দাকোপ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হালচিত্র

প্রকাশিত: ১০:৩৭ অপরাহ্ণ, জুন ১৯, ২০২২

দাকোপ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হালচিত্র

গোলাম মোস্তফা খান,দাকোপ,খুলনা
দাকোপ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রতিদিন প্রায় ২০০ জন রোগি স্বাস্থ্য সেবা নিতে আসলেও হাসপাতালটিতে নিয়োগকৃক ৮ থেকে ১০ জন ডাকতার প্রতিদিন গরহাজির থাকার ফলে রোগিদের ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে থেকে অতি কষ্টে স্বাস্থ্য সেবা নিতে হয়।আর ৫০ শয্যা এ জনবহুল হাসপাতালটিতে প্রতিদিনই ১১০ থেকে ১১৫ জন রোগিকে ভর্তি থাকতে দেখা যায়, বাড়তি রোগিদের হাসপাতালের বারান্দায় রেখে স্বাস্ব্যসেবা দেওয়া হয়।হাসপাতালে নিয়মিত নার্সের সংখ্যা ২৫ জন, ২৫ জনই সিরিয়ালে ডিউটি দিয়ে থাকেন বলে হাসপাতাল কতৃপক্ষ দাবি করলেও কয়েকদিন যাবৎ সরেজমিন ঘরে দেখা যায় বাস্তবে নিয়মিত ২৫ জন আসেন না,এদের এবং সুইপারদের পর্যন্ত বহিরাগত মহিলা বেতনে রেখে তাদের দিয়ে অপারেশন থিয়েটার সহ বিভিন্ন সেবামুলক কাজে ব্যবহার করা হয়।আর দীর্ঘদিন চাকরি করা কয়েকজন নার্সের রোগি ও অভিভাবকদের সাথে খারাপ আচারনের কথা এলাকার সকলের জানা যা নিয়ে এলাকায় বার বার তোলপাড় হয়েছে।বৃহত দাকোপসহ পার্শবর্তী রামপাল,বটিয়াঘাটা,পাইকগাছা,
কয়রার বেশ কয়েটি ইউনিয়নের মানুষ চালনা হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে থাকেন,ফলে এখানে সবসময় রুগিদের চাপ লক্ষ্য করা যায় একারনে এ হাসপাতালটিকে কমপক্ষে ১০০ শয্যা হাসপাতাল করার দাবি এলাকাবাসির।রোগি ১০০ জনের বেশি ভর্তি থাকায় দুরের এসব বাড়তি রুগিদের অতি কষ্টে বাইরে থেকে খাবার কিনে খেয়ে চিকিৎসা নিতে হয়,যদিও বাড়তি ৫/১০ জন রুগির খাবার কতৃপক্ষের নির্দেশে সরবরাহ করা হয়ে থাকে। খারারের মান নিয়ে সারাবছর নানা জনের নানা অভিযোগ মতামত থাকলেও সব থেকে বড় অভিযোগ বিগত আইলার পর এক টেন্ডারেই ৯/১০বছর যাবৎ এক চতুর ঠিকাদার বছরের পর বছর খাবার সরবরাহ করে আসছে।খুলনা ও ঢাকা অফিস ম্যানেজ করে নাকি এতবড় ঘাপলামারা সম্ভব হচ্ছে।আর সরেজমিনে খাবারের মান দেখা যায়,ছোট ছোট পাঙ্গাস,ছোপ রুই,তেলাপোয়া ও বয়লার মুরগি।আর ২০০/৩০০ গ্রাম পানি পানি ডাল ২ বেলা চালানোর পরেও থেকে যায়। তবে পলটি ছোট পাংগাস ও তেলাপিয়া মাছ অধিকাংশ দিন দেওয়া হয় বলে অনেক রুগির অভিযোগ।এদিকে অফিস টাইমে রোগি দেখে টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে এলাকার মানুষের।যা নিয়ে ইতিমধ্যে কয়েকবার অপ্রিতিকর ঘটনারও উদভাব হয়। সার্বিক বিষয় আলাপ হয় দাকোপে দীর্ঘকাল চাকরিরত যিনি হাসপাতালের উন্নয়নের জন্য সরকারি,বেসরকারি অনেক অফিস ও ব্যাক্তির নিকট ধর্না দিয়ে দাকোপ হাসপাতালটিকে নানা অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি ও ভবনের কাজ করিয়ে সাজিয়েছেন হাসপালটিকে স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা ডাঃ মোজাম্মেল হক নিজামী,তিনি জানান আমার নিজ হাসপাতাল নিজ সম্পদ মনে করে তিলে তিলে সাজিয়েছি হাসপাতালটিকে,ইচ্চা করলে প্রমোশন নিয়ে অনেক আগেই বড় পদে চাকরি করতে পারতাম কিন্ত এলাকার মানুষ ও এ হাসপাতালকে ভালবেসে, হাসপাতালালের উন্নয়ন কর্যক্রম এগিয়ে নিতে আমি প্রমোশন নিয়ে সিভিল সার্জন হয়নি,বদলি বন্ধ করেছি বড় পদ না নিয়ে।আর মাত্র ৩/৪ মাস পরে আমার অবসর জিবন শুরু হবে।অবসরের পরও দাকোপ হাসপাতালের উন্নয়নে কাজ করে যাবো।


মুজিব বর্ষ

Pin It on Pinterest