ঢাকা ৩০ আগস্ট, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ | ১৫ ভাদ্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৫:৩৪ অপরাহ্ণ, জুলাই ৪, ২০২১
সাইফুর রহমান শামীম কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি : ০৪.০৭.২০২১
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাকির হোসেন বলেছেন, ব্রহ্মপুত্রের বাম ও ডানতীরের নদী পারের মানুষদের আর কাঁদতে হবে না। ব্রহ্মপুত্রের দু’পাশের যে সব স্থানে বিগত দিন ভাঙন ছিল, সে সব স্থানে ভাঙন রোধে ৩৭৯ কোটি ২৩ লাখ টাকার কাজ চলমান রয়েছে। যে সব স্থানে নতুন করে ভাঙন শুরু হয়েছে, সেখানে জরুরী ভিত্তিতে বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলানো শুরু করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, একনেকে চিলমারী নৌ বন্দর নির্মাণের জন্য ২৩৫ কোটি ৫৯ লাখ টাকার প্রকল্প অনুমোদন হয়েছে। ডিজাইন ইউনিট পরিদর্শন করে ডিজাইন করা হবে। এরপর টেন্ডার আহবান করা হবে। এসব কাজ ও নৌ বন্দরের কাজ শেষ হলে কুড়িগ্রামের রৌমারী, চিলমারী ও রাজিবপুর উপজেলার নদী পারূর মানুষকে আর কাঁদত হবে না।
রবিবার দুপুরে কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার চরশৈলমারী ইউনিয়নের ভাঙন কবলিত ঘুঘুমারী নামক এলাকার ব্রহ্মপুত্রের বাম তিরে জিও ব্যাগ ফেলে উদ্বাধনকালে এসব কথা বলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাকির হোসেন। পরে তিনি রৌমারী উপজেলা র খেদাইমারী, বলদমারা, চিলমারী উপজেলার নয়ারহাট ও রাজিবপুরের কোদালকাটি ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, পানি উনয়ন বোর্ডের রংপুর বিভাগীয় প্রধান প্রকৌশলী জ্যোতি প্রসাদ ঘোষ , তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আব্দুস শহীদ, কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিবার্হী প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম, উপ-প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম, শাখা প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম, রৌমারী প্রোসক্লাব সভাপতি সুজাউল ইসলাম সুজা, রৌমারী উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য নুর কুতুবুল আলম টুল্লু ও বাদশা মিয়া রাজিবপুর উপজেলা চেয়ারম্যান আকবর হোসেন হিরা, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল হাই সরকার প্রমূখ।
© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০ Developed By Agragami HOST