তালতলী থানার ভারপ্রার্প্ত কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান মিয়া বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গৃহবধু ধর্ষন চেষ্টা মামলার প্রধান আসামি ইমাদুলকে গ্রেফতার করা হয়। এ নিয়ে মামলার তিন আসামিকে গ্রেফতার হয়েছে । বাকি দুই আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে