ঢাকা ৩১ আগস্ট, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ | ১৬ ভাদ্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৮:২০ অপরাহ্ণ, মে ২৭, ২০২১
গোলাম মোস্তফা খান,
দাকোপ,খুলনা। খুলনার দাকোপ উপজেলাধীন ৩১ নং পোল্ডারের সদর চালনা পৌরসভার গোটা চালনাবাজার,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বাসভবন চত্বর এলাকা,লঞ্চঘাট,চালনামেরিন,গোড়কাঠি,পানখালি,খলিসা,
খোনা,বটবুনিয়াবাজার,
কামিনিবাসিয়া,নলিয়ান,
কালাবগি,দাকোপ,বানিশান্তা,
পতিতাপল্লী,বানিশান্তাবাজারসহ উপজেলার শতাধীক এলাকায় ওয়াপদার ভেড়িবাঁধের উপর দিয়ে দেড়/দুই ফুট উচ্চতায় ভিতরে লবন পানি প্রবেশ করে উপজেলা সদরসহ ব্যাপক এলাকা জুড়ে পানি প্লাবিত হয়েছে। ফলে মাছের ঘের,পুকুরে লবন পানিতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়।বটবুনিয়া বাজার ও বাজার সংলগ্ন এলাকার বাড়িঘর ও পুকুর পানিতে ডুবে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।আজ বৃহস্পতিবার দুপুরের জোয়ারের সময় চালনাবাজারের অধিকাংশ এলাকার রাস্তাঘাট,দোকানপাট জোযারের পানিতে ডুবে যায়।এ সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বাসভবন লাগোয়া চত্বরে শত শত মানুষের নদী থেকে উঠে আসা মাছ ধরার হিড়িক পড়ে। প্রায় ২ ঘন্টা এমন পানির চাপে ওয়াপদার ভিতর লবন পানি ডুকে এলাকার ফসল ও পুকুর,লেকের মাছের বেশ ক্ষতি হয়েছে বলে এলাকার শত শত মানুষের অভিযোগ। বটবুনিয়া এলাকার বাসিন্দা এনজিও হীড বাংলাদেশের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা আব্দুস সালাম এ প্রতিনিধিকে জানান ৩১ নং পোল্ডারের বটবুনিয়াবাজার ও বাজার সংলগ্ন ব্যাপক এলাকার অবস্থা ভয়াবহ, এখনই শক্ত ভেড়িবাঁধ না দিতে পারলে গোটা বাজারসহ বহু পরিবার ভেসে যাবে।ঐতিয্যবাহি এ বাজারটির হয়তো আগামিতে কোন অস্তিত্ব থাকবে না।এলাকাবাসি বার বার জনপ্রতিনিধি ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের উদ্ধতনকর্তা ব্যাক্তিদের বার বার জানানো সত্বেও কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না।এদিকে গোড়কাঠি গেট ও এনামুলের সমিলের কাছের ওয়াপদাও বার বার ভেংগে যাচ্ছে আর এলাকাবাসি রক্ষা করছে। কতদিন ৩১ নং পোল্ডারের এমন ভযাবহতা চলবে এটাই এলাকাসির প্রশ্ন।
© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০ Developed By Agragami HOST