সংবাদ সম্মেলনে আইডিআরএ চেয়ারম্যান বলেন,”গণমানুষকে আর্থিক সহায়তা দেয়ার অন্যতম মাধ্যম বীমা।”

প্রকাশিত: ৩:০৬ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২১

সংবাদ সম্মেলনে আইডিআরএ চেয়ারম্যান বলেন,”গণমানুষকে আর্থিক সহায়তা দেয়ার অন্যতম মাধ্যম বীমা।”

মোঃ কাওছার হোসেনঃ
গৌরনদী প্রতিনিধি ঃ

বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) চেয়ারম্যান ড.এম মোশাররফ হোসেন বলেছেন, “গণমানুষকে আর্থিক সহায়তা দেয়ার অন্যতম মাধ্যম বীমা।”তিনি বলেন,আমাদের প্রয়োজনীয় খরচে পর সঞ্চিত আয়ের প্রথম অংশ যাওয়া উচিত বীমায়।আমরা এ লক্ষ্যেই কাজ করছি।যার কারণে এরইমধ্যে বীমার পেনিট্রেশন তথা বীমা গ্রাহক বাড়ছে।

আসন্ন জাতীয় বীমা দিবস উপলক্ষ্যে আজ সোমবার (১৫ই ফেব্রুয়ারি,২০২১) বিকেলে কর্তৃপক্ষের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট শেখ কবির হোসেন ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন।এছাড়াও,কর্তৃপক্ষের দুই সদস্যসহ ইন্স্যুরেন্স ফোরামের প্রেসিডেন্ট বিএম ইউসুফ আলী উপস্থিত ছিলেন।

আইডিআরএ চেয়ারম্যান বলেন,”বীমার অফিসে বসে যদি ছয় দফা লিখে বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের সূচনা করতে পারেন বঙ্গবন্ধু।”তাহলে আমরা কেন বীমার মাধ্যমে অর্থনৈতিক বিপ্লব আনতে পারব না।তিনি বলেন,”আমরা এই দিবসটি কেন্দ্র করে উজ্জীবিত হবো এবং বীমার সুবিধা দেশের সর্বস্তরের জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে বদ্ধ পরিকর থাকব।”

বাংলাদেশ ব্যাংকের জনবলের সাথে তুলনা করে আইডিআরএ চেয়ারম্যান ড.এম মোশাররফ হোসেন বলেন,”আমাদের এখানে যথেষ্ট জনবলের ঘাটতি রয়েছে।এই সীমিত জনবলের কারণে আমরা বীমা কোম্পানিগুলোকে যথাযথভাবে তদারক করতে পারছি না।বীমাখাতের ইতিবাচক ইমেজ তৈরিতে এটি একটি বড় বাধা।”

জাতীয় বীমা দিবসের আয়োজন সম্পর্কে আইডিআরএ চেয়ারম্যান বলেন,”এবারের আয়োজনে কিছুটা পরিবর্তন আনা হচ্ছে।বর্ণাঢ্য র‍্যালী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পরিবর্তে উদ্ভাবনী ধারণা ভিত্তিক কার্যক্রম থাকবে।এবারও অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।তবে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে তিনি সরাসরি উপস্থিত থাকবেন না,থাকবেন ভার্চুয়ালি।”

এবারের বীমা দিবসে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের নিজস্ব অর্থায়নে চালু হতে যাচ্ছে ‘বঙ্গবন্ধু শিক্ষা বীমা’।এছাড়াও, বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীতে।এর মধ্যে রয়েছে-কর্তৃপক্ষের দপ্তরে বঙ্গবন্ধুর উপর লিখিত পুস্তিকাসহ স্থাপন করা হয়েছে ‘বঙ্গবন্ধু কর্ণার’।চালু করা হয়েছে ‘বঙ্গবন্ধু সুরক্ষা বীমা’।

১৬ লক্ষাধিক প্রতিবন্ধীর জন্য ‘স্বাস্থ্য বীমা’ পরিকল্প তৈরির কাজ চূড়ান্ত করা হয়েছে। চালু করা হয়েছে ‘বঙ্গবন্ধু স্পোর্টসম্যান ইন্স্যুরেন্স’।নির্ধারিত কয়েকটি বুধবারে ‘বঙ্গবন্ধু আশার আলো বীমা দাবি পরিশোধের প্রয়াস’ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিধবা এবং পিতা-মাতা হারানো সন্তানদের হাতে বীমা দাবির টাকা তুলে দেয়া হচ্ছে,জানান ড.এম মোশাররফ হোসেন।


alokito tv

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Pin It on Pinterest