স্বাধীনতা সংগ্রামে বীমার অবদান রয়েছে। —আইডিআরএ চেয়ারম্যান।

প্রকাশিত: ১১:৫৬ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২১

স্বাধীনতা সংগ্রামে বীমার অবদান রয়েছে। —আইডিআরএ চেয়ারম্যান।

মোঃকাওছার হোসেন ঃ
গৌরনদী প্রতিনিধি ঃ

দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে বীমাখাতের অবদান রয়েছে।তাই আমাদের দায়িত্ব অনেক।জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বীমা পেশার আড়ালে স্বাধীনতা সংগ্রামের কাজ করে গেছেন।দেশে স্বাধীনের পর বঙ্গবন্ধুই প্রথম বীমাখাতের সংস্কারে হাত দেন।তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকার বীমাখাতের উন্নয়নে যুগান্তকারি উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

এমনটাই বলেছেন বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) এর চেয়ারম্যান ড.এম মোশাররফ হোসেন।আগামী ১লা মার্চ জাতীয় বীমা দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।আজ শনিবার কর্তৃপক্ষের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে বিআইএ’র প্রেসিডেন্ট শেখ কবির হোসেন (ভার্চুয়ালি),অতিরিক্ত সচিব আবদুল্লাহ হারুন বাশার,বিআইএফ’র প্রেসিডেন্ট বি এম ইউসুফ আলী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ড.এম মোশাররফ হোসেন বলেন,সরকার নিজস্ব অর্থায়নে বঙ্গবন্ধু শিক্ষা বীমা চালু করতে যাচ্ছে।জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিতে ১৬ লাখের বেশি প্রতিবন্ধী শিশুকে বীমার আওতায় আনার উদ্যোগ হিসেবে সরকার চালু করতে যাচ্ছে স্বাস্থ্যবীমা।বঙ্গবন্ধু ক্রীড়াপ্রেমী ছিলেন,তাই তার প্রতি সম্মান জানাতে বঙ্গবন্ধু স্পোর্টসম্যান ইন্স্যুরেন্স চালু করা হয়েছে। এছাড়া,চালু করা হয়েছে বঙ্গবন্ধু সুরক্ষা বীমা।

এ সময়ে বীমার ভূমিকার বিষয়ে আইডিআরএ চেয়ারম্যান বলেন,আমাদের দেশে জীবন বীমাখাতে বীমা বাধ্যতামূলক করা হয় নাই।একারণে,বীমার উপকারিতা সম্পর্কে সাধারণ মানুষের ধারণা কম।আমি সরকার ও নীতি নির্ধারকদের কাছে আবেদন জানাবো জীবন বীমাখাতে যাতে কোন একটি প্রডাক্ট বাধ্যতামূলক করা হয়।

ড.মোশাররফ বলেন,একটি পরিবারে একটি পলিসি করা থাকলে সে পরিবারের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।কিন্তু, আমরা সে গুরুত্বটি এখানো বুঝতে পারি নাই।অনেক পরিবার আছে অসুস্থতা বা দুঘটনায় পরিবারের একজন সদস্য মারা গেলে গোটা পরিবারই আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।অনেক পরিবার আছে যারা একেবারে নিঃস্ব হয়ে যায়।তাদের পাশে দাঁড়ানোর একমাত্র মাধ্যম বীমা।এ দিকটি আমোদের বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়ে ভাবা উচিত।

তিনি আরো বলেন,আমরা জানি শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড।একটি শিক্ষিত জাতি একটি উন্নত দেশ।আমাদের দেশে অনেক শিশু আছে যারা আর্থিকভাবে সামর্থ না থাকার কারণে তারা পড়াশোনা করতে পারে না।অঙ্কুরেই শিশুটির ভবিষ্যৎ শেষ হয়ে যায়।তাদের স্বার্থে,দেশের উন্নয়নের স্বার্থে নিজস্ব অর্থায়নে “বঙ্গবন্ধু শিক্ষাবীমা” চালু করেছে সরকার।


মুজিব বর্ষ

Pin It on Pinterest