ঢাকা ৩১ আগস্ট, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ | ১৬ ভাদ্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৬:০৪ অপরাহ্ণ, জুলাই ৭, ২০২১
মোঃ খাইরুজ্জামান সজিব বিশেষ প্রতিনিধি
আজ থেকে খুলনাতে রাজিয়া নাসের অক্সিজেন ব্যাংকের কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে। খুলনার নয় উপজেলার জন্য জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান জামালের তত্ত্বাবধান ও ব্যক্তিগত অর্থায়নে অক্সিজেন ব্যাংকের উদ্বোধন করবেন খুলনা জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, বর্ষীয়ান রাজনীতিক শেখ হারুনুর রশিদ। সকাল ১১ টায় আহসান আহমেদ রোডে জামালের ব্যক্তিগত অফিসে এই অনুষ্ঠান হবে।
আলোকিত সময় এর সাথে আলাপকালে খুলনা শহরের প্রথম শ্রেণীর ঠিকাদার, জেলা যুবলীগের সভাপতি, জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান জামাল জানান, যেসব এলাকাতে এমপি মহোদয়রা অক্সিজেন ব্যাংক চালু করেছেন, সেই সব এলাকাতেও জনগণ আমার এখানে চিকিৎসা সাহায্য বা অক্সিজেন সাপোর্ট চাইলে পাবেন। এটা আপামর জনগণের জন্য। আমার এই অক্সিজেন ব্যাংক জেলার সকল গ্রামের লোকজনের জন্য উম্মুক্ত। আমার সাথে দেখা করতে বা আমার কাছে আসতে যেমন অনুমতি বা ফোন করা লাগে না তেমনিই আমার কাছ থেকে অক্সিজেন নিতেও কোনও সংকোচ বা অনুমতির দরকার নেই। একটা ফোন কলই যথেষ্ট। মুহূর্তেই রুগীর বাসাতে অক্সিজেন পৌঁছে যাবে।
প্রাপ্ত সুত্র মতে, শুরুতেই ২৫ টি সিলিন্ডার নিয়ে জামাল এই অক্সিজেন ব্যাংক চালু করতে যাচ্ছেন। বঙ্গবন্ধুর ছোট ভাই শহীদ শেখ আবু নাসেরের স্ত্রী প্রয়াত রাজিয়া নাসেরের নামে তিনি এই অক্সিজেন ব্যাংক নামকরণ করেছেন।
সাবেক ছাত্র নেতা জামাল আরও জানান মরহুমার তৃতীয় সন্তান, যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, খুলনার যুব সমাজের আইকন, শেখ সোহেলের সাথে আলাপ, পরামর্শ করে এই অক্সিজেন ব্যাংকের কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছেন। শেখ সোহেলের বরাত দিয়ে আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি, যুবনেতা জামাল আরও জানান, দেশের বাইরে যাবার জন্য উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি থাকতে পারবেন না। তবে শেখ সোহেল বরাবরই আমার, আমাদের অনুপ্রেরণা আমাদের অভিভাবক। এবারও তিনি আমার এই উদ্যোগকে শুভ কামনা রেখেছেন, দোয়া করেছেন।
জেলার নয় উপজেলাতে করোনাতে আক্রান্ত লোকজনের চিকিৎসার্থে এসব অক্সিজেন সিলিন্ডার ব্যবহার হবে।
জেলার ৯ টি উপজেলাতে হত- দরিদ্ররা বিনা পয়সায় বাসাতে বসেই প্রয়োজনে অক্সিজেন সেবা নিতে পারবেন। আহসান আহমদ রোডে জামালের ব্যক্তিগত অফিস থেকে চব্বিশ ঘন্টাই এই সার্ভিস দেয়া হবে।
জামাল আরও জানান, তিন শিফটেই পালা করে স্বেচ্ছাসেবকরা দায়িত্ব পালন করবে। অসুস্থতার সংবাদ পেলেই মটস সাইকেল যোগে রুগীর বাসাতে অক্সিজেন পৌঁছে যাবে। ৬ টি মটর সাইকেলও স্টান্ডবাই রাখা হয়েছে। এ ছাড়াও জেলার সকল উপজেলাতে স্বেচ্ছাসেবীদের কাছেও অক্সিজেন রাখা হবে। দ্রুত সেবা নিশ্চিত করতেই সব উপজেলাতে অক্সিজেন রাখার ব্যাবস্থা করা হয়েছে।
জামাল আরও জানান, রুগী শহরে আনার জন্য প্রয়োজনে তাদের এম্বুলেন্স সহযোগিতাও দেয়া হবে। সেই ক্ষেত্রে জেলা পরিষদের এম্বুলেন্স সহযোগিতা নেয়া হবে।
মানবতার সেবায় ব্যক্তিগত উদ্যোগ ও অর্থায়নে জামালের এই উদ্যোগ জেলা ও শহরের সাধারণ জনগণের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে ও প্রশংসা পেয়েছে। বিভিন্ন পেশার লোকজন সামাজিক যোগাযোগ মাধম ও ফেস বুকে জামালের এই কর্মকাণ্ডকে অভিনন্দন জানিয়েছে।
© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০ Developed By Agragami HOST