আগামী ৮ ডিসেম্বর বরিশাল মুক্ত দিবসে মহানগর আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন ঘিরে সাজ সাজ রব পড়েছে।

প্রকাশিত: ১:১৯ পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ৮, ২০১৯

আগামী ৮ ডিসেম্বর বরিশাল মুক্ত দিবসে মহানগর আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন ঘিরে সাজ সাজ রব পড়েছে।

মোঃ শফিউর রহমান কামাল বরিশাল ব্যুরোবিমানবন্দর থেকে সম্মেলনস্থল নগরীর বঙ্গবন্ধু উদ্যান পর্যন্ত শতাধিক দৃষ্টিনন্দন তোরণ নির্মাণ করা হয়েছে। এছাড়াও নানা রংয়ের পতাকা, বিলবোর্ড, ব্যানার, ফেস্টুন দিয়ে নবরূপে সাজানো হয়েছে প্রাচ্যের ভেনিসখ্যাত বরিশাল নগরীকে। এতে নগরী যেন এক নববধূর রূপ নিয়েছে। নগর ভবন কর্তৃপক্ষও অতিথিদের সামনে পরিচ্ছন্ন নগরী উপহার দিতে দিনরাত চেষ্টা করে যাচ্ছে। নেতাকর্মীদের মধ্যে বিরাজ করছে বাড়তি উৎসাহ-উদ্দীপনা। বলা চলে সম্মেলন আয়োজনকে কেন্দ্র করে নির্ঘুম রাত পাড় করছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা। সবকিছু মিলিয়ে মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলন ঘিরে বরিশাল এখন উৎসবের নগরীর। আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল নেতারা বলছেন, শুধু বাহ্যিক সাজসজ্জাই নয়, সম্মেলনের মাধ্যমে একটি পরিচ্ছন্ন এবং সাংগঠনিকভাবে যোগ্য কমিটি উপহার দেবেনে তারা। আওয়ামী লীগ সভাপতির শুদ্ধি অভিযানের প্রতিফলনও মহানগর আওয়ামী লীগের নতুন কমিটিতে থাকবে বলে প্রত্যাশা তাদের। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী শনিবার নগরীর ঐতিহাসিক বঙ্গবন্ধু উদ্যানে মহানগর আওয়ামী লীগ এবং পরদিন ৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিলো জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে জেলা কমিটি তাদের আওতাধীন উপজেলা এবং পৌরসভায় সম্মেলন শেষ করতে পারেনি। এ কারণে ৮ ডিসেম্বরের জেলা কমিটির সম্মেলন স্থগিত করা হয়েছে। মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলন ৮ ডিসেম্বর বরিশাল মুক্তি দিবসে পুননির্ধারন করা হয়েছে। সম্মেলন সফল এবং স্মারণীয় করে রাখতে পক্ষকাল আগে থেকেই মাঠে নেমে পড়েন মহানগরীর নেতারা। বরিশাল বিমানবন্দর থেকে সম্মেলনস্থল নগরীর বঙ্গবন্ধু উদ্যান পর্যন্ত মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে ৫৫টি দৃষ্টিন্দন তোরণ নির্মাণ করা হয়েছে। এছাড়াও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতা এবং দলীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের উদ্যোগেও নির্মিত হয়েছে আরও অর্ধশতাধিক তোরন। মহানগর আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক অ্যাডভোকেট গোলাম সরোয়ার রাজিব জানান, সম্মেলনের প্রধান অতিথিসহ কেন্দ্রিয় নেতারা বিমানযোগে বরিশাল আসবেন। তাদের স্বাগত জানাতে বিমানবন্দর থেকে সম্মেলনস্থল পর্যন্ত শতাধিক তোরণ নির্মাণ ছাড়াও নগরীর প্রধান প্রধান সড়কে আলোকসজ্জা, সড়কের পাশে কেন্দ্রিয় ও স্থানীয় নেতাদের ছবিসহ ব্যানার, ফেস্টুন, বিলবোর্ড এবং সড়কের আইল্যান্ডে নানা রংয়ের পতাকা স্থাপন করা হয়েছে। নগরীও সাঁজানো হয়েছে নবরূপে। সম্মেলনস্থলে ৪ স্থর বিশিষ্ট ২ হাজার ৭শ’ স্কয়ার ফিটের মঞ্চ এবং ১০ হাজার লোকের বসার জন্য চেয়ারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।


মুজিব বর্ষ

Pin It on Pinterest