ঢাকা ৩০ আগস্ট, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ | ১৫ ভাদ্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১২:০২ পূর্বাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২১
আবুল হোসেন রাজু, কুয়াকাটা- কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি।
আজ ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালবাসা দিবস। এই ভালবাসা দিবসের রঙ লেগেছে বিশ্বের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র সাগরকন্যা কুয়াকাটায়। ভালবাসার রঙ ও সমুদ্রের উত্তাল টেউয়ের ছন্দে উচ্ছ্বাসে মেতে উঠছে পর্যটকসহ তরুণ-তরুণী। আর এই সুযোগকে কাজে লাগাতে তারকামানের হোটেল মোটেলগুলোকে সাজিয়েছে ভালবাসার রঙে।
পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা বলছেন, বিশ্ব ভালোবাসা দিবস এবং একুশে ফেব্রুয়ারি সবকিছু মিলে জমজমাট পর্যটন কেন্দ্র সমুদ্র কন্যা কুয়াকাটায় পর্যটকের উপচে পড়া ভীড় হয়েছে। কুয়াকাটায় সবক’টি আবাসিক হোটেল মোটেল ইতিমধ্যে বুকিং হয়ে গেছে। কুয়াকাটায় আসা এসব ভ্রমণ পিপাসুদের কথা চিন্তা করে তারকা মানের হোটেলগুলোতে দেয়া হয়েছে বাড়তি সুযোগ-সুবিধা। ভালবাসা দিবস ও আগামী সপ্তাহ জুড়ে তিন লাখ পর্যটকের আগমন ঘটবে বলে আশা করছেন তারা।
কুয়াকাটা হোটেল ওশান ভিউ ম্যানেজার আল-আমীন খান উজ্জ্বল বলেন, বিশ্ব ভালোবাসা দিবস এবং বসন্তের আগমনকে কেন্দ্র করে লং টাইম সরকারি ছুটি পেয়ে সবার মনটাই সাগরকান্যা কুয়াকাটা ভ্রমণ করার জন্য যেন উৎসাহিত হচ্ছে। তিনি বলেন ইতিমধ্যে হোটেল বুকিং হয়ে গেছে এবং অনেক ফোন আসছে।
এদিকে জোয়ার ভাটা হোটেলের পরিচালক মোঃ ফরিদ হোসেন বলেন,ভ্যালেন্টাইন্স ডে’ উপলক্ষ্যে হোটেল সব সময় ব্যতিক্রম কিছু করতে চেষ্টা করে থাকে। এবারেও আমরা খাবারের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েছি। কারণ আমরা চাই আমাদের হোটেলে আসা সব ক্লায়েন্ট খুশি হোক। সে লক্ষ্য মাথায় রেখে ভ্যালেন্টাইন্স ডে- একুশে ফেব্রুয়ারীতে যুগলদের জন্য খাবারের স্পেশাল অফার ঘোষণা করা করেছে কর্তৃপক্ষ।
ট্যুর অপারেটর এসোসিয়েশন অব কুয়াকাটা( টোয়াক) সভাপতি রুমান ইমতিয়াজ তুষার জানান, ‘বিশ্ব ভালবাসা দিবস এবং পহেলা ফাল্গুন, সরকারি ছুটি ও ২১ শে ফেব্রুয়ারি বন্ধ উপলক্ষে পর্যটকে মুখরিত হয়ে আছে।
ইতিমধ্যে ভালবাসা দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন হোটেল তাদের নিজস্ব কিছু কার্যক্রম শুরু করছে। আশা করা হচ্ছে সব কিছু ঠিকটাক থাকলে এ মাসে পর্যটন ব্যবসায়ীরা ভাল ব্যবসা করতে পারবে। এতে করে পর্যটন শিল্প বিকাশে অনেকটা সহায়ক হবে’।
অপরদিকে বিশ্ব ভালবাসা দিবস উপলক্ষে কুয়াকাটার বিভিন্ন পর্যটন স্পট গুলোতে মহিপুর থানা পুলিশ ও ট্যুরিস্ট পুলিশ কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা জোরদার করেছে। কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট জোনের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার, সোরাব হোসেন বলেন, ‘পর্যটকদের আগমন ও স্থানীয়দের পদচারনা নিরাপদ করতে পুলিশের পাশাপাশি র্যাব, সাদা পোশাকধারী পুলিশ আইন শৃংখলা রক্ষায় নিয়োজিত রয়েছে। তাছাড়া হোটেল-মোটেলের নিরাপত্তা রক্ষার জন্য আলাদা সিভিল টিম রাখা হয়েছে। পাশাপাশি সৈকতজুড়ে বাড়তি নিরাপত্তাও জোরদার করা হয়েছে’।
© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০ Developed By Agragami HOST