বরিশালের ত্রাণের চাউল বিক্রির সংবাদ প্রকাশ করায় ।। সাংবাদিকদের উপর হামলা

প্রকাশিত: ৪:০৯ অপরাহ্ণ, মে ৭, ২০২০

বরিশালের ত্রাণের চাউল বিক্রির সংবাদ প্রকাশ করায় ।। সাংবাদিকদের উপর হামলা
শফিউর রহমান কামাল, বরিশাল ব্যুরো
বরিশালের উজিরপুরে সরকারি খাদ্য অধিদপ্তরের চাল বিক্রির সংবাদ প্রকাশ করায়
জাতীয় দৈনিক একুশে সংবাদ ও আলোকিত সময় অনলাইন পত্রিকার উজিরপুর প্রতিনিধি, সাংবাদিক মোঃ শফিকুল ইসলাম শামীম উপর হামলা চালিয়েছে হারতা ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান ডাক্তার হরেনের নিদর্শে তার পুত্র বরুন রায় ও তাহার সাথে থাকা সন্ত্রাসীরা…..।
বুধবার বেলা আনুমানিক সাড়ে ১১.৩০ টার দিকে হারতা বাজারে প্রকাশ্যে এই হামলা চালায়। জানা গেছে সরকারের খাদ্য অধিদপ্তরের পরিচালিত ফেয়ার প্রাইসের ১০/- মুল্যের চাল ও মৎস্য জিবি কার্ডধারীদের মাঝে বিতরণ না করে কালো বাজারে বিক্রি করছেন ইউপি সদস্য মোহাম্মদ ফারুক হোসেন তালুকদার ইউপি সদস্য মনিন্দ্রনাথ মল্লিক ও চেয়ারম্যান ডাক্তার হরেন রায় হারতা বন্দরের অমল সাহা ও তাহার ছেলে শিপ সংকর সাহা দিপু এদের কাছে বিক্রি করেছেন গোপন সংবাদে ভিত্তিতে জানতে পায় গত ২৫/০৩/২০ ব্যাবসায়ীর বসত ঘরে চাল এর সন্ধান পাওয়া যায়। পরে বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনকে জানায় সাংবাদিক চাল চুরির বিষয় নিয়ে একাধিক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। সেই চাল চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে হারতা ইউপির চেয়ারম্যান হরেন সাংবাদিক শামীমকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি, ধামকি ও মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখান। এমনকি চেয়ারম্যানের পুত্র বরুন রায় শামীমকে হত্যার হুমকি দিলে কোন উপায় না পেয়ে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে গত ৩০/৪/২০২০ ইং উজিরপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন সাংবাদিক মোঃ শফিকুল ইসলাম শামীম।
যাহার জিডি নং ৮৬৯, তারিখ ৩০-৪-২০ ইং। এমন কি ৫.৪.২০২০ইং তারিখ মাননীয় বরিশাল বিভাগীয় পুলিশ কমিশনার বরাবর বেশ কিছু তথ্য দাখিল করা হয়েছে এর পরের দিনে থানায় জিডি করা হয়েছে এমন সংবাদে শামীমের উপর তীব্র ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে চেয়ারম্যান ও তার গুন্ডা বাহিনী।শামীমকে মারধর করার জন্য হন্য হয়ে খুজতে থাকে।
বুধবার বেলা আনুমানিক সাড়ে ১১.৩০ টার দিকে সংবাদ সংগ্রহ করতে হারতা বাজারে গেলে চেয়ারম্যানের পুত্র সহ তার গুন্ডা বাহিনী সাংবাদিক শামীমের উপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে তাকে মারধর করে চেয়ারম্যানের পুত্র বরুন রায় ও তাহার সাথে ৩/৪ জন থাকা এমন অমানবিক কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবি করেছেন স্থানীয় সাংবাদিক মহল ও এলাকা বাসি।হামলার পরে তিনি উজিরপুর মডেল থানায় গিয়ে পুলিশ কর্মকর্তাদের
বিষয়টি লিখিত অভিযোক করে তারা এ বিষয়ে তদন্ত করে ব্যাবস্হা নিবে বলে আশ্বাস দেন চিকিৎসা নিয়ে নিজ ঘরে ফিরে যান।এরপর তিনি উজিরপু স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ চিকিৎসা নিয়ে করোনার আতঙ্কে বাড়ী ফিরে যান।

Pin It on Pinterest