সাংবাদিককে হুমকি দেওয়ায় যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে থানায় ডায়েরি।

প্রকাশিত: ১০:৫৯ পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ৫, ২০১৯

সাংবাদিককে হুমকি দেওয়ায় যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে থানায় ডায়েরি।

নুপুর নাহার তাজ, খানসামা (দিনাজপুর) প্রতিনিধি, দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলা অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক খোলা কাগজের চিরিরবন্দর উপজেলা প্রতিনিধি এবং চিরিরবন্দর উপজেলা অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি দ্বীপ মোহাম্মদ মানিক হোসেন বিভিন্ন সময় খবর প্রকাশ করায় চিরিরবন্দর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি সুমন চন্দ্র দাস প্রকাশিত খবরের বিষয়ে কটুক্তিমূলক কথাবার্তা ও সমালোচনা করে আসছেন বলে অভিযোগ করেন মানিক হোসেন। এক পর্যায়ে গত ৩ ডিসেম্বর মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে চিরিরবন্দর উপজেলা চত্বরে সুমন চন্দ্র দাসের সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে বিভিন্ন ধরণের হুমকি মূলক ভয়ভীতি প্রদর্শন করে সাংবাদিক মানিক হোসেনকে। এবিষয়ে বুধবার (৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় চিরিরবন্দর উপজেলা অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি দ্বীপ মোহাম্মদ মানিক ও চিরিরবন্দর উপজেলা অনলাইন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল ইসলাম আসাদ সহ আরো কয়েকজন সাংবাদিকের স্বাক্ষরিত চিরিরবন্দর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি সুমন চন্দ্র দাস এর বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরি করে। সাংবাদিক দ্বীপ মোহাম্মদ মানিক হোসেন জানান, সুমন চন্দ্র দাস এবং তার দলবল নিয়ে গত ৩ ডিসেম্বর বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলা চত্বরে আমাকে এবং আমাদের অন্যান্য সাংবাদিকদের হুমকি ধামকি দেয়। হুমকি দেওয়ার পর আমাদের কয়েকজন সাংবাদিকদের রাস্তাঘাটে, হাটে বাজারে যেকোন জায়গায় একাকি পেলে মারপিটসহ বড় ধরণের ক্ষতি করার ভয় দেখায়। এই যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে একই অভিযোগ করে চিরিরবন্দর উপজেলার অন্যান্য সাংবাদিকবৃন্দও। দৈনিক আমাদেরসময় পত্রিকার চিরিরবন্দর উপজেলা প্রতিনিধি ও অনলাইন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল ইসলাম আসাদ বলেন, ‘সুমন চন্দ্র দাস আমার হাত পা ভেঙে দিবে। শুধু আমার হাত পা-ই না বরং আমাদের উপজেলার আঙ্গুর, মানিক, ভরত রায় প্রত্যয় এসব সাংবাদিকেরও হাত পা, ক্যামেরা ভেঙে দিবে বলে হুমকি দেয়।’ সাংবাদিক ভরত রায় প্রত্যয় জানান, ‘আমাদের হাত পা ভেঙে দেওয়ার নামের তালিকা চিরিরবন্দর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি সুমন চন্দ্র দাস করেছে মর্মে আমাকে হুমকি দেয়। আমাদের হাত পা ভেঙে দেওয়ার যে তালিকার কথা আমাকে বলেছে সেই তালিকা থেকে কেউ পা ধরে ক্ষমা চাইলেও নাকি এই কয়েকজন সাংবাদিককে ক্ষমা করা হবে না। শুধু তাই নয়, সুমন চন্দ্র দাস আরও বলেন, আমি দেখে নিব তোদের চারজন সাংবাদিকদের কোন বাপ এসে তোদের বাঁচায়।’ সাংবাদিককে গালিগালাজ করার সময় ঘটনাস্থলেই উপস্থিত ছিলেন চিরিরবন্দর উপজেলার আব্দুলপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আলিম সরকার। তিনি বলেন, ‘সাংবাদিক মানিক হোসেনকে সুমন চন্দ্র দাস আমার মুখের সামনেই হাত পা ভেঙে দেওয়ার হুমকি দেয়। সুমন দাস উপজেলার ছোট বড় কাউকেই মানে না। ক্ষমতার দাপটে সে এখন বিরাট নেতা হয়ে গেছে।’ এবিষয়ে চিরিরবন্দর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি সুমন চন্দ্র দাসের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। চিরিরবন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুব্রত সরকার বলেন, ‘চিরিরবন্দরের কয়েকজন সাংবাদিক থানায় এসে সুমন চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন।


মুজিব বর্ষ

Pin It on Pinterest