দুমকিতে ফের পিয়াঁজ উধাও!

প্রকাশিত: ১০:২৫ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২৪, ২০১৯

দুমকিতে ফের পিয়াঁজ উধাও!
জসিম উদ্দিন দুমকি (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি|| লবন সংকটের গুজব কাটতে না কাটতেই পটুয়াখালীর দুমকিতে পাইকারী ও খুচরা মার্কেটের পিয়াঁজ উধাও হয়ে গেছে। পিরতলা বাজার ও নূতন বাজারের কোন দোকানেই পিয়াঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। ব্যবসায়ীরা বলছেন, মোকামে পিয়াঁজের দাম বেশী। বেশী দামের পিয়াঁজ এনে সরকার নির্ধারিত প্রতি কেজি ৫৫টাকায় বিক্রি করলে লোকসান দিতে হবে। এ কারণে কোন পাইকারের চালান না আসায় খুচরা বাজারে পিয়াঁজের সংকট দেখা দিয়েছে। পিরতলা বাজারের থানা ব্রিজস্থ মৌমিতা এন্টারপ্রাইজের মালিক মো: মেহেদী হাসান পলাশ মিয়া বলেন, উপজেলা শহরের পিরতলা বাজারের কোন দোকানেই পিয়াঁজ নেই। নতুন বাজারের আরতদার হক রাইস এজেন্সিতে লোক পাঠিয়েছিলাম। যেখানে পিয়াঁজ পাইকারী বিক্রি হয়। সেই আড়তও পিয়াঁজ শূণ্য। বাজারের সাধারণ ক্রেতারা হন্যে হয়ে পিয়াঁজ খুঁজে বেড়ালেও কেউ কোন দোকানে পিয়াঁজ পায় নাই। একই অভিযোগ শ্রীরামপুর গ্রামের স্কুল শিক্ষক আবদুস ছালাম মৃধার। তিনি বলেন, বাজারের সবগুলো মুদী দোকান খুঁজেছি। পরে বাইরের খুচরা বিক্রেতার দোকানে অন্যান্য মুদী মালামাল পাইলেও পিয়াঁজ পাওয়া যায় নি। তিনি বলেন, সরকার পিয়াঁজের দাম নির্ধারণ করে দেয়ার পর পরই বাজারে পিয়াঁজ ঊধাওয়ের ঘটনাটি রহস্যজনক। ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে একযোগে পিয়াঁজ বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছে বলে মনে হচ্ছে। পিয়াঁজ নেই কেন? এ প্রশ্নের জবাবে মেসার্স কাজী স্টোর্সের মালিক মো: মাহাবুব কাজী বলেন, মোকামে প্রতি কেজি পিয়াঁজের দাম ১৬০টাকা। বেশী দামের পিয়াঁজে লোকসানের ঝুঁকি রয়েছে তাই মালের জন্য অর্ডার দেয়া হয়নি। দোকানে যা ছিল তা গত ৩/৪দিনে বিক্রি হয়ে গেছে। এখন স্টক শূণ্য। পিরতলা বাজারের মহাজনী ব্যবসায়ী অনীল চন্দ্র সাহা বলেন, পিয়াঁজের সাপ্লাই নেই। মোকামের আড়ৎ পিয়াঁজ শূন্য। রবিবার চালান আসার কথা আছে। চালান আসলে খুচরা বাজারেও পিয়াঁজ পাওয়া যাবে। তিনি আরও বলেন, আজকে কোন গুদামেই পিয়াঁজ নেই। কেউ গুদামজাত করেছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের গুদামে নেই, অন্যদের গুদামে পিয়াঁজ আছে কিনা বলতে পরবো না।

মুজিব বর্ষ

Pin It on Pinterest