রাজিবপুরের মোহনগঞ্জে দোকানঘর কেনার পরেও মিথ্যা হয়রানি ও মারধর।

প্রকাশিত: ২:১৮ অপরাহ্ণ, জুন ২৮, ২০২১

রাজিবপুরের মোহনগঞ্জে দোকানঘর কেনার পরেও মিথ্যা হয়রানি ও মারধর।

রাজিবপুর কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ

কুড়িগ্রাম জেলার রাজীবপুর উপজেলার ৩নং মোহনগঞ্জ ইউনিয়নে প্রায় ৮ বছর আগে নয়াচর পুরাতন বাজারে নিজের জমিতে চার কক্ষ বিশিষ্ট টিন সেট ঘর তৈরি করে খালেক ব্যাপারী। খালেক ব্যাপারী কুড়িগ্রাম জেলার মোহনগঞ্জ ইউনিয়নের ভোটাং পাড়া গ্রামের বাসিন্দা। খালেক ব্যাপারীর কাছে আব্দুল রাজ্জাক সাক্ষীগণদের উপস্থিতে পাঁচ লক্ষ টাকা দিয়ে একটা ঘর কিনে নেয়, নয়ারচর পুরান বাজারে তিন শতক জমিসহ ২৭ হাত পূর্ব দোয়ারী ও ০৮ হাত টিনশেড ছাপড়া দক্ষিণ দোয়ারী। ৩০ বছর পর ২য় পক্ষের প্রদত্ত পাঁচ লক্ষ টাকা ফেরত দিতে না পারিলে উক্ত জমি ও ঘর রেজিঃ দলিল দিতে বাধ্য থাকিবে। এতদার্থে সেচ্ছায় সজ্ঞানে অমোর বিনা প্ররোচনায় পক্ষগন সুজন, রাশিদুলের নিকট দেখাইয়া পরাইয়া উক্ত চুক্তি পত্র ২০/০২/২০২১ইং করা হয়।
চুক্তিনামার প্রথম পক্ষ মোঃ সুজন মিয়া, মোঃ রাশেদুল ইসলাম, উভয় পিতা মোঃ আব্দুল খালেক,মাতা মোছাঃ রাবেয়া খাতুন।
সাং নয়ারচর ভোটাংপাড়া

চুক্তি নামার দ্বিতীয় পক্ষ মোঃ আব্দুর রাজ্জাক
পিতা মৃত জসমত আলী
মাতা মোছাঃ জহুরা খাতুন
সাং নয়ারচর ভোটাংপাড়া

পরিকল্পিত ভাবে তারা ১৫ – ২০ জন্য দলবল নিয়ে আব্দুর রাজ্জাক এর উপর হামলা করে সাথে হাতা-হাতির ঘটনা ঘটায় মারধর করে তার ছোট ছেলে কে পা ভেঙ্গে দিছে। উৎসুক জনতাই পুলপরে পুলিশের তৎপরতায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

আব্দুর রাজ্জাক সাংবাদিকদের জানান আমার বিরুদ্ধে যে নিউজ করা হয়েছে তা মিথ্যা বানোয়াট,তারা সাক্ষর দিয়ে আজকে আবার তারাই না শিকার করছে আর এজন্য আমি আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছি, আইনের মাধ্যমে সাক্ষর যাচাই করে কোটের মাধ্যমে যে সিদ্ধান্ত হবে সেটা যেন সঠিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

এ বিষয়ে ঢুষমারা থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন, আমি অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগ পেয়ে আমরা তদন্তের জন্য গেয়েছিলাম , উভয় পক্ষ মিমাংসা হওয়ার জন্য সন্মতি জানিয়েছে।
যদি তারা মিমাংসা না হয়। তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


alokito tv

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Pin It on Pinterest