রবিউল ইসলাম রংপুর প্রতিনিধিঃ সারাদেশের ন্যায়ে প্রশাসন যখন করোনাভাইরাসের জন্য রংপুর, মিঠাপুকুরের, শহর গ্রামে লক-ডাইনের,পরিস্থিতি মোকাবেলায় হিমশিম খাচ্ছে,ঠিক তখনই তেতুলিয়া বাজারে চলছে অবৈধভাবে মেসার্স সীমান্ত মৎস্য হ্যাচারী এন্ড ফিড।যার মালিক জহিরুল ইসলাম (বাবলু মন্ডল) মোটা অংকের টাকা ওতার আখের ঘোচাতে ব্যস্ত। বলছেন এলাকাবাসী।প্রশাসের চোখে ফাঁকি দিয়ে তাই ভোর বেলা শুরু করেছে মাছের রেনু,ও পোনা বিক্রিয় কাজ।এতে করে এক দিকে যেমন প্রতারনা শিকার হচ্ছে মৎসচাষীরা,অন্য দিকে সামাজিক দুরত্ব না মানায়,সবার মাঝে করোনাভাইরাস ছড়াতে পারে মতব্য সচেতন মহলের,প্রসাশনকে ফাঁকি দিয়ে এমন প্রতারনার আর যাতে কেউ না করতে পারে,এমন মতব্য অসহায় মৎসচাষীদের। মৎস্য চাষীরা বলেন মাছের রেনু,নিয়ে পুকুরে মাছ চাষ করি, মোটা অংকের টাকা এনকাম করারর আশায়।এমন আশায় মাছের খাদ্য দেত্তয়া শুরু করি পুকুরে,কিন্তু মাছ বিক্রয় সময় মাথায় হাত দেত্তয়া ছাড়া আর কিছু করতে পারি না।শুধু মাছের খাদ্যের দামী দেত্তয়া সম্ভাব হয়না, আগে যে পুকুরে মাছের রেনু দিয়ে ৯০-১২০ দিনে মধ্যে মাছ বাজারজাত করতে পারতাম।কিন্তু সীমান্ত মৎস্য হ্যাচারী এন্ড ফিড,থেকে মাছের রেনু নিয়ে পুকুরে চাষ করলে তা সম্ভাব হয়না।এতে করে আমাদের অনেক ক্ষতি মুখে পরতে হয়,কোনো অভিযোগ নিয়ে হ্যাচারীতে গেলে ,হ্যাচারী মালিক আমাদের কোনো অভিযোগ শুনেনা, অল্টো তার নিজস্ব গুন্ডাবাহিনী দিয়ে আমাদেরকে লাঞ্ছিত করার চেষ্টা করেন।এমন অভিযোগের ভিত্তিতে সরেজমিনে মৎস্য হ্যাচারীতে উপস্থিত হলো হ্যাচারী থেকে সবাই পালিয়ে যায়।কিছুক্ষণ পর থেকে এক এক লোক জন হ্যাচারীতে আশা শুরু করে, তাদের ম্যধে কেউ বলে ভাস্তে, আবার কেউ পরিচয় দেয় মেয়ের জামাই,একজন পরিচয় দেয় সে নাকি হ্যাচারীর ম্যানেজার,তার কাছে মাছের রেনু উপাদনও ট্রেড লাইসেন্স কপি,মাছের রেনু বিক্রয়ের জন্য অনুমোদন কপি ম্যানেজারের কাছে দেখতে চাইলে,সে কাগজপত্র দেখাতে অস্বীকার করেন, কিছু ক্ষন কথা বলতে না বলতে, তার গুন্ডাবাহিনীর বাধার মুখে পড়তে হয় সাংবাদিকদের। এই বিষয় নিয়ে মৎসঅফিসারে সাথে কথা বলতে গেলে তার অফিস বন্ধ পাওযা যায়।এদিকে প্রশাসনে নজরদারী চান অসহায় মৎসো চাষীরা।