ডাংধরায় বেড়েই চলেছে চোরের উপদ্রব, শ্যালো মেশিন সহ দুই চোর আটক

প্রকাশিত: ৩:৫৮ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ২৪, ২০২২

ডাংধরায় বেড়েই চলেছে চোরের উপদ্রব, শ্যালো মেশিন সহ দুই চোর আটক

দেওয়ানগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধিঃ আজ শনিবার ২৩ এপ্রিল ২০২২ জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সানন্দবাড়ী পিআইসির আওতাধীন ডাংধরা ইউনিয়নের বাঘারচর ব্যাপারীপাড়া গ্রামের দুইজন শ্যালো মেশিন চোরকে আটক করেছে এলাকাবাসী। স্থানীয় সুত্রে জানা যায় গত ২২ এপ্রিল ২টি মেশিন, তার ৩দিন আগে ১টি মেশিন সহ কয়েক দিনের ব্যবধানে গ্রাম হতে প্রায় ১০ থেকে ১২টি শ্যালো মেশিন হারিয়ে যায়। এতে মেশিন খোঁজে নামেন মালিক পক্ষ। খোঁজের এক পর্যায়ে গতকাল ২২ এপ্রিল রাতে পাথরেরচর বাজারের ভাঙ্গারী ব্যবসায়ী, চেংটিমারী গ্রামের ইয়াকুব আলীর পুত্র ফজলুল হকের ভাঙ্গারীর দোকানে সন্ধান মেলে ৩টি মেশিন। পরে বিষয়টি ডাংধরা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ আজিজুর রহমানকে অবহিত করলে স্থানীয় মেম্বার ও চৌকিদার দ্বারা চুরি হওয়া মেশিন ৩টি এবং ফজলুল হকের ভাষ্যমতে দুইজন চোরকে আটক করে ডাংধরা ইউনিয়ন পরিষদে আনা হয়। আটককৃত চোর দু’জন হলো বাঘারচর ব্যাপারী পাড়ার রফিকুল ইসলামের পুত্র নয়ন(২২) ও ওমর গাজীর পুত্র শরবত আলী(২৫)। ডাংধরা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও জনগণের সামনে চোরদ্বয় নিজেদের দোষ স্বিকার করে বলে শফিকুল ইসলামের পুত্র মাইদুল(৩০) ও শাহ আলীর পুত্র জামে (২৩) নামীয় দুইজন তাদের সাথে চুরি কাজে সাহায্য করে। বর্তমানে তারা পলাতক রয়েছে।


মেশিন মালিকদের দাবির প্রেক্ষিতে চোরদের আশ্রয়দাতা ভাঙ্গারী ব্যবসায়ী ফজলুল হককে পনেরো হাজার টাকা জরিমানা ও তিনটি মেশিন সচল করার নির্দেশ দেন ডাংধরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান। ধৃত চোরদ্বয় একে অপরকে চড় থাপ্পর দিয়ে ক্ষমা পায়। পলাতক চোরদের পরবর্তীতে বিচারের আওতায় আনার নির্দেশ দেয়া হয়। ডাংধরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ আজিজুর রহমানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন – মেশিন মালিক গণ বাদী না হওয়ায় মামলা দায়ের করা হয়নি, তাদের দাবি অনুযায়ী চোরদের একে অপরকে চর থাপ্পড় মেরেছে এবং ভাঙ্গারী দোকানদার ফজলুল হক কে মেশিন ৩টি সচল করে দেওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে সানন্দবাড়ী পিআইসি’র পুলিশ পরিদর্শক জোয়াহের হোসাইন খান মুঠোফোনে বলেন- বিষয়টি ইউপি চেয়ারম্যান স্থানীয় ভাবে মিমাংসা করার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া কথা বলেছেন। এখন পর্যন্ত আমাদের কিছু জানানো হয়নি। একাধিক এলাকাবাসী বলেন ভাঙ্গারী দোকানদার ফজলুল হক চোরদের লালন পালন করেন এবং অল্প দামে এসব চোরাই মেশিন ক্রয় করেন। বাঘারচর ব্যাপারি পাড়ার ঔষধ ব্যবসায়ী জামাল হোসেন বলেন- গত ২৬ মার্চ ১টি মটরসাইকেল ও ২৮ মার্চ আমার ১টি মটরসাইকেল সহ আরও ২ টি মটরসাইকেল চুরি হয়, আমি সানন্দবাড়ী পিআইসি’তে অভিযোগ করছি। এসব চোরের মদদদাতা ও আশ্রয় দাতাকে খুজে বের করে বিচারের আওতায় আনতে হবে।


মুজিব বর্ষ

Pin It on Pinterest